দুবাই, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ – ইরানের চলমান বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনী ও সাধারণ নাগরিকসহ প্রায় দুই হাজার মানুষ নিহত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দেশটির একজন সরকারি কর্মকর্তা এই তথ্য জানান। দুই সপ্তাহ ধরে চলা দেশব্যাপী অস্থিরতা দমনে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো কর্তৃপক্ষ এত বড় মানবক্ষতির তথ্য স্বীকার করল।
সরকারি কর্মকর্তার বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে বিক্ষোভকারী এবং নিরাপত্তা কর্মী—উভয় পক্ষের মৃত্যু হয়েছে, তবে কতজন সাধারণ মানুষ আর কতজন নিরাপত্তা কর্মী তা স্পষ্টভাবে জানানো হয়নি। কর্মকর্তার দাবি, মৃত্যুর পেছনে ‘সন্ত্রাসীরা’ দায়ী।
ইরানের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার পেছনে মূলত ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিস্থিতি দায়ী। তিন বছরের মধ্যে এটি ইরানের জন্য সবচেয়ে বড় অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জ বলে মনে করা হচ্ছে। গত বছর ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাত ও চাপের মধ্যে ইরান পরিস্থিতিকে আরও জটিল দেখছে।
১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে ক্ষমতায় থাকা ইরানের ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ বিক্ষোভ মোকাবেলায় দ্বিমুখী নীতি গ্রহণ করেছে। তারা অর্থনৈতিক কারণে হওয়া প্রতিবাদকে “বৈধ” বললেও বাস্তবে কঠোরভাবে দমন করছে। সরকার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করে দাবি করেছে, তথাকথিত ‘সন্ত্রাসীরা’ আন্দোলনকে দখল করেছে।
এর আগে মানবাধিকার সংস্থাগুলো জানিয়েছিল, শত শত মানুষ নিহত এবং হাজার হাজারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তেহরান সরকারের ইন্টারনেট ও যোগাযোগে বিধিনিষেধের কারণে সঠিক তথ্য সংগ্রহ কঠিন হয়ে পড়েছে।
গত এক সপ্তাহে বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষের ভিডিও প্রকাশ হয়েছে, যেখানে গোলাগুলি, অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতা দেখা গেছে।
অর্থ-বাণিজ্য: ২০২৫ সালে সোনালী ব্যাংকের পরিচালন মুনাফায় রেকর্ড
সংস্কৃতি: মুঠোফোনের আমদানি শুল্ক ৬০ শতাংশ কমলো
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: দেশজুড়ে ওয়াই-ফাই কলিং সেবা চালু করল বাংলালিংক