বাংলাদেশ নির্বাচন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফল এবং বিএনপির বিশাল বিজয় এখন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রধান আলোচ্য বিষয়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অনুষ্ঠিত প্রথম এই সাধারণ নির্বাচন নিয়ে বিশ্বজুড়ে ছিল ব্যাপক আগ্রহ। নির্বাচনের ফলাফল এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির সরকার গঠনের প্রক্রিয়াকে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো “ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন” হিসেবে অভিহিত করেছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি তাদের মূল সংবাদে লিখেছে, “জেন-জি” প্রজন্মের বিপ্লবের পর অনুষ্ঠিত প্রথম এই নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ভূমিধস বিজয় অর্জন করেছে।
একইভাবে রয়টার্স তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, সাবেক শাসকের পুত্র (তারেক রহমান) এখন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে, যা বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করছে।
দ্য গার্ডিয়ান এই বিজয়কে “ঐতিহাসিক” উল্লেখ করে লিখেছে, শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর প্রথম ব্যালট বিপ্লবে জনগণ বিএনপিকে বেছে নিয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর মাঝেও এই ফলাফল নিয়ে বিশেষ তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে। এনডিটিভি তাদের প্রধান শিরোনামে উল্লেখ করেছে, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি বাংলাদেশে এক বিশাল জয়ের পথে রয়েছে, যা জামায়াতও স্বীকার করে নিয়েছে।
এএনআই ও দ্য হিন্দু তাদের প্রতিবেদনে বিএনপির এই সাফল্যকে তারেক রহমানের বিশ বছরের “রাজনৈতিক ধৈর্যের ফল” হিসেবে বর্ণনা করেছে।
প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমেও বাংলাদেশের এই নির্বাচন গুরুত্বের সাথে প্রচার করা হয়েছে। জিও নিউজ এবং ডন তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়ী হয়েছে এবং পাকিস্তান নতুন সরকারের সাথে ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রত্যাশা করছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এবং মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন জেন-জি প্রজন্মের ভূমিকা এবং নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে তাদের বিশেষ বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছে।
উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে ৫১টি দল অংশগ্রহণ করলেও আওয়ামী লীগকে প্রতিদ্বন্দ্বিতার বাইরে রাখা হয়েছিলো। এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, বিএনপি দুই শতাধিক আসনে জয়ী হয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করেছে, যা আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার নতুন সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নগর-মহানগর: গাজীপুর-৩ আসনে জয়ী বিএনপির রফিকুল ইসলাম বাচ্চু
আন্তর্জাতিক: গাজার প্রায় ৯০ শতাংশ স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত: জাতিসংঘ