image

৫ আগস্টের পর ঢালাও মামলা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উদ্বেগ

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর গত ৫ আগস্ট থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে দায়ের হওয়া মামলায় ব্যক্তিগত আক্রোশ ও সুবিধা চরিতার্থ করতে নিরীহ মানুষকে আসামি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

তিনি স্পষ্টভাবে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, একটি সুবিধাবাদী শ্রেণি নিজেদের স্বার্থে সাধারণ মানুষকে এ সব মামলায় জড়াচ্ছে যা সরকারের নজরে এসেছে।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ সব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ৫ আগস্টের পরবর্তী সময়ে দায়ের করা অনেক মামলায় দেখা যাচ্ছে যে, ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে নিরপরাধ ব্যক্তিদের নাম ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছি। এ সব মামলার তথ্য যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত সত্য বের করা হবে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর এবং কোনোভাবেই যেন কোনো সাধারণ মানুষ অহেতুক হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

একই সভায় মন্ত্রী বিগত ১৭ বছরের ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বিরোধী রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ওপর চাপানো দমনমূলক মামলা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেন।

তিনি জানান, রাজনৈতিক হয়রানির উদ্দেশ্যে দায়ের করা আরও এক হাজার ২০২টি মামলা প্রত্যাহারের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর আগে গত ধাপে আরওে এক হাজার ৬টি এ ধরনের মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

তবে মামলা প্রত্যাহারের ক্ষেত্রে সরকারের কঠোর মানদণ্ডের কথা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, শুধুমাত্র রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলাগুলোই এই তালিকায় স্থান পাচ্ছে। হত্যা, মাদক, অস্ত্র, বিস্ফোরক এবং নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো গুরুতর অপরাধের মামলাগুলো কোনোভাবেই এই সাধারণ ক্ষমার আওতায় আসবে না।

সালাহউদ্দিন আহমদ আরও যোগ করেন, রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলাগুলো শনাক্ত করতে একটি শক্তিশালী যাচাই-বাছাই কমিটি কাজ করছে। কোনো মামলার অপব্যবহার রোধে এই কমিটি সতর্কতার সঙ্গে প্রতিটি নথি পরীক্ষা করছে।

খুব দ্রুতই এ সংক্রান্ত পরবর্তী সিদ্ধান্তগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

‘অপরাধ ও দুর্নীতি’ : আরও খবর

সম্প্রতি