image

অনিশ্চয়তায় রাফাহ সীমান্ত

যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে গাজায় ইসরাইলি তাণ্ডব: নিহত ১৮

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

দীর্ঘ প্রতীক্ষিত যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ফিলিস্তিনের গাজায় ফের ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। গত ২৪ ঘণ্টায় গাজাজুড়ে চালানো এই অভিযানে নারী ও শিশুসহ অন্তত ১৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। একই সঙ্গে অধিকৃত পশ্চিম তীরের জেরিকোতেও ইসরাইলি অভিযানে বেশ কয়েকজন হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

আল-জাজিরার প্রতিবেদন ও হাসপাতালের তথ্যমতে, গাজা শহরের তুফাহ এবং জেইতুন এলাকায় চালানো হামলায় ১১ জন প্রাণ হারিয়েছেন। গত অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও ইসরাইল তা মানছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রায় প্রতিদিনই উপত্যকাটির বিভিন্ন প্রান্তে হামলা অব্যাহত রেখেছে নেতানিয়াহু প্রশাসন।

প্রায় ১৮ মাস পর গত রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) পরীক্ষামূলকভাবে গাজা ও মিশরের মধ্যবর্তী গুরুত্বপূর্ণ রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং পুনরায় খুলে দেওয়া হয়। তবে সীমান্ত খুললেও ফিলিস্তিনিদের যাতায়াতে আরোপ করা হয়েছে কঠোর নিয়ন্ত্রণ।

মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত প্রায় ৫০ জন গাজায় প্রবেশের কথা থাকলেও মাত্র ১২ জন (৩ নারী ও ৯ শিশু) নিজ ভূমিতে ফিরতে পেরেছেন। বাকিরা এখনও "নিরাপত্তা ছাড়পত্রের" অপেক্ষায় আটকা পড়ে আছেন। চিকিৎসার জন্য গাজা ছাড়ার অপেক্ষায় থাকা ৫০ জনের মধ্যে মাত্র ৫ জন রোগী ও ৭ জন স্বজনকে মিশরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (পিআরসিএস) জানিয়েছে, আজ বুধবারের জন্য রাফাহ ক্রসিং দিয়ে রোগী ও আহতদের বাইরে যাওয়ার প্রক্রিয়া বাতিল করেছে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ।

জাতিসংঘের উদ্বেগ

এদিকে, জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাউন্সিলে দেওয়া এক বক্তব্যে সংস্থাটির মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার রক্ষায় জাতিসংঘের অটল অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

তিনি বলেন, গাজায় দ্রুত এবং বড় পরিসরে মানবিক ত্রাণ সহায়তা প্রবেশ নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। দীর্ঘদিন মিশরে আটকা পড়া ফিলিস্তিনিরা বাসে করে নিজ দেশে ফেরার পর বন্দিদশার ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করেছেন। তবে একদিকে ফেরার আনন্দ থাকলেও অন্যদিকে অব্যাহত বিমান হামলা ও সীমান্ত নিয়ে ইসরাইলি কড়াকড়িতে গাজায় এক চরম অস্থির অবস্থা বিরাজ করছে।

‘আন্তর্জাতিক’ : আরও খবর

সম্প্রতি