মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকির প্রেক্ষাপটে ডেনমার্ক ওই অঞ্চলে অতিরিক্ত সেনা পাঠিয়েছে। ফলে উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও উত্তেজনার দিকে এগোচ্ছে।
ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত এলাকায় অবস্থিত গ্রিনল্যান্ডে সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধির জন্য মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ৫৮ জন ডেনিশ সেনাকে সেখানে পাঠানো হয়েছে। তারা পূর্বের ৬০ জন সেনার সঙ্গে যোগ দেবেন এবং ‘অপারেশন আর্কটিক এনডিউরেন্স’ নামের বহুজাতিক সামরিক মহড়ায় অংশ নেবেন।
ট্রাম্পের প্রশাসন গ্রিনল্যান্ড নিয়ে বক্তব্যে বলপ্রয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করেননি। নরওয়ের প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানো বার্তায় ট্রাম্প বলেন, নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়ায় “শান্তিবাদী নীতি” বজায় রাখতে বাধ্য নন।
গ্রিনল্যান্ড বিক্রির বিষয়টি ডেনমার্ক স্পষ্টভাবে অস্বীকার করে বলেছে, কোনো বলপ্রয়োগের পরিস্থিতি তৈরি হলে তা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট ‘ন্যাটো’র ভবিষ্যৎকেও ঝুঁকির মুখে ফেলবে। ন্যাটোর আইন অনুযায়ী কোনো সদস্য দেশের ওপর আক্রমণ হলে সেটি পুরো জোটের ওপর আক্রমণ হিসেবেও গণ্য হবে।
এদিকে, ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। আর্কটিক অঞ্চলে নিরাপত্তা জোরদারের জন্য যৌথ ন্যাটো মিশন চালুর প্রস্তাব দেন। গ্রিনল্যান্ডের এই পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও নিরাপত্তা মহলে ব্যাপক জল্পনা তৈরি করেছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নও স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ডেনমার্কের সার্বভৌমত্বের ওপর কোনো আঘাত সহ্য করা হবে না এবং এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করলে কঠোর প্রতিক্রিয়া দেওয়া হবে। সাধারণ মানুষের মধ্যে জরিপে দেখা গেছে, গ্রিনল্যান্ডের প্রায় ৮৫% বাসিন্দাই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার পক্ষে নেই, যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অবস্থানকেও প্রভাবিত করতে পারে।
অর্থ-বাণিজ্য: চলতি অর্থবছরে রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়াবে: গভর্নর
অর্থ-বাণিজ্য: ডিএসইতে লেনদেন ৬০০ কোটি টাকা ছাড়ালো
অর্থ-বাণিজ্য: ২৬ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে অর্থ বিভাগের অনুমোদন লাগবে
সারাদেশ: সামুদ্রিক কচ্ছপ উদ্ধারের পর অবমুক্ত