ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কৃষ্ণনগরের গ্রেস কটেজে কবি কাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় পুত্র অরিন্দম খালেদ বুলবুলের জন্মশতবর্ষ উদযাপন করা হয়। গতকাল রোববার এ উপলক্ষে বুলবুলের জন্মস্থান গ্রেস কটেজে ছায়ানট (কলকাতা) এবং কথাশিল্প আবৃত্তি চর্চাকেন্দ্র যৌথভাবে ‘নজরুলের প্রাণপ্রিয় বুলবুল’ শীর্ষক উক্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের প্রথম সচিব (প্রেস) তারিক চয়ন। বিশেষ অতিথি ছিলেন- নজরুল গবেষক ও শিক্ষারত্নপ্রাপ্ত আবুল হোসেন বিশ্বাস, বুলবুল পত্রিকার সম্পাদক এস. এম. সিরাজুল ইসলাম এবং সুজন বাসর সংগঠনের সম্পাদক ইনাস উদ্দীন।
সোমঋতা মল্লিক এবং পীতম ভট্টাচার্যের পরিকল্পনা ও পরিচালনায় অনুষ্ঠানে সোমঋতা মল্লিকের সম্পাদনায় রিসার্চ পাবলিকেশন থেকে ‘বুলবুল: বিদ্রোহীর বুকে বিষাদের সুর’ বই প্রকাশিত হয়। এতে বুলবুলকে নিয়ে প্রবন্ধ, কবিতা লিখেছেন দুই বাংলার বিশিষ্ট কবি এবং নজরুল গবেষকরা। এছাড়া, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন কলকাতা সহ নদীয়ার শিল্পীরা। বুলবুলকে নিবেদিত গান ও কবিতায় মুখরিত হয়ে উঠেছিল গ্রেস কটেজ।
অনুষ্ঠানে বুলবুলের জন্মশতবর্ষে নজরুল-অনুরাগীদের পক্ষ থেকে তার প্রতি বিশেষ সম্মান জানানো হয়। বুলবুলের স্মরণে সোমঋতা পরিবেশন করেন দুটি নজরুল সঙ্গীত - শূন্য এ বুকে পাখি মোর ও ঘুমিয়ে গেছে শ্রান্ত হয়ে আমার গানের বুলবুলি। বুলবুলকে নিবেদিত স্মৃতিচারণামূলক লেখা ও কবিতা পাঠ করেন - ছায়ানটের পক্ষ থেকে এককভাবে দেবযানী বিশ্বাস, ডা. বৈশাখী দাস, অনিন্দিতা ঘোষ, স্নেহাঙ্গনা ভট্টাচার্য্য ও স্বাতী ভট্টাচার্য্য। নজরুল-সঙ্গীত পরিবেশন করেন রীতা দে রায় এবং তাপস রায়। অনুষ্ঠানে বিশেষ সহযোগিতায় ছিল আল-আমীন মিশন এবং হারমোনিয়াম পার্টনার ছিল পাকড়াশী হারমোনিয়াম।
ইপেপার
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
নগর-মহানগর
খেলা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
শিক্ষা
অর্থ-বাণিজ্য
সংস্কৃতি
ক্যাম্পাস
মিডিয়া
অপরাধ ও দুর্নীতি
রাজনীতি
শোক ও স্মরন
প্রবাস
নারীর প্রতি সহিংসতা
বিনোদন
সম্পাদকীয়
উপ-সম্পাদকীয়
মুক্ত আলোচনা
চিঠিপত্র
পাঠকের চিঠি
সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কৃষ্ণনগরের গ্রেস কটেজে কবি কাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় পুত্র অরিন্দম খালেদ বুলবুলের জন্মশতবর্ষ উদযাপন করা হয়। গতকাল রোববার এ উপলক্ষে বুলবুলের জন্মস্থান গ্রেস কটেজে ছায়ানট (কলকাতা) এবং কথাশিল্প আবৃত্তি চর্চাকেন্দ্র যৌথভাবে ‘নজরুলের প্রাণপ্রিয় বুলবুল’ শীর্ষক উক্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের প্রথম সচিব (প্রেস) তারিক চয়ন। বিশেষ অতিথি ছিলেন- নজরুল গবেষক ও শিক্ষারত্নপ্রাপ্ত আবুল হোসেন বিশ্বাস, বুলবুল পত্রিকার সম্পাদক এস. এম. সিরাজুল ইসলাম এবং সুজন বাসর সংগঠনের সম্পাদক ইনাস উদ্দীন।
সোমঋতা মল্লিক এবং পীতম ভট্টাচার্যের পরিকল্পনা ও পরিচালনায় অনুষ্ঠানে সোমঋতা মল্লিকের সম্পাদনায় রিসার্চ পাবলিকেশন থেকে ‘বুলবুল: বিদ্রোহীর বুকে বিষাদের সুর’ বই প্রকাশিত হয়। এতে বুলবুলকে নিয়ে প্রবন্ধ, কবিতা লিখেছেন দুই বাংলার বিশিষ্ট কবি এবং নজরুল গবেষকরা। এছাড়া, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন কলকাতা সহ নদীয়ার শিল্পীরা। বুলবুলকে নিবেদিত গান ও কবিতায় মুখরিত হয়ে উঠেছিল গ্রেস কটেজ।
অনুষ্ঠানে বুলবুলের জন্মশতবর্ষে নজরুল-অনুরাগীদের পক্ষ থেকে তার প্রতি বিশেষ সম্মান জানানো হয়। বুলবুলের স্মরণে সোমঋতা পরিবেশন করেন দুটি নজরুল সঙ্গীত - শূন্য এ বুকে পাখি মোর ও ঘুমিয়ে গেছে শ্রান্ত হয়ে আমার গানের বুলবুলি। বুলবুলকে নিবেদিত স্মৃতিচারণামূলক লেখা ও কবিতা পাঠ করেন - ছায়ানটের পক্ষ থেকে এককভাবে দেবযানী বিশ্বাস, ডা. বৈশাখী দাস, অনিন্দিতা ঘোষ, স্নেহাঙ্গনা ভট্টাচার্য্য ও স্বাতী ভট্টাচার্য্য। নজরুল-সঙ্গীত পরিবেশন করেন রীতা দে রায় এবং তাপস রায়। অনুষ্ঠানে বিশেষ সহযোগিতায় ছিল আল-আমীন মিশন এবং হারমোনিয়াম পার্টনার ছিল পাকড়াশী হারমোনিয়াম।