স্মার্টফোন দুনিয়ায় ঝড় তুলেছে ভিভোর নতুন ফ্ল্যাগশিপ ‘এক্স৩০০ প্রো’। ডিভাইসটির বিস্তারিত নিয়ে আমরা এখানে আলোচনা করবো।
প্রফেশনাল ফটোগ্রাফি: স্মার্টফোনটির ২০০ মেগাপিক্সেল জাইস এপিও টেলিফটো লেন্স এবং এলওয়াইটি-৮২৮ সেন্সরসহ ৫০ মেগাপিক্সেল জাইস গিম্বেল গ্রেড ক্যামেরা, সিআইপিএ ৫.৫ স্টেবিলাইজেশনের মাধ্যমে সর্বোচ্চ জুমেও দেয় স্থির ও স্পষ্ট ছবি। ফ্রন্ট ও ব্যাকে ৫০ মেগাপিক্সেল জাইস আল্ট্রা ওয়াইড ক্যামেরা ছবিতে দেয় নিখুঁত ডিটেইল। আরও আছে স্টেজ মোড ২.০, ৪কে রেকর্ডিং, মোশন ফ্রিজ ও ডুয়াল-ভিউ ভিডিও। ১২০ এফপিএস ডলবি ভিশন এবং বিউটি এফেক্টসহ পোর্ট্রেট ভিডিওর সুবিধা থাকায় ভিডিওমেকিং হয় ঝামেলাহীন ও প্রফেশনাল।
প্রো ইমেজিং এর জন্য ডেডিকেটেড চিপ: এর ডেডিকেটেড ইমেজিং ভিএস১ চিপ ও অ্যাডাপ্টিভ জুম ফ্ল্যাশ ছবিকে আরও ন্যাচারাল ও প্রাণবন্ত করে। লো-লাইট ও নাইট ফটোগ্রাফিতে নয়েজ কমিয়ে পরিষ্কার ডিটেইলড শট দেয়, আর উন্নত রিয়েল-টাইম প্রসেসিং পোর্ট্রেট ও টেলিফটোতে সঠিক ডেপথ ও কালার নিশ্চিত করে। সঙ্গে ২.৩৫এক্স টেলিফটো এক্সটেন্ডার কিট ব্যবহার করে পাওয়া যায় আরও প্রফেশনাল রেজাল্ট।
অরিজিন ওএস ৬: নতুন অরিজিন ওএস ৬-এর সাবলীল অ্যাপ সুইচিং ও অ্যানিমেশন স্মার্টফোনটির ব্যবহারকে সহজ করে। অফিস কিট, ওয়ার্কস্পেস ও নোটস সিঙ্কের পাশাপাশি স্ক্রিন শেয়ার, ফাইল ড্র?্যাগ ও ফ্রি ট্রান্সফারের মতো ফিচারগুলো কাজের প্রোডাক্টিভিটি বাড়ায়।
পাওয়ারফুল ডাইমেনসিটি ৯৫০০: ভিভো এক্স৩০০ প্রো-তে আছে ভিভো ও মিডিয়াটেকের তৈরি ডাইমেনসিটি ৯৫০০ প্রসেসর ও ভিথ্রি+ চিপ, যা প্রো-গ্রেড ইমেজিং ও ল্যাগহীন পারফরম্যান্স দেয়। ৬৫১০ এমএএইচ ব্যাটারি, ৯০ ওয়াট ফ্ল্যাশচার্জ ও ৪০ ওয়াট ওয়্যারলেস চার্জ সারাদিন নির্বিঘ্ন ব্যাকআপ নিশ্চিত করে।
এলিগ্যান্ট ডিজাইন ও ডিসপ্লে: ডিউন ব্রাউন ও ফ্যান্টম ব্ল্যাক রঙের ফোনটিতে রয়েছে ৬.৭৮ ইঞ্চির ফ্ল্যাট স্ক্রিন ও ৭.৯৯ মিমি স্লিম ইউনিবডি। থ্রিডি কোরাল ভেলভেট গ্লাস ও আলট্রা-থিন বেজেল একে দেয় প্রিমিয়াম লুক।
অল-ওয়েদার প্রোটেকশন: আইপি৬৮ ও আইপি৬৯ রেটিং ফোনটিকে পানি ও ধুলাবালি থেকে সুরক্ষিত রাখে। আর্মার গ্লাস ও থ্রিডি আলট্রাসোনিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট ভেজা আঙুলেও দ্রুত আনলক নিশ্চিত করে।
সব মিলিয়ে, ভিভো এক্স৩০০ প্রো ক্যামেরা, পারফরম্যান্স ও প্রিমিয়াম ডিজাইনে দিচ্ছে পূর্ণাঙ্গ ফ্ল্যাগশিপ অভিজ্ঞতা।