নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে জুই নামে তিন বছরের এক শিশুকে অপহরণ ও হত্যা মামলায় তিনজনকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (৩০ মে) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নাজমুল হক শ্যামলের আদালত আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্তরা হলেন, কুড়িগ্রামের বুরুঙ্গামারী উপজেলার বাসিন্দা শাহজালাল, আশরাফুল ও জাকির হোসেন। তারা রূপগঞ্জেটেক পাড়া এলাকায় ভাড়া থাকতেন।
মামলার রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী রকিব উদ্দিন জানান, ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর ভোরে নিজ বাড়ি থেকে শিশু জুই আক্তারকে অপহরণ করে ওই তিন আসামি। এরপর শিশুটিকে জীবিত ফেরত দিতে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপন দাবি করে। পরদিন সকালে বাড়ির পাশের বালুর মাঠ থেকে শিশু জুইয়ের হাত-পা বাঁধা অবস্থায় বস্তাবন্দি লাশ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তারের পর বেড়িয়ে আসে তারা ছিলেন শিশুটির বাড়ির ভাড়াটিয়া। পরবর্তী দুই আসামী জবানবন্দিতে শিশুটিকে হত্যার কথা স্বীকার করেন। এই মামলায় ময়নাতদন্তকারি ডাক্তার ও ম্যাজিস্ট্রেটসহ মোট ৬ জনের সাক্ষ্য শেষে আদালত তিন আসামির মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছেন।
মামলার বাদি নিহত জুইয়ের বাবা আনোয়ার হোসেন শিশু জুই হত্যা মামলার রায়ে সন্তুষ্ট বলে জানিয়ে আসামিদের রায় দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানান। তিনি বলেন, এ ভাবে আরো কোন মায়ের বুক যেন খালি না হয়। আসামীদের সাজা কার্যকর হলেই আমার মেয়ের আত্মাশান্তি পাবে।
ইপেপার
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
নগর-মহানগর
খেলা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
শিক্ষা
অর্থ-বাণিজ্য
সংস্কৃতি
ক্যাম্পাস
মিডিয়া
অপরাধ ও দুর্নীতি
রাজনীতি
শোক ও স্মরন
প্রবাস
নারীর প্রতি সহিংসতা
বিনোদন
সম্পাদকীয়
উপ-সম্পাদকীয়
মুক্ত আলোচনা
চিঠিপত্র
পাঠকের চিঠি
মঙ্গলবার, ৩০ মে ২০২৩
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে জুই নামে তিন বছরের এক শিশুকে অপহরণ ও হত্যা মামলায় তিনজনকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (৩০ মে) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নাজমুল হক শ্যামলের আদালত আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্তরা হলেন, কুড়িগ্রামের বুরুঙ্গামারী উপজেলার বাসিন্দা শাহজালাল, আশরাফুল ও জাকির হোসেন। তারা রূপগঞ্জেটেক পাড়া এলাকায় ভাড়া থাকতেন।
মামলার রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী রকিব উদ্দিন জানান, ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর ভোরে নিজ বাড়ি থেকে শিশু জুই আক্তারকে অপহরণ করে ওই তিন আসামি। এরপর শিশুটিকে জীবিত ফেরত দিতে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপন দাবি করে। পরদিন সকালে বাড়ির পাশের বালুর মাঠ থেকে শিশু জুইয়ের হাত-পা বাঁধা অবস্থায় বস্তাবন্দি লাশ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তারের পর বেড়িয়ে আসে তারা ছিলেন শিশুটির বাড়ির ভাড়াটিয়া। পরবর্তী দুই আসামী জবানবন্দিতে শিশুটিকে হত্যার কথা স্বীকার করেন। এই মামলায় ময়নাতদন্তকারি ডাক্তার ও ম্যাজিস্ট্রেটসহ মোট ৬ জনের সাক্ষ্য শেষে আদালত তিন আসামির মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছেন।
মামলার বাদি নিহত জুইয়ের বাবা আনোয়ার হোসেন শিশু জুই হত্যা মামলার রায়ে সন্তুষ্ট বলে জানিয়ে আসামিদের রায় দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানান। তিনি বলেন, এ ভাবে আরো কোন মায়ের বুক যেন খালি না হয়। আসামীদের সাজা কার্যকর হলেই আমার মেয়ের আত্মাশান্তি পাবে।