অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের দখলদারি ও বসতি সম্প্রসারণের নতুন পদক্ষেপের সরাসরি বিরোধিতা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ট্রাম্প প্রশাসনের এই অবস্থান মধ্যপ্রাচ্য রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। হোয়াইট হাউসের ওই কর্মকর্তা জানান, পশ্চিম তীর স্থিতিশীল থাকলেই কেবল ইসরায়েল নিরাপদ থাকতে পারে। এই অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য পূরণে বর্তমান অস্থিরতা অন্তরায় হতে পারে বলে মনে করছে ওয়াশিংটন।
গত রোববার ইসরায়েলের কট্টর দক্ষিণপন্থী অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর নতুন পদক্ষেপ ঘোষণা করেন। এই পরিকল্পনার ফলে পশ্চিম তীরে ইহুদি বসতি স্থাপনের জন্য জমি দখল করা আগের চেয়ে অনেক সহজ হবে। যদিও আন্তর্জাতিক আইনে এসব বসতি সম্পূর্ণ অবৈধ।
ইসরায়েলের এই একতরফা ঘোষণার পর বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক মহলের ক্ষোভের মধ্যেই হোয়াইট হাউস জানাল, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই পদক্ষেপে একমত নন।
মিসর, ইন্দোনেশিয়া, জর্ডান, পাকিস্তান, কাতার, সৌদি আরব, তুরস্ক ও সংযুক্ত আরব আমিরাত এক যৌথ বিবৃতিতে এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তাদের মতে, এটি ফিলিস্তিনিদের ভূমি থেকে উৎখাত করার একটি অপচেষ্টা।
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এই পদক্ষেপকে অস্থিতিশীল বলে আখ্যা দিয়েছেন। তার মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক জানান, এমন সিদ্ধান্ত ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংকটের দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনাকে নস্যাৎ করে দিচ্ছে।
যুক্তরাজ্য ও স্পেনও পৃথক বিবৃতিতে ইসরায়েলি এই পরিকল্পনার কঠোর সমালোচনা করেছে।
আন্তর্জাতিক: ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে চিরতরে নস্যাৎ করতে চায় ইসরায়েল
আন্তর্জাতিক: লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি: ৫৩ অভিবাসীর সলিল সমাধি
আন্তর্জাতিক: ইসরায়েলকে কড়া বার্তা দিল হোয়াইট হাউস
নগর-মহানগর: ঢাকার বায়ু আজও অস্বাস্থ্যকর