বিশিষ্ট কবি জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক কালের কণ্ঠের সম্পাদক হাসান হাফিজের ৭১তম জন্মদিন সাড়ম্বরে উদযাপিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে কেক কাটা, ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় এবং তার নতুন বই ‘সত্তরের সকালে’ এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
জন্মদিনের এই বিশেষ আয়োজনে হাসান হাফিজ দেশের অভ্যন্তরে বিদ্যমান ‘জাতীয় সমস্যা, অন্তর্ঘাত ও ষড়যন্ত্র’ মোকাবিলা করে দেশকে গণতান্ত্রিক পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।
আজ বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে কবি হাসান হাফিজের ৭১তম জন্মদিন উদযাপন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে কেক কাটা পর্ব শেষে প্রেসক্লাবের কর্মচারী ইউনিয়ন প্রথম ফুলেল শুভেচ্ছা জানায়। ক্রমান্বয়ে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন,জাতীয় প্রেসক্লাবের নির্বাহী কমিটি, চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি (বাচসাস), গাজীপুর সাংবাদিক সমিতি, জাতীয় কবিতা পরিষদ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে), জাতীয় প্রেসক্লাবের ক্রীড়া উপকমিটি, বেঙ্গল বুকস প্রকাশনীসহ বহু ব্যক্তি ও সংগঠন পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্য দেন বাচসাস সভাপতি কামরুল হাসান দর্পণ।
অনুষ্ঠানে কবি হাসান হাফিজ বলেন, আমার পরিবার, তাদের অবদান ও ত্যাগের কারণে আমি কিন্তু এতখানি লেখালেখি করতে পেরেছি।
জাতীয় প্রেসক্লাবের বর্তমান দায়িত্ব প্রসঙ্গে হাসান হাফিজ জানান, একটি দুর্যোগময় মুহূর্তে পরিস্থিতির কারণেই তিনি এই দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তিনি বলেন, চেষ্টা করে যাচ্ছি সবাই মিলে যেন একটা পরিবার হয়ে আমরা থাকতে পারি।
কবি হাসান হাফিজ সবার প্রতি দেশের সামনে থাকা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের অভ্যন্তরে অনেক জাতীয় প্রবলেম আছে, অন্তর্ঘাত আছে, ষড়যন্ত্র আছে। সেটা যেন আমরা সবাই মিলে ঘুচিয়ে দিতে পারি এবং একটা গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় আমাদের দেশকে নিয়ে যেতে পারি।
বিএফইউজের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী বলেন, হাসান হাফিজ একজন কর্মপাগল মানুষ। যেখানেই তাকে দেখি, গাড়িতে, প্রেসক্লাবের পেছনে বা অন্য যেকোনো স্থানে, সারাক্ষণ তিনি লেখালেখির মধ্যে থাকেন। সাংবাদিকতা তার পেশা হলেও লেখালেখিই তার নেশা।
কবি মোহন রায়হান বলেন, হাসান হাফিজ তার মেধা দিয়ে, সাহিত্য দিয়ে আর প্রজ্ঞা দিয়ে লড়াই করেছেন। তিনি এদেশের মানুষের সকল আন্দোলনে অগ্রণী সৈনিক ছিলেন। অন্যায়ের সাথে তাকে কখনো আপস করতে দেখিনি।
অনুষ্ঠানে কবি হাসান হাফিজের ‘সত্তরের সকালে’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি খালি কণ্ঠে সংগীত পরিবেশন করেন মুহিন খান, আমীরুল মোমেনিন মানিক ও জেনস সুমন।
ইপেপার
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
নগর-মহানগর
খেলা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
শিক্ষা
অর্থ-বাণিজ্য
সংস্কৃতি
ক্যাম্পাস
মিডিয়া
অপরাধ ও দুর্নীতি
রাজনীতি
শোক ও স্মরন
প্রবাস
নারীর প্রতি সহিংসতা
বিনোদন
সম্পাদকীয়
উপ-সম্পাদকীয়
মুক্ত আলোচনা
চিঠিপত্র
পাঠকের চিঠি
বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫
বিশিষ্ট কবি জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক কালের কণ্ঠের সম্পাদক হাসান হাফিজের ৭১তম জন্মদিন সাড়ম্বরে উদযাপিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে কেক কাটা, ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় এবং তার নতুন বই ‘সত্তরের সকালে’ এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
জন্মদিনের এই বিশেষ আয়োজনে হাসান হাফিজ দেশের অভ্যন্তরে বিদ্যমান ‘জাতীয় সমস্যা, অন্তর্ঘাত ও ষড়যন্ত্র’ মোকাবিলা করে দেশকে গণতান্ত্রিক পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।
আজ বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে কবি হাসান হাফিজের ৭১তম জন্মদিন উদযাপন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে কেক কাটা পর্ব শেষে প্রেসক্লাবের কর্মচারী ইউনিয়ন প্রথম ফুলেল শুভেচ্ছা জানায়। ক্রমান্বয়ে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন,জাতীয় প্রেসক্লাবের নির্বাহী কমিটি, চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি (বাচসাস), গাজীপুর সাংবাদিক সমিতি, জাতীয় কবিতা পরিষদ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে), জাতীয় প্রেসক্লাবের ক্রীড়া উপকমিটি, বেঙ্গল বুকস প্রকাশনীসহ বহু ব্যক্তি ও সংগঠন পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্য দেন বাচসাস সভাপতি কামরুল হাসান দর্পণ।
অনুষ্ঠানে কবি হাসান হাফিজ বলেন, আমার পরিবার, তাদের অবদান ও ত্যাগের কারণে আমি কিন্তু এতখানি লেখালেখি করতে পেরেছি।
জাতীয় প্রেসক্লাবের বর্তমান দায়িত্ব প্রসঙ্গে হাসান হাফিজ জানান, একটি দুর্যোগময় মুহূর্তে পরিস্থিতির কারণেই তিনি এই দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তিনি বলেন, চেষ্টা করে যাচ্ছি সবাই মিলে যেন একটা পরিবার হয়ে আমরা থাকতে পারি।
কবি হাসান হাফিজ সবার প্রতি দেশের সামনে থাকা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের অভ্যন্তরে অনেক জাতীয় প্রবলেম আছে, অন্তর্ঘাত আছে, ষড়যন্ত্র আছে। সেটা যেন আমরা সবাই মিলে ঘুচিয়ে দিতে পারি এবং একটা গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় আমাদের দেশকে নিয়ে যেতে পারি।
বিএফইউজের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী বলেন, হাসান হাফিজ একজন কর্মপাগল মানুষ। যেখানেই তাকে দেখি, গাড়িতে, প্রেসক্লাবের পেছনে বা অন্য যেকোনো স্থানে, সারাক্ষণ তিনি লেখালেখির মধ্যে থাকেন। সাংবাদিকতা তার পেশা হলেও লেখালেখিই তার নেশা।
কবি মোহন রায়হান বলেন, হাসান হাফিজ তার মেধা দিয়ে, সাহিত্য দিয়ে আর প্রজ্ঞা দিয়ে লড়াই করেছেন। তিনি এদেশের মানুষের সকল আন্দোলনে অগ্রণী সৈনিক ছিলেন। অন্যায়ের সাথে তাকে কখনো আপস করতে দেখিনি।
অনুষ্ঠানে কবি হাসান হাফিজের ‘সত্তরের সকালে’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি খালি কণ্ঠে সংগীত পরিবেশন করেন মুহিন খান, আমীরুল মোমেনিন মানিক ও জেনস সুমন।