image

উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের পাল্টা হামলা

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে রণংদেহী মূর্তিতে আবির্ভূত হয়েছে ইরান। যুদ্ধের সপ্তম দিনে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন মিত্র দেশগুলোতে নজিরবিহীন পাল্টা হামলা চালিয়েছে তেহরান। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা ও মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

ইরানের এলিট ফোর্স রেভ্যলুশনারি গার্ড (আইআরজিসি) কাতার, কুয়েত, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতকে লক্ষ্য করে ঝাঁকে ঝাঁকে ড্রোন ও মিসাইল ছুড়েছে।

আমিরাতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে প্রায় দেড়শ ড্রোন ও মিসাইল ছোড়া হয়েছে। শুধুমাত্র কাতারের লক্ষ্যবস্তুগুলোতে ১৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ৪টি ড্রোন আঘাত হেনেছে। কুয়েত অভিমুখে আসা বেশ কিছু মিসাইল দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে ভূপাতিত করা হয়েছে।

বাহরাইনের প্রধান জ্বালানি তেল শোধনাগারে একটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি আঘাত হেনেছে। এতে স্থাপনাটিতে ভয়াবহ আগুন ধরে যায় এবং বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া রাজধানী মানামায় দুটি হোটেল ও একটি আবাসিক ভবন লক্ষ্য করে হামলা চালানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

আইআরজিসি জানিয়েছে, মার্কিন সাবমেরিনের হামলায় নিহত ইরানি নৌসেনাদের স্মরণে এই প্রতিশোধমূলক হামলা চালানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) রাত থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ২০ দফায় ইসরায়েলি ও মার্কিন স্থাপনায় মিসাইল ছুড়েছে তারা। ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিবের পূর্বে বারেকেত এলাকায় বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। শহরের একাধিক স্থানে বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে। মধ্য ইসরায়েলের বেশ কিছু বাসভবন ক্ষতিগ্রস্ত ও অগ্নিদগ্ধ হয়েছে। জেরুজালেম ও পশ্চিম তীরজুড়ে সতর্কতামূলক সাইরেন বাজছে।

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী দাবি করেছে, তারা ইরানের ছোড়া বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ক্রমশ বাড়ছে। অন্যদিকে, ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে—তাদের ওপর হামলা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এই পাল্টা আক্রমণ অব্যাহত থাকবে।

‘আন্তর্জাতিক’ : আরও খবর

সম্প্রতি