image

ফিলিপাইনে বর্জ্যস্তূপের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু, নিখোঁজ ৩৮

বিদেশী সংবাদ মাধ্যম

ফিলিপাইনের মধ্যাঞ্চলে একটি আবর্জনা জমা করার জায়গায় পাহাড়সমান ময়লার স্তূপ ধসে পড়ে ২২ বছর বয়সী এক নারী নিহত হয়েছে এবং ৩৮ জন নিখোঁজ রয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এছাড়া সেবু সিটির বিনালিউ আবর্জনা সংরক্ষণাগারে বর্জ্যস্তূপের নিচ থেকে আহত ১২ পরিচ্ছন্নকর্মীকে উদ্ধার করা হয়েছে। এই আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্জ্যস্তূপের নিচে চাপা পড়াদের বেশিরভাগই ওই আবর্জনা সংরক্ষণাগারের কর্মী বলে ধারণা করা হচ্ছে। সেখানে কী কারণে ময়লার স্তূপ ধসে পড়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয় বলে জানিয়েছে বিবিসি।

ব্যক্তি মালিকানাধীন ওই সংরক্ষণাগারে উদ্ধার কাজ চালাতে এরই মধ্যে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩০০ কর্মীকে মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে একাধিক খননযন্ত্র, অ্যাম্বুলেন্স ও দমকলের ট্রাকও দেখা গেছে।

‘সবগুলো দল নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধান ও উদ্ধারে পূর্ণাঙ্গভাবে নিয়োজিত রয়েছে’ শুক্রবার এক ফেইসবুক পোস্টে বলেছেন সেবুর মেয়র নেস্টর আর্চিভাল। সেবু সিটির কাউন্সিল জোয়েল গারগানেরা বলেছেন, ঘটনাটি আচমকা ঘটলেও এটি মূলত বাজে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ফল।

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পাহাড় কেটে, মাটি খুঁড়ে, এরপর সেসব জঞ্জাল দিয়ে আবর্জনার আরেকটি পাহাড় বানায়, স্থানীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ফ্রিম্যানকে বলেছেন গারগানেরা। ‘এটি পরিচ্ছন্ন বর্জ্যস্থল নয়, এটি ময়লার খোলা ভাগাড়,’ বলেছেন তিনি।

সেবুর মতো ফিলিপাইনের বড় শহরগুলোতে প্রায়ই এ ধরনের আবর্জনা ফেলে রাখার জায়গা দেখা যায়। সেবু ফিলিপাইনের মধ্যাঞ্চলীয় দ্বীপগুলো নিয়ে গঠিত অঞ্চল ভিসাইয়াসের অন্যতম বাণিজ্য কেন্দ্র ও যোগাযোগ হাব।

যশোরে ৪টি গুদামে ভয়াবহ আগুন

যশোর অফিস

যশোর শহরের পুলেরহাট বাজারে তুলা, ধান, সার ও কীটনাশকের চারটি গুদামে আগুনের ঘটনা ঘটেছে। এতে একটি গুদাম সম্পূর্ণ ভস্মীভূত এবং অন্য তিনটি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে যশোর ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।

ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, আগুনের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে যশোর ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আহমেদ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন, শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তুলার গুদাম থেকেই আগুনের উৎপত্তি বলে জানান তিনি।

তুলার গোডাউনের মালিক মোহাম্মদ লিটন জানান, তার গুদামে রাখা প্রায় ৩ থেকে ৪ লাখ টাকার তুলা সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এ ছাড়া, আব্দুল আজিজ ও ইকবালের গুদামের মালামাল আংশিকভাবে পুড়ে গেছে।

এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ফায়ার সার্ভিস, সেনাবাহিনী ও পুলিশের সমন্বিত প্রচেষ্টায় আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। অন্যথায় জনবহুল বাজারের আরও বড় এলাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা ছিল।

প্রাথমিকভাবে চারটি গুদামের মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

‘আন্তর্জাতিক’ : আরও খবর

সম্প্রতি