যুক্তরাষ্ট্র যদি কোনো ধরনের সামরিক হামলা চালায়, তবে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা সমস্ত মার্কিন ঘাঁটি ও সম্পদকে বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান।
জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাইদ ইরাভানি সম্প্রতি জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবং নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এই সতর্কবার্তা জানান।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ইরান যদি নতুন কোনো চুক্তিতে না আসে, তবে প্রয়োজনে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এমনকি এ কাজে যুক্তরাজ্যের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হয়নি।
ইরান বলছে, ট্রাম্পের এমন বক্তব্য সামরিক আগ্রাসনের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে, যা পুরো অঞ্চলের জন্য ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে এবং আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য তা এক গুরুতর হুমকি।
চিঠিতে রাষ্ট্রদূত ইরাভানি স্পষ্ট করেছেন যে: ইরান এখনও আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নিজেদের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যেকোনো অস্পষ্টতা দূর করতে তেহরান প্রস্তুত। তবে যদি আক্রমণ করা হয়, তবে আত্মরক্ষার অংশ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সব স্থাপনা ও সম্পদের ওপর পাল্টা হামলা চালানো হবে।
উল্লেখ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ইরানকে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য মাত্র ১৫ দিন সময় বেঁধে দিয়েছেন। তিনি সাফ জানিয়েছেন, এই সময়ের মধ্যে সমঝোতা না হলে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে।
প্রেসিডেন্টের এই চরমপত্রের পরই ইরান পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে জাতিসংঘকে চিঠি পাঠালো, যা মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
অপরাধ ও দুর্নীতি: সড়কে পরিবহনের চাঁদা আসে জনগণের পকেট থেকে
অর্থ-বাণিজ্য: ‘দাম কমান, আমরা হস্তা দামে পণ্য কিনমু’
জাতীয়: কেন বেড়েছিল মব ভায়োলেন্স
আন্তর্জাতিক: গাজায় সামরিক ঘাঁটি করার পরিকল্পনা ট্রাম্পের
অপরাধ ও দুর্নীতি: চাঁদাবাজি না সমঝোতা, আইনের চোখে বিতর্কটা কোথায়