থাইল্যান্ডের সাধারণ নির্বাচনে বড় জয়ের দাবি করেছেন দেশটির বর্তমান রক্ষণশীল প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল। রোববারের নির্বাচনে ভোটগ্রহণের পর প্রকাশিত প্রাথমিক ফলাফল ও বুথফেরত জরিপগুলো অনুতিনের দল ভুমজাইথাই পার্টি’র নিরঙ্কুশ জয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
নির্বাচনের পাশাপাশি এদিন দেশটির সংবিধান সংশোধনের প্রশ্নে একটি গুরুত্বপূর্ণ গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়েছে।
থাইল্যান্ডের ৫০০ আসনের পার্লামেন্টে ৪০০ জন প্রতিনিধি সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন। স্থানীয় সম্প্রচারমাধ্যম চ্যানেল ৩-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, অনুতিনের ভুমজাইথাই পার্টি প্রায় ২০০টি আসন পেয়ে একক বৃহত্তম দল হতে যাচ্ছে। গত নির্বাচনে তৃতীয় অবস্থানে থাকা এই দলের জন্য এমন জয়কে বড় ধরনের রাজনৈতিক কামব্যাক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিপরীতে, প্রগতিশীল পিপলস পার্টি ১০০টির কিছু বেশি আসন পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। আর সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার দল ফেউ থাই পার্টি নেমে গেছে তৃতীয় স্থানে।
আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণার আগেই পরাজয় মেনে নিয়েছেন পিপলস পার্টির নেতা নাথাফং রুয়েংপানইয়াউত। অন্যদিকে, জয়ের আভাস পেয়ে রাজধানী ব্যাংককে দলীয় কার্যালয়ে উল্লাসিত সমর্থকদের সামনে প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল বলেন:
"আমরা সম্ভবত নির্বাচনে প্রথম স্থান অর্জন করতে যাচ্ছি। আপনারা আমাদের ভোট দিন আর না দিন, আজকের এই জয় থাইল্যান্ডের সব মানুষের জয়।"
নির্বাচনের পাশাপাশি গতকাল ভোটাররা একটি হলুদ রঙের ব্যালট পেপারের মাধ্যমে সংবিধান সংশোধনের প্রশ্নে গণভোটে অংশ নিয়েছেন। ২০১৪ সালের সেনা অভ্যুত্থানের পর জান্তা সরকারের তৈরি করা সংবিধান সংস্কারের পক্ষে প্রায় ৬০ শতাংশ ভোট পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বুরিরামসহ দেশের বিভিন্ন প্রদেশে বয়স্ক ও তরুণ ভোটারদের মধ্যে এই গণভোট নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে।