মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইরান সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, কূটনৈতিক পথ ইরানের অগ্রাধিকার হলেও সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজন হলে কঠোর জবাব দিতে দ্বিধা করবে না তেহরান।
রাজধানী তেহরানে সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বিনষ্টের জন্য বাইরের শক্তিগুলোর উসকানি ও সামরিক চাপ দায়ী। তার ভাষায়, “ইরান যুদ্ধ চায় না, কিন্তু যুদ্ধ চাপিয়ে দিলে আমরা প্রস্তুত আছি।”
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা কেবল প্রতিরক্ষামূলক উদ্দেশ্যে গড়ে তোলা হয়েছে। তবে দেশের ভূখণ্ড, জনগণ কিংবা মিত্রদের ওপর হামলা হলে তার প্রতিক্রিয়া হবে “দ্রুত ও অনিবার্য”। তিনি সতর্ক করে বলেন, ভুল হিসাব করলে এর দায় সংশ্লিষ্ট পক্ষকেই নিতে হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের সঙ্গে ইরানের সম্পর্ক আবারও চরম উত্তেজনার দিকে এগোচ্ছে। বিশেষ করে ইরানবিরোধী নিষেধাজ্ঞা, সামরিক মহড়া এবং আঞ্চলিক সংঘাতকে কেন্দ্র করে তেহরানের উদ্বেগ বাড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যকে কূটনৈতিক বার্তার পাশাপাশি শক্ত অবস্থানের ইঙ্গিত হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
এদিকে ইরান আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছে, সংঘাত নয়—সংলাপই হতে পারে এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতার একমাত্র পথ। তবে তেহরান স্পষ্ট করেছে, আলোচনার আড়ালে কোনো ধরনের চাপ বা হুমকি মেনে নেওয়া হবে না।
তেহরান যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইরান সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, কূটনৈতিক পথ ইরানের অগ্রাধিকার হলেও সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজন হলে কঠোর জবাব দিতে দ্বিধা করবে না তেহরান।
রাজধানী তেহরানে এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বিনষ্টের জন্য বাইরের শক্তিগুলোর উসকানি ও সামরিক চাপ দায়ী। তার ভাষায়, “ইরান যুদ্ধ চায় না, কিন্তু যুদ্ধ চাপিয়ে দিলে আমরা প্রস্তুত আছি।”
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা কেবল প্রতিরক্ষামূলক উদ্দেশ্যে গড়ে তোলা হয়েছে। তবে দেশের ভূখণ্ড, জনগণ কিংবা মিত্রদের ওপর হামলা হলে তার প্রতিক্রিয়া হবে “দ্রুত ও অনিবার্য”। তিনি সতর্ক করে বলেন, ভুল হিসাব করলে এর দায় সংশ্লিষ্ট পক্ষকেই নিতে হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের সঙ্গে ইরানের সম্পর্ক আবারও চরম উত্তেজনার দিকে এগোচ্ছে। বিশেষ করে ইরানবিরোধী নিষেধাজ্ঞা, সামরিক মহড়া এবং আঞ্চলিক সংঘাতকে কেন্দ্র করে তেহরানের উদ্বেগ বাড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যকে কূটনৈতিক বার্তার পাশাপাশি শক্ত অবস্থানের ইঙ্গিত হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
এদিকে ইরান আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছে, সংঘাত নয়—সংলাপই হতে পারে এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতার একমাত্র পথ। তবে তেহরান স্পষ্ট করেছে, আলোচনার আড়ালে কোনো ধরনের চাপ বা হুমকি মেনে নেওয়া হবে না।
সারাদেশ: কলাপাড়ায় ট্রাকের চাপায় বাইকচালক নিহত