পাকিস্তানে ইরানপন্থীদের বিক্ষোভে পুলিশের সাথে সংঘর্ষে পাকিস্তানে অন্তত ১৭ জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় গতকাল রোববার (১ মার্চ) দেশটির বিভিন্ন শহরে এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এমনটাই জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা এএফপি।
জানা যায, করাচিতে শত শত বিক্ষোভকারী মার্কিন কনস্যুলেটে প্রবেশের চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হয়। স্থানীয় সময় গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত সেখানে অন্তত ১০ জন নিহত হন এবং ৭০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, পাকিস্তানের উত্তরের শহর গিলগিটে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত ৭ জন নিহত হয়েছেন।
দেখা যায়, রাজধানী ইসলামাবাদে কয়েক হাজার মানুষ খামেনির ছবি হাতে রাস্তায় নামেন। মার্কিন দূতাবাসের কাছে জড়ো হওয়া ভিড় সরাতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। স্কারদু শহরে বিক্ষোভকারীরা জাতিসংঘের একটি কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ করেন। লাহোরেও হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন।
পরিস্থিতি বিবেচনায় যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য পাকিস্তানে অবস্থানরত নাগরিকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মুসলিমপ্রধান দেশগুলোর সরকারও সব পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। অনেক ধর্মীয় ও রাজনৈতিক দল খামেনিকে ‘শহীদ’ হিসেবে অভিহিত করেছে।
এদিকে, দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ খামেনিকে হত্যার ঘটনাকে আন্তর্জাতিক আইনের ‘লঙ্ঘন’ বলে অভিহিত করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি লিখেছেন, ‘রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধানকে লক্ষ্যবস্তু না করা একটি দীর্ঘকালীন প্রথা। খামেনির শাহাদাতে পাকিস্তানের জনগণ ইরানের শোকাতুর মানুষের পাশে আছে।’
আন্তর্জাতিক: পাকিস্তানে ইরানপন্থীদের বিক্ষোভে নিহত ১৭
অর্থ-বাণিজ্য: ইরান সংঘাতে তেলের দাম এক লাফে ১০% বাড়লো
আন্তর্জাতিক: খামেনি হত্যাকাণ্ডে কী বললেন পুতিন
সারাদেশ: সাটুরিয়ায় ৪০ খামারির মাঝে ভেড়া বিতরণ