মধ্যভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘হ্যারি’। এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সৃষ্ট দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় অঞ্চলটিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে সমুদ্রের উত্তাল ঢেউ এবং প্রচণ্ড বাতাসের কবলে পড়ে ইতিমধ্যে অনেক মানুষ নিখোঁজ হয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন ও উদ্ধারকারী সংস্থাগুলো নিখোঁজদের সন্ধানে অভিযান শুরু করলেও বৈরী আবহাওয়ার কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে।
তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় হ্যারির প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় জলোচ্ছ্বাস ও ভারি বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। এতে প্লাবিত হয়েছে বিস্তীর্ণ জনপদ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অসংখ্য ঘরবাড়ি ও অবকাঠামো। দুর্যোগের কবলে পড়ে অনেক স্থানে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সমুদ্রের পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপদজনক হওয়ায় মাছ ধরার নৌকা ও অন্যান্য জলযানকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে এর মধ্যেই বেশ কিছু নৌকা নিখোঁজ হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে, যার ফলে প্রাণহানির আশঙ্কা আরও বাড়ছে।
এদিকে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ দুর্গতদের সরিয়ে নিতে এবং ত্রাণ সহায়তা পৌঁছাতে কাজ করে যাচ্ছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি বর্তমানে নির্দিষ্ট গতিপথে অগ্রসর হচ্ছে এবং এর প্রভাব আরও কিছু সময় স্থায়ী হতে পারে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে কোস্টগার্ডের পাশাপাশি বিশেষ উদ্ধারকারী দল মোতায়েন করা হয়েছে।
তবে বাতাসের তীব্রতা না কমা পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান পূর্ণগতিতে চালানো সম্ভব হচ্ছে না বলে জানা গেছে।
আন্তর্জাতিক: রহস্যময় কুখ্যাত চরিত্র জেফরি এপস্টেইন
অর্থ-বাণিজ্য: স্বর্ণের ভরিতে বাড়ল ৫৪২৪ টাকা