ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান আজ সপ্তম দিনে গড়িয়েছে। গত ৭২ ঘণ্টায় ইরানের অন্তত ২০০টি স্থানে নজিরবিহীন হামলা চালিয়েছে ওয়াশিংটন ও তেল আবিব। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদনে এই ভয়াবহ পরিস্থিতির চিত্র উঠে এসেছে।
হামলায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর অত্যাধুনিক বি-টু (B-2) স্টিলথ বোমারু বিমান ব্যবহার করা হচ্ছে। এসব বিমান থেকে ডজনখানেক বাঙ্কার বাস্টার বোমা নিক্ষেপ করা হয়েছে, যা মাটির গভীর স্তরে আঘাত হানতে সক্ষম।
হামলায় ইরানের অন্তত ৩০টি নৌযান এবং অসংখ্য ভূগর্ভস্থ ব্যালিস্টিক মিসাইল লঞ্চার ধ্বংস হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
রাজধানী তেহরানের ওপর দিয়ে মুহুর্মুহু বিমান হামলা চালানো হচ্ছে। লক্ষ্যবস্তু থেকে বাদ পড়েনি বেসামরিক স্থাপনাও। তেহরানের বিখ্যাত আজাদি স্পোর্টস কমপ্লেক্সে বিমান হামলায় স্টেডিয়ামটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ইরানের এলিট ফোর্স রেভ্যলুশনারি গার্ডের (আইআরজিসি) একাধিক কমান্ড-কন্ট্রোল সেন্টার ও সামরিক ঘাঁটিতে বি-ফিফটি টু (B-52) বোমারু বিমান দিয়ে ভারী বর্ষণ করা হয়েছে। সামরিক হ্যাঙ্গার ও আকাশযানগুলো ছিল এই হামলার প্রধান টার্গেট। তেহরান ছাড়াও সানান্দাজসহ দেশের একাধিক বড় শহরে একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যাচ্ছে।
সাত দিনব্যাপী চলমান এই যুদ্ধে ইরানে এখন পর্যন্ত অন্তত ১,২৩০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। যুদ্ধের ভয়াবহতা থেকে বাঁচতে শুধুমাত্র রাজধানী তেহরান ছেড়েই পালিয়েছেন এক লাখের বেশি বাসিন্দা। অন্যান্য শহরগুলোতেও মানুষের মাঝে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
জাতীয়: ডিএমপির ৭ এডিসি পদে বড় রদবদল
অপরাধ ও দুর্নীতি: সাবেক সচিব খায়রুলের বিরুদ্ধে ৪০ কোটি টাকার মানিলন্ডারিং মামলা
আন্তর্জাতিক: নেপালে নির্বাচনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন, ফলাফলের অপেক্ষা
অর্থ-বাণিজ্য: তেলের দাম ছাড়াতে পারে ১৫০ ডলার, বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা