অনেক হুমকি-ধামকি আর নাটকীয় ঘটনার পর ইরানের সঙ্গে আলোচনায় বসেছে যুক্তরাষ্ট্র।
শুক্রবার, (০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬) ওমানের রাজধানী মাস্কাটে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ও মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকোফ আলোচনায় বসেন। যদিও তারা একেঅপরের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করেননি।
এই আলোচনার আগে যুক্তরাষ্ট্র শর্ত দিয়েছিল ইরানকে পরমাণু কর্মসূচি ছাড়াও ব্যালিস্টিক মিসাইল ও প্রক্সি বাহিনীকে সহায়তা নিয়ে কথা বলতে হবে। তবে ইরান এতে রাজি হয়নি।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজ জানিয়েছে, ইরানের কথা মেনে ওই দুটি বিষয় আলোচনা থেকে বাদ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ফলে শুক্রবার শুধুমাত্র পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
হারেৎজকে একটি সূত্র জানিয়েছেন, সৌদি আরব, কাতার ও ওমানের মতো আঞ্চলিক দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের শর্ত মেনে নিয়ে আলোচনায় বসতে বলে। সূত্রটি বলেছেন, শর্ত না মানলে ইরান মূলত আঞ্চলিক যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হয়ে আছে। এ কারণে মার্কিনিদের বুঝিয়ে ব্যালিস্টিক মিসাইল ও প্রক্সি বাহিনীকে সহায়তার বিষয়টি বাদ দেওয়া হয়।
সূত্রটি আরও বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো চায় না তাদের প্রতিবেশী দেশ ইরান প্রভাবশালী হোক। কিন্তু তারা একই সময় বুঝতে পারছেন যদি ইরানের ওপর এখন কোনো হামলা হয় তাহলে এটি মধ্যপ্রাচ্যের জন্য খারাপ হবে।
ইরান কঠোর ভাষায় কথা বললেও; শেষ পর্যন্ত পরমাণু কর্মসূচি থেকে সরে আসবে।
যুক্তরাষ্ট্র অবশ্য আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি তারা এই শর্ত থেকে সরে এসেছে কি না।