যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা
স্থানীয় সময় গত শনিবার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিা প্রাসাদকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইসরায়েলি ও মার্কিন সেনারা। তারপর রাতের দিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু প্রথমে খামেনি নিহত হয়েছেন বলে জানান। পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও, খামেনির নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেন। পরবর্তীতে দেশটির সরকারি এবং বেসরকারি সংবাদ মাধ্যমগুলো খামেনি নিহত হওয়ার ঘটনাটি নিশ্চিত করেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাবি, ইরানে হামলায় দেশটি শীর্ষ পর্যায়ের ৪৮ জন নেতা নিহত হয়েছেন। জানা যায়, হামলায় খামেনি ছাড়াও তাঁর মেয়ে, জামাতা ও নাতি নিহত হয়েছেন। এছাড়া ইরানের নিহত শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন খামেনির নিরাপত্তা উপদেষ্টা আলী শামখানি, সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান জেনারেল আবদুল রহিম মৌসাভি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ ও বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) প্রধান মোহাম্মদ পাকপুর। অসমর্থিত সূত্রে বরাত দিয়ে কোনো কোনো সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, হামলায় ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমেদিনেজাদ নিহত হয়েছেন। এদিকে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, এ হামলায় ইরানের শীর্ষস্থানীয় আরও কয়েকজন কর্মকর্তার প্রাণহানি হয়েছে ।
হামলায় সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যু ইরানের জন্য বড় একটি আঘাত। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় মধ্যপ্রাচ্যে ইরান–সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে ধীরে ধীরে দুর্বল করে দিয়েছে ইসরায়েল। ইরানের অনেক শীর্ষ কর্মকর্তাও এ সময় ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছেন। সর্বশেষ গত বছর ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সময় ইরানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। তেহরানের অর্থনীতিও বর্তমানে নড়বড়ে। ইরানে এমন এক অশান্ত পরিস্থিতির মধ্যে দেশটিতে হামলা শুরু করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক: ইরানের যেসব শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন
আন্তর্জাতিক: পাকিস্তানে ইরানপন্থীদের বিক্ষোভে নিহত ১৭
অর্থ-বাণিজ্য: ইরান সংঘাতে তেলের দাম এক লাফে ১০% বাড়লো
আন্তর্জাতিক: খামেনি হত্যাকাণ্ডে কী বললেন পুতিন