image

‘রেসপন্সিবল আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ফর বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত

তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিবেদক

‘রেসপন্সিবল আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ফর বাংলাদেশ: পলিসি অ্যান্ড ডিজাইন চ্যালেঞ্জেস’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির সম্ভাব্য ক্ষতিকর দিক থেকে দেশকে সুরক্ষিত রাখতে এবং এর কার্যকর ও দায়িত্বশীল প্রয়োগ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশে নিজস্ব এআই মডেল ও অবকাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বক্তারা। এজন্য উপযুক্ত নীতিমালা প্রণয়ন এবং শিক্ষার প্রাথমিক স্তর থেকেই এআই নৈতিকতা অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজনীয়তার কথা উঠে আসে।

গত ৫ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজি (আইআইটি) এবং দি ডাটা ব্যাংকের আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের প্রফেসর আনওয়ারুল আজিম চৌধুরী লেকচার গ্যালারিতে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন আইআইটি’র পরিচালক প্রফেসর ড. বি এম মইনুল হোসেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ইশতিয়াক আহমেদ এবং ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয় আরবানা-শ্যাম্পেইনের সহকারী অধ্যাপক ড. শরিফা সুলতানা। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ইউনেস্কোর এআই এক্সপার্টস উইদাউট বর্ডারস-এর সদস্য ড. জুলকারাইন জাহাঙ্গীর এবং অগমেডিক্স বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর রাশেদ মুজিব নোমান।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের মতো সীমিত-সম্পদের দেশের জন্য বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে এআই অবকাঠামো পরিকল্পনা করা জরুরি। এআই অবকাঠামো নির্মাণের আগে একটি সুস্পষ্ট ও বাস্তবসম্মত এআই নীতিমালা প্রয়োজন। একই সঙ্গে শিক্ষাব্যবস্থায় এআই সংক্রান্ত নৈতিকতা অন্তর্ভুক্ত না করলে ভবিষ্যতে এর নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলা কঠিন হবে। দেশে নিজস্ব এআই অবকাঠামো গড়ে তুলতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো লোকাল ডেটা। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, প্রয়োজনীয় এই লোকাল ডেটার ঘাটতি বাংলাদেশে প্রকট।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা, মোবাইল ফোন অপারেটর প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনার পাশাপাশি আইআইটির শিক্ষার্থী রুপালী তাসনিম সামাদ ও মেহেজাবীন হক এ বিষয়ে একটি গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন।

‘বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি’ : আরও খবর

সম্প্রতি