image

১০ লক্ষ নাগরিককে ‘এআই-নেটিভ’ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করছে ‘মিলিয়নএক্স বাংলাদেশ’

তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিবেদক

বিশ্বজুড়ে শুরু হওয়া বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক অর্থনীতির (ইন্টেলিজেন্ট ইকোনমি) চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এবং বাংলাদেশের জনশক্তিকে ১০ গুণ অধিক দক্ষ করে তোলার লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করছে অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ‘মিলিয়নএক্স বাংলাদেশ’। আগামী ১৭ জানুয়ারি ঢাকার ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকে ‘জেনেসিস এআই কনফারেন্স’ এর মাধ্যমে এই উদ্যোগের আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু হবে।

বিগত দুই দশকে উন্নয়নের মাপকাঠি ইন্টারনেট ও ডিভাইসের প্রাপ্যতা হলেও, আগামী দশকের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সঠিক ব্যবহার। এই প্রেক্ষাপটে দেশের ১০ লক্ষ নাগরিককে ‘এআই-নেটিভ’ হিসেবে গড়ে তোলার একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও শক্তিশালী কর্মকাঠামো উন্মোচন করেছে মিলিয়নএক্স বাংলাদেশ। উদ্যোগটির অন্যতম প্রধান উদ্যোক্তা ও বিশিষ্ট প্রযুক্তিবিদ ড. জুনায়েদ কাজী জানান, এআই একটি বিশাল ‘এনাবেলার’, যা যেকোনো উদ্যোগকে কয়েকগুণ বিকশিত করতে পারে। আমাদের লক্ষ্য হলো শিশু-কিশোর, শিক্ষক-শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে সরকারি নীতিনির্ধারক সহ সর্বস্তরে এআই-কে পৌঁছে দেওয়া, যাতে প্রত্যেকে তাদের কর্মদক্ষতা বহুগুণ বাড়াতে পারেন। প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষা, উদ্ভাবন, নীতি নির্ধারণ, শিল্পখাত এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা- এই পাঁচটি ক্ষেত্রে সমন্বি^তভাবে কাজ করবে।

জেনেসিস এআই কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশীয় মেধা ও বৈশি^ক অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে একটি ‘জাতীয় এআই চার্টার’ প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। দিনব্যাপী এই আয়োজনে থাকবে কী-নোট সেশন, প্যানেল আলোচনা এবং একাডেমিয়া ও ইন্ডাস্ট্রির যোগসূত্র স্থাপনের বিশেষ সেশন। এতে দেশি-বিদেশি প্রযুক্তিবিদ, নীতিনির্ধারক ও শিল্পনেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে আনিস রহমান বলেন, সারাবিশে^ ছড়িয়ে থাকা বাংলাদেশি এআই বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে দেশের তরুণদের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক এবং ‘টেনএক্স’ মনন তৈরি করাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য। কনফারেন্সের আগের দিন, ১৬ জানুয়ারি ঢাকার সোবহানবাগস্থ ড্যাফোডিল প্লাজাতে অনুষ্ঠিত হবে ‘ন্যাশনাল এআই বিল্ড-এ-থন’। নিবন্ধিত ৩৮৪টি দল থেকে নির্বাচিত ৬২টি দল ৫টি ক্যাটাগরিতে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে। প্রযুক্তিবিদ মোহাম্মদ মাহাদীউজ্জামান জানান, তরুণদের এআই নিয়ে প্রবল আগ্রহকে উৎপাদনশীলতায় রূপান্তর করতেই এই আয়োজন। বিজয়ীদের আমরা পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা প্রদান করব।

এই আয়োজনে সহযোগিতা করছে ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ডিপার্টমেন্ট অব ইনোভেশন অ্যান্ড এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ, বাংলাদেশ ওপেনসোর্স নেটওয়ার্ক (বিডিওএসএন) ও বিলিয়ন্স ফর বাংলাদেশ। কারিগরি সহযোগিতায় রয়েছে আমাজন ওয়েব সার্ভিসেস (এডাব্লিউএস), ক্যারিয়ার ক্যানভাস এবং ভার্সেল ভি জিরো।১৭ জানুয়ারির ‘জেনেসিস এআই কনফারেন্স’ সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। রেজিস্ট্রেশন ও বিস্তারিত তথ্যো জন্য ভিজিট করুন: https://millionxbangladesh.org/ event/day2|।

‘বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি’ : আরও খবর

সম্প্রতি