image

৪ মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতির জামিন হলেও এখনই পাচ্ছেন না মুক্তি

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

জুলাই আন্দোলনের সময় যুবদলকর্মী হত্যা, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রায় জালিয়াতিসহ চার মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট।

রোববার বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেয়। তবে দুদকের একটি মামলা থাকায় এখনই মুক্তি পাচ্ছেন না সাবেক এই প্রধান বিচারপতি।

জামিনের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী, ব্যারিস্টার সারা হোসেন ও অ্যাডভোকেট সাইদ আহমেদ রাজা। তাদের সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মোনায়েম নবী শাহীন। আর, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আবদুল্লাহ আল মাহমুদ মাসুদ, জহিরুল ইসলাম সুমন, নাহিদ হোসেন ও মো. আক্তারুজ্জামান।

এ সব মামলায় গত বছরের ১৯ অক্টোবর জামিন আবেদন করেন সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক। শুনানি নিয়ে জামিন প্রশ্নে গত বছরের ২৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল দেয়। মামলাগুলোতে কেন তাকে জামিন দেওয়া হবে না, রুলে তা জানতে চাওয়া হয়।

দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষকে ১০ দিনের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়। সেই রুলের ওপর গত বুধবার শুনানি শেষ হয়। আজ রোববার জামিনের রায় দিলো হাইকোর্ট।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের প্রায় এক বছর পর ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাকে জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে যুবদল কর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। বেআইনি রায় দেওয়া ও জাল রায় তৈরির অভিযোগে গত বছরের ২৫ আগস্ট নারায়ণগঞ্জে করা একটি মামলায়ও তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংক্রান্ত ‘রায় জালিয়াতির’ অভিযোগে গত বছরের ২৭ আগস্ট শাহবাগ থানায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। একই অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায় গত বছরের ২৫ আগস্ট আরেকটি মামলা করেন নুরুল ইসলাম মোল্লা নামের এক ব্যক্তি।

আর ‘বিধিবহির্ভূতভাবে প্লট নেওয়ার’ অভিযোগে গত বছরের আগস্টে খায়রুল হকের বিরুদ্ধে একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

‘অপরাধ ও দুর্নীতি’ : আরও খবর

সম্প্রতি