ইসরায়েল বুধবার, (০৪ মার্চ ২০২৬) ভোরে ইরানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ইরানের ভেতরে প্রায় দুই হাজার লক্ষ্যবস্তুতে তারা আঘাত হেনেছে। এর জবাবে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা বিস্তৃত করেছে।
৫ দিনে ইরানে নিহত ১ হাজার ৪৫ জন
পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতাকেও হত্যার হুমকি
২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা
ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের ৫ দিনের চলমান যুদ্ধে মানুষ নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৪৫ জনে দাঁড়িয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ খবর জানিয়েছ। হামলা গোটা অঞ্চলজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। উপসাগরীয় দেশগুলোর মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরানের লাগাতার হামলা চলার মধ্যে এবার তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের নিশানা হলো তুরস্কও।
বুধবার সিরিয়া, ইরাক পার হয়ে তুরস্কের আকাশসীমার দিকে যাচ্ছিল একটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র। তবে তুরস্কের আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই সেটিকে ধ্বংস করে দেয় ন্যাটো আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে। তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘ইরান থেকে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ইরাক এবং সিরিয়ার আকাশসীমা পেরোতে এবং তুরস্কের আকাশসীমার দিকে যেতে দেখা যায়।
বুধবার রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসে হামলার পর ওই দূতাবাসসহ কুয়েত ও লেবাননের দূতাবাস অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে মধ্যপ্রাচ্যের ১৪টি দেশ ও অঞ্চল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের সরে যেতে বলেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। তবে যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যের যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার পর কীভাবে তারা সরে যাবেন, তা উল্লেখ করা হয়নি।
চলমান যুদ্ধের মধ্যে বুধবারও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এমন পরিস্থিতে হরমুজ প্রণালি দিয়ে কোনো জাহাজ চলাচল করলে ‘জ্বালিয়ে’ দেয়ার হুমকি দিয়েছে ইরান। লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সঙ্গে ইসরায়েলের যুদ্ধও তীব্র হয়েছে। ইসরায়েলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১১।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানায়, মধ্যরাতের পর ইরানজুড়ে তারা বিস্তৃত হামলা চালিয়ে যায়। এর আগে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ইরান ইসরাইলের দিকে তিন দফা ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার বলেন, শনিবার (গত) ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে হামলা শুরুর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র প্রায় দুই হাজার লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।
ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘এই বাহিনী বিপুল আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ নিয়ে এসেছে। এক প্রজন্মের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে এটিই যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক সমাবেশ।’ তিনি দাবি করেন, প্রথম দিনের হামলা ২০০৩ সালে সাদ্দাম হোসেনের ইরাকে চালানো তথাকথিত ‘শক অ্যান্ড অ’ অভিযানের চেয়েও বড় ছিল।
ইরান প্রতিশোধে বড় মূল্য আদায়ের অঙ্গীকার করেছে। দুবাইয়ে মার্কিন কনস্যুলেটের পাশের এলাকায় ড্রোন হামলায় আগুন লাগে, তবে হতাহতের কোনো খবর জানা যায়নি। কাতারের আল-উদেইদে মার্কিন ঘাঁটিতেও হামলা হয়। এর একদিন আগে রিয়াদ ও কুয়েত সিটিতে মার্কিন দূতাবাস ও বাহরাইনে একটি মার্কিন বিমানঘাঁটিতে হামলা হয়েছিল।
ইসলামী বিপ্লবী গার্ডের জেনারেল ইব্রাহিম জব্বারি বলেন, ‘শত্রু যদি আমাদের প্রধান কেন্দ্রগুলোয় আঘাত হানে, আমরা অঞ্চলের সব অর্থনৈতিক কেন্দ্রে আঘাত করবো।’
গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা শুরু করে। দুদিন আগে জেনেভায় পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে মার্কিন দূতদের সঙ্গে ইরানের আলোচনা চলছিল। হামলার পরপরই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন।
ট্রাম্প বলেন, ইরান আবার আলোচনায় ফিরতে চায়, তবে এখন ‘অনেক দেরি হয়ে গেছে।’ তিনি দাবি করেন, ইরানের নৌ, বিমান ও আকাশ নজরদারি ব্যবস্থাসহ প্রায় সবকিছুই ধ্বংস করা হয়েছে। সম্ভাব্য উত্তরসূরি নেতারাও নিহত হয়েছেন বলে জানান তিনি।
ট্রাম্প বলেন, ‘যাদের আমরা লক্ষ্যবস্তু করেছিলাম, তাদের বেশিরভাগই মৃত। এখন আরেকটি দল আছে। প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তারাও হয়তো মৃত।’
ইরানি গণমাধ্যম জানায়, গত মঙ্গলবার পবিত্র নগরী কোমে নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটির একটি ভবনে হামলা হয়েছে। তাসনিম বার্তা সংস্থা জানায়, এর আগের দিন তেহরানে সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়েও হামলা হয়েছিল।
ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানিদের সরকারবিরোধী আন্দোলনে উঠে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তবে ট্রাম্প বলেন, শাসন পরিবর্তন এ অভিযানের লক্ষ্য নয়।
আঞ্চলিক এ যুদ্ধে লেবাননেও সহিংসতা বেড়েছে। তেহরানের দীর্ঘদিনের মিত্র সশস্ত্র শিয়া সংগঠন হিজবুল্লাহ খামেনির হত্যার প্রতিশোধে ইসরায়েলের দিকে ড্রোন ও রকেট ছুড়েছে। হিজবুল্লাহ জানায়, তারা উত্তরাঞ্চলীয় শহর হাইফায় ইসরাইলি নৌঘাঁটি লক্ষ্যবস্তু করেছে। ইসরায়েল জানায়, তারা বৈরুতের দক্ষিণের শিয়া অধ্যুষিত এলাকায় হামলা চালিয়েছে। বুধবার ভোরে জোরালো বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।
লেবানন সরকার জানিয়েছে, ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৫২ জন নিহত হয়েছেন। জাতিসংঘ বলেছে, ৩০ সহস্রাধিক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ইসরায়েলি বাহিনী জানায়, তেহরানের পূর্ব উপকণ্ঠে একটি ভূ-গর্ভস্থ স্থাপনায় হামলা হয়েছে। তাদের দাবি, সেখানে গোপনে পারমাণবিক কর্মসূচিতে বিজ্ঞানীরা কাজ করছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্র অঞ্চলজুড়ে দূতাবাসগুলো থেকে জরুরি নয় এমন কর্মীদের সরিয়ে নিতে নির্দেশ দিয়েছে। ওয়াশিংটন পোস্ট জানায়, রিয়াদে ইরানি ড্রোন হামলায় সিআইএ স্টেশন লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।
কাতার জানিয়েছে, দোহায় হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র তারা ভূপাতিত করেছে। ওমান জানিয়েছে, দুকম বন্দরে একাধিক ড্রোন হামলা হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভূপাতিত একটি ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে তেল সংরক্ষণ ও বাণিজ্যিক এলাকায় আগুন লাগে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। তেহরানে যারা শহর ছাড়েননি, তারা মার্কিন-ইসরায়েলি বোমাবর্ষণের ভয়ে ঘরে অবস্থান করছেন। তেহরানের অভিজাত উত্তরাঞ্চলে যানজটের কোলাহলের বদলে শোনা যাচ্ছে শুধু বিড়ালের ডাক ও পাখির কলকাকলি।
সামরিক অবকাঠামো ‘সম্পূর্ণ ধ্বংসের’ হুমকি ইরানের
পুরো মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ করে দেয়ার হুমকি দিয়েছে ইরানের অভিজাত আধা সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিবৃতিতে এই হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে। আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত অপতৎপরতা এবং প্রতারণার চড়া মূল্য দিতে হবে। এর পরিণামে এই অঞ্চলের সব সামরিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাবে।’
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান তীব্র উত্তেজনা এবং পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যে ইরানের পক্ষ থেকে আসা এই হুমকিকে এ পর্যন্ত দেয়া সবচেয়ে ভয়াবহ হুঁশিয়ারি হিসেবে মনে করা হচ্ছে। এই হুমকির ফলে পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা ও অর্থনীতি গভীর সংকটের মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।
পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতাকেও হত্যার হুমকি ইসরায়েলের
ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে যাকে মনোনীত করা হবে, তাকে ‘হত্যার টার্গেট’ করার হুমকি দিয়েছে ইসরায়েল। বুধবার ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ এই হুমকি দেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ এক বার্তায় কাৎজ লিখেছেন, ইসরায়েল ধ্বংসের পরিকল্পনা অব্যাহত রাখতে, যুক্তরাষ্ট্র ও মুক্ত বিশ্বের দেশগুলোকে হুমকি দিতে এবং ইরানি জনগণকে দমন করতে এই ‘সন্ত্রাসী শাসকগোষ্ঠী’ যাকেই নিয়োগ দিক না কেন, তিনিই আমাদের হত্যার টার্গেট হবেন।
গত শনিবার এক হামলায় ইরানের ৮৬ বছর বয়সী সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যা করে ইসরায়েল। এই হামলার মধ্য দিয়ে চলমান যুদ্ধের সূচনা হয়।
ইসরায়েলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
ইসরায়েল লক্ষ্য করে দ্বিতীয় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। বুধবার ভোরে দেশটির সামরিক বাহিনী এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, প্রথম দফার হামলার দুই ঘণ্টা পার হওয়ার আগেই ইরান দ্বিতীয় দফায় এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করে। এসব ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার আগেই তা প্রতিহত করতে কাজ করছে ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। দ্বিতীয় দফার এই হামলার ফলে ওই অঞ্চলে নতুন করে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা
ইরানের বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) দাবি, যুদ্ধ শুরুর পর তারা মধ্যপ্রাচ্যের ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। এরমধ্যে গত সোমবার পর্যন্ত বাহরাইন, ইরাক ও আরব আমিরাতে মার্কিন বাহিনীর তিনটি স্থাপনা এবং কুয়েতে তিনটি স্থাপনায় ইরানের হামলা আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস। গতকাল মঙ্গলবার কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্রের আরিফজান ঘাঁটিতে এবং আমিরাতে মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলা হয়েছে।
এসব ঘাঁটিতে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা জানায়নি যুক্তরাষ্ট্র। তবে যুদ্ধ চলাকালে কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের ছয় সেনা নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। এছাড়া কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। আরব সাগরে অবস্থান করা মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনেও হামলার দাবি করেছে আইআরজিসি।
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে দুটি ড্রোন আঘাত হানে বুধবার সকালে। এ সময় সেখানে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। এর পরপরই দূতাবাস ভবনে আগুন ধরে যায়। সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ড্রোনের আঘাতে দূতাবাসে সামান্য ক্ষতি হয়েছে।
রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি ইরানের
উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস করে দেয়ার দাবি করা হয়েছে ইরানের কয়েকটি গণমাধ্যমের খবরে। বলা হয়েছে, কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় রেডার ‘এএন/এফপিএস-১৩২’ ব্যবস্থা ধ্বংস করা হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্রের নিখুঁত হামলায় ১১০ কোটি ডলার মূল্যের এই বিশাল রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস হয়েছে।
ওই অঞ্চলে আকাশসীমায় কোনো ক্ষেপণাস্ত্র ঢুকলেই সেটিকে চিহ্নিত করে সতর্ক করে দিত এই রাডার ব্যবস্থা। ফলে উপসাগরীয় অঞ্চল এই ব্যবস্থার কারণে অনেকটাই সুরক্ষিত ছিল।
কাতারের কয়েকজন কর্মকর্তারাও এই রাডারের ক্ষতির কথা স্বীকার করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে খবরে। এই রেডারটি মূলত ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কার্যক্রমের ওপর নজরদারি করার জন্য ২০১৩ সালে স্থাপন করা হয়েছিল।
ইরানের প্রেসিডেন্টের দপ্তরে হামলা
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার পর এবার প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেকশিয়ানকে নিশানা করছে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র বাহিনী। ইসরায়েলের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তাদের বিমান বাহিনী ইরানের রাজধানী তেহরানে প্রেসিডেন্টের দপ্তরে হামলা চালিয়েছে। টেলিগ্রামে এক বিবৃতিতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষাবাহিনী আইডিএফ বলেছে, প্রেসিডেন্টের কার্যালয় এবং সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল ভবনে দফায় দফায় বোমা ফেলা হয়েছে। বোমা আঘাত হেনেছে একটি সামরিক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান এবং ইরানের শাসকগোষ্ঠীর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কম্পাউন্ডে। খামেনিও এই কম্পাউন্ড ব্যবহার করেছিলেন।