ইউক্রেনজুড়ে রাশিয়ার নতুন করে চালানো ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় দুই শিশুসহ অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন। গত শুক্রবার থেকে শনিবার পর্যন্ত চালানো এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও এক ডজনেরও বেশি মানুষ।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, ইউক্রেনের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভে রাশিয়ার একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পাঁচ তলা আবাসিক ভবনের ওপর আঘাত হানে। এতে ভবনটি পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয় এবং ১০ জন প্রাণ হারান। নিহতদের মধ্যে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরী এবং ৯ বছরের এক কিশোর রয়েছে। উদ্ধারকর্মীরা এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধারে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, রুশ বাহিনী রাতভর ২৯টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৪৮০টি ড্রোন ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে। তাদের মূল লক্ষ্য ছিল ইউক্রেনের জ্বালানি খাত এবং রেলওয়ে অবকাঠামো। তবে এই হামলায় বেসামরিক এলাকা ও বহুতল ভবনগুলোও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
হামলার ভয়াবহতা জানিয়ে জেলেনস্কি ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) আটকে থাকা ৯০ বিলিয়ন ইউরোর সহায়তা প্যাকেজ দ্রুত ছাড় করার ওপর জোর দেন। উল্লেখ্য, হাঙ্গেরির আপত্তির কারণে বর্তমানে এই বিশাল অর্থ সহায়তা আটকে আছে, যা ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা ও অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত জরুরি।
এদিকে মস্কো এই অভিযানকে ব্যাপক হামলা হিসেবে অভিহিত করে জানিয়েছে, তারা শুধুমাত্র ইউক্রেনের সামরিক ও জ্বালানি স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। বেসামরিক এলাকায় হামলার অভিযোগ বরাবরের মতো অস্বীকার করেছে রাশিয়া। অন্যদিকে, রাশিয়ার নিযুক্ত খেরসন অঞ্চলের কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় সেখানে একজন নিহত এবং চারজন আহত হয়েছেন।
অর্থ-বাণিজ্য: আজ থেকে নতুন পদ্ধতিতে জ্বালানি বিক্রি শুরু
অর্থ-বাণিজ্য: পাম্পে পাম্পে ঝুলছে ‘তেল নেই’ পোস্টার
আন্তর্জাতিক: রুশ হামলায় ইউক্রেনে নিহত ১২
অর্থ-বাণিজ্য: জ্বালানি নিয়ে উদ্বেগ ও আশ্বস্ত হওয়ার কারণ কী কী
অর্থ-বাণিজ্য: জ্বালানি নিয়ে অস্থিরতা থাকলেও দেশে মজুদ নিরাপদ