image
সংগৃহীত

১৫ জানুয়ারির মধ্যেই মাধ্যমিক ও কারিগরির ‘অবশিষ্ট’ সব বই পাবে শিক্ষার্থীরা: এনসিটিবি

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যেই মাধ্যমিক ও কারিগরি স্তরের অবশিষ্ট সব বই সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।

২০২৬ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও বিতরণের সর্বশেষ অগ্রগতির তথ্য নিয়ে রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় সংস্থাটি।

এনসিটিবি থেকে জানা গেছে, গত ৩ জানুযারি পর্যন্ত মাধ্যমিক ও প্রাথমিক স্তরের মোট পাঠ্যবইয়ের গড়ে ৮৪ দশমিক ৭৮ শতাংশ সরবরাহ সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে প্রাথমিকের শতভাগ ছাপা শেষ হয়ে গেছে।

২০২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য সর্বমোট ৩০ কোটি দুই লাখ ৫৫ হাজার ১৫৪টি পাঠ্যবই মুদ্রণের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করছে এনসিটিবি।

এনসিটিবি জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের জন্য নির্ধারিত আট কোটি ৫৯ লাখ ৩০ হাজার ৮৮০টি পাঠ্যপুস্তক শতভাগ মুদ্রণ শেষে মহান বিজয় দিবসের প্রাক্কালে দেশের সংশ্লিষ্ট সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পৌঁছে দেয়া হয়েছে। এর ফলে গত ১ জানুয়ারিতে প্রাথমিক স্তরের সব শিক্ষার্থী এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ৫টি ভাষায় মুদ্রিত পুস্তক শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে। ইবতেদায়ী ও ব্রেইল পদ্ধতির পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ কার্যক্রমও প্রায় শতভাগের কাছাকাছি পৌঁছেছে, যা দ্রুততম সময়ের মধ্যে পুরোপুরি সম্পন্ন হবে।

এনসিটিবির দাবি, বর্তমানে মাধ্যমিক (৬ষ্ঠ-৯ম শ্রেণী) ও ইবতেদায়ী স্তরের ২১ কোটি ৪৩ লাখ ২৪ হাজার ২৭৪টি পাঠ্যবইয়ের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এই স্তরের ৮৮ দশমিক ৫০ শতাংশ বইয়ের মুদ্রণ এবং ৮১ দশমিক ৬০ শতাংশ বইয়ের প্রি-ডেলিভারি ইন্সপেকশন (পিডিআই) সম্পন্ন হয়েছে।

সরবরাহের ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত মোট ৭৮ দশমিক ৬৯ শতাংশ বই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছে দেয়া হয়েছে দাবি করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়ে, এর মধ্যে ইবতেদায়ী স্তরের ৯৬ দশমিক ১৬ শতাংশ, ৯ম শ্রেণীতে ৮৭ দশমিক ৯৬ শতাংশ, ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে ৮৫ দশমিক ৬১ শতাংশ, ৭ম শ্রেণীতে ৬৮ দশমিক ৬৯ শতাংশ এবং ৮ম শ্রেণীর ৫৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ সরবরাহ সম্পন্ন হয়েছে।

সব শিক্ষার্থীদের নিকট পাঠ্যপুস্তকের অনলাইন ভার্সন পৌঁছে দেয়ার জন্য এনসিটিবির ওয়েবসাইটে (www.nctb.gov.bd) সব স্তরের সব বই অর্থাৎ মোট ৬৪৭টি পাঠ্যপুস্তকের অনলাইন সংস্করণ গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর আপলোড করা হয়েছে। মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ ৩ ফেব্রুযারি পর্যন্ত থাকলেও সঠিক পরিকল্পনা ও যথাযথ তদারকির মাধ্যমে বর্তমানে কাজের যে অগ্রগতি হয়েছে তাতে আগামী ১৫ জানুযারির মধ্যেই মাধ্যমিক ও কারিগরি স্তরের অবশিষ্ট সব বই সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে এনসিটিবির কর্মকর্তারা।

‘শিক্ষা’ : আরও খবর

সম্প্রতি