শিগগিরই জাতিসংঘের কাছে বাকি থাকা বিলিয়ন ডলারের প্রথম কিস্তি পরিশোধ করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। সম্পতি মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ বরাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম রয়টার্স।
জাতিসংঘ কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারির শুরু পর্যন্ত এই বকেয়ার পরিমাণ ছিল প্রায় ২.১৯ বিলিয়ন ডলার। এর বাইরে শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের আরও ২.৪ বিলিয়ন ডলার এবং জাতিসংঘ ট্রাইব্যুনালের জন্য ৪৩.৬ মিলিয়ন ডলার বকেয়া রয়েছে। সে হিসেবে নিয়মিত বাজেটের ৯৫ শতাংশেরও বেশি বকেয়া যুক্তরাষ্ট্রের কাছেই পাওনা।
জাতিসংঘ কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র গত বছর নিয়মিত বাজেটে কোনও অর্থ দেয়নি। ফলে ওই বছরের জন্য তাদের বকেয়া দাঁড়িয়েছে ৮২৭ মিলিয়ন ডলার। পাশাপাশি ২০২৬ সালের জন্যও আরও ৭৬৭ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ বাকি রয়েছে।
মাইক ওয়াল্টজ বলেছেন, খুব শিগগিরই আপনারা অর্থের একটি প্রাথমিক কিস্তি দেখতে পাবেন। এটি আমাদের বার্ষিক চাঁদার একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রিম পরিশোধ হবে। মোট অঙ্ক এখনও চূড়ান্ত হয়নি, তবে বিষয়টি কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ঘটবে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস জানিয়েছিলেন, জাতিসংঘ গুরুতর অর্থনৈতিক সংকটে রয়েছে। বকেয়া চাঁদা পরিশোধ না হওয়ায় ১৯৩ সদস্যের এই সংস্থাটি ‘তাৎক্ষণিক আর্থিক ধসের’ ঝুঁকিতে পড়েছে, যার বড় অংশই যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পাওনা। এ পরিস্থিতিতে দুটি পথ খোলা রয়েছে, সব সদস্য রাষ্ট্রকে দায়িত্ব পালন করে বকেয়া চাঁদা পরিশোধ করতে হবে অথবা জাতিসংঘকে টিকিয়ে রাখতে এর আর্থিক ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনতে হবে।