image

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করলেই গুনতে হবে বাড়তি শুল্ক: ট্রাম্পের নতুন হুমকি

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে এবার নতুন কৌশল নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যেসব দেশ ইরানের সঙ্গে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে বাণিজ্য চালিয়ে যাবে, তাদের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন তিনি। গতকাল শুক্রবার ট্রাম্প এই সংক্রান্ত একটি নির্বাহী আদেশে সই করেছেন।

নির্বাহী আদেশে যা আছে

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সই করা আদেশে নির্দিষ্ট কোনো শতাংশ উল্লেখ করা না হলেও উদাহরণ হিসেবে ২৫ শতাংশ বাড়তি শুল্কের কথা বলা হয়েছে। আদেশে উল্লেখ করা হয়, “যেকোনো দেশের কাছ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে এমন পণ্য আমদানি করা হলে তার ওপর অতিরিক্ত শুল্ক প্রযোজ্য হবে, যদি ওই দেশ সরাসরি বা পরোক্ষভাবে ইরান থেকে কোনো পণ্য বা সেবা কেনে বা অন্য কোনোভাবে অর্জন করে।” অর্থাৎ, এখন থেকে কোনো দেশ ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করলে ওই দেশের পণ্য মার্কিন বাজারে ঢোকার সময় বড় অঙ্কের শুল্কের মুখে পড়বে।

পরমাণু অস্ত্র নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি

নির্বাহী আদেশ নিয়ে সরাসরি মুখ না খুললেও শুক্রবার রাতে এয়ারফোর্স ওয়ানে ফ্লোরিডার মার-আ-লাগোতে যাওয়ার সময় ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ‘ইরানের জন্য কোনো পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না।’ এর মাধ্যমে তিনি আবারও স্পষ্ট করে দিলেন যে, ইরানকে পারমাণবিক কর্মসূচি থেকে দূরে রাখতে তিনি যেকোনো কঠোর পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।

মাসকাট আলোচনার মাঝেই এই হুমকি ট্রাম্পের এই কঠোর হুমকি এমন এক সময়ে এল যখন ওমানের রাজধানী মাসকাটে দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা চলছে। গতকাল ওমানের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত এই আলোচনায় উভয় পক্ষই কিছুটা ‘ইতিবাচক মনোভাব’ দেখিয়েছিল।

সপ্তাহজুড়ে বাড়তে থাকা সামরিক সংঘাতের আশঙ্কার পর এই আলোচনায় ইরানের পক্ষ থেকে যোগ দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ট্রাম্পের উপদেষ্টা স্টিভ উইটকফ এবং জামাতা জ্যারেড কুশনার। আলোচনার মাধ্যমে যখন পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হওয়ার আশা দেখা দিচ্ছিল, ঠিক তখনই ট্রাম্পের এই নতুন বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা ও শুল্কের হুমকি আলোচনার টেবিলে নতুন করে চাপ তৈরি করল।

‘আন্তর্জাতিক’ : আরও খবর

সম্প্রতি