image

নির্বাচনকে "গ্রহণযোগ্য ও প্রতিযোগিতামূলক" বলছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অনুষ্ঠিত হওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আন্তর্জাতিক মহলে নতুন এক আস্থার দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

শনিবার বিশ্ব ভালোবাসা দিবস ও পহেলা ফাল্গুনের বসন্তমুখর দিনে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন তাদের প্রাথমিক রিপোর্ট দেন।

মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ইভার্স ইজাবস অত্যন্ত সুনিশ্চিতভাবে ঘোষণা করেছেন, ২০২৬ সালের এই সংসদীয় নির্বাচন কেবল গ্রহণযোগ্যই ছিল না, বরং তা দক্ষতার সঙ্গে পরিচালিত হয়েছে।

ইইউ-এর মতে, এই নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা এবং আইনের শাসন পুনরুদ্ধারের পথে একটি মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হবে।

​পর্যবেক্ষক দলের প্রধান ইভার্স ইজাবস তাঁর বক্তব্যে বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, ২০০৮ সালের পর এই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে একটি সত্যিকারের প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো। একটি নতুন আইনি কাঠামোর অধীনে পরিচালিত এই নির্বাচন আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে অনেকাংশেই সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল এবং নাগরিকদের মৌলিক স্বাধীনতাকে ব্যাপকভাবে সম্মান জানানো হয়েছে।

মিশনের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে, নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত স্বাধীন ও স্বচ্ছভাবে কাজ করে স্টেকহোল্ডারদের আস্থা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। বিশেষ করে ২০২৫ সালের নির্বাচনী বিধিমালায় যে সংশোধনী আনা হয়েছিল, তা নির্বাচনের অন্তর্ভুক্তি এবং বিশ্বাসযোগ্যতাকে আরও শক্তিশালী করেছে বলে ইইউ মনে করে।

​প্রতিবেদনে বিচ্ছিন্ন কিছু স্থানীয় রাজনৈতিক সহিংসতার উল্লেখ থাকলেও ইইউ প্রতিনিধিরা মনে করেন, এর পেছনে অনলাইন কারসাজি ছিল বেশি। তবে সার্বিকভাবে সদ্য নিযুক্ত নির্বাচন কমিশন যেভাবে সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের দ্রুত জবাব দিয়েছে এবং জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট তথ্য ভাগ করে নিয়েছে, তা জনগণের আস্থা পুনর্গঠনে বড় ভূমিকা রেখেছে।

ইভার্স ইজাবস আরও জানান, অন্তর্বর্তী সরকার এবং অন্যান্য রাজনৈতিক পক্ষগুলো কমিশনকে পূর্ণ সমর্থন দেওয়ায় স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করা সম্ভব হয়েছে। তবে প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি আরও বাড়ানোর জন্য ভবিষ্যতে আরও কিছু আইনি সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথাও তারা মনে করিয়ে দেন।

বসন্তের এই দিনে ইইউ-এর এই ইতিবাচক স্বীকৃতি নতুন সরকারের আগমনের আগে বাংলাদেশের জন্য এক বড় ধরনের কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক জয় হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

‘আন্তর্জাতিক’ : আরও খবর

» নির্বাচনকে "গ্রহণযোগ্য ও প্রতিযোগিতামূলক" বলছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন

» নির্বাচনকে "গ্রহণযোগ্য ও প্রতিযোগিতামূলক" বলছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন

» নির্বাচনকে "গ্রহণযোগ্য ও প্রতিযোগিতামূলক" বলছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন

সম্প্রতি