স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা বছরের পর বছর ধরে পাওয়ার ব্যাংকের ওপর নির্ভরশীল হয়ে ছিলেন, যেখানে ৫ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ারকে আদর্শ ধরা হতো। ৭ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারিকে যথেষ্ট মনে হলেও, এর চেয়ে বেশিকিছু প্রতিদিনের ব্যবহারের জন্য অবাস্তব মনে হতো। রিয়েলমি পি৪ পাওয়ারের উন্মোচন এই ধারণা পুরোপুরি বদলে দিয়েছে। এই ডিভাইসটি কেবল একটি বিশাল ব্যাটারিই দিচ্ছে না বরং এটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্মার্টফোনের জগতে ১০ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার যুগের সূচনা করেছে।
টাইটান প্রযুক্তিতে স্থায়িত্বের নতুনত্ব: এই স্মার্টফোনের মূল শক্তি হলো বিশ্বের প্রথম ব্যাপকভাবে উৎপাদিত ১০,০০১ মিলিঅ্যাম্পিয়ার টাইটান ব্যাটারি। যখন প্রতিযোগীরা এখনও ৭,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে, রিয়েলমি তখন এই খাতের মানদন্ডকে দ্বিগুণের কাছাকাছি করে ফেলেছে। এর প্রকৃত কৃতিত্ব সিলিকন কার্বন অ্যানোড প্রযুক্তির, যা ফোনটিকে ৯.০৮ মিলিমিটার পাতলা ও ২১৯ গ্রাম ওজনের মধ্যে রাখতে সাহায্য করেছে।
জরুরি অবস্থার জন্য এতে রয়েছে ৫% এবং ১% সুপার পাওয়ার সেভিং মোড। বিপদের সময় এই সামান্য চার্জটুকুও কয়েক ঘণ্টার প্রয়োজনীয় কানেক্টিভিটি নিশ্চিত করে।
নিরাপত্তা, স্থায়িত্ব ও ব্যাটারি হেলথ: বিশাল ব্যাটারি মানেই বেশি তাপ উৎপন্ন হওয়া এবং সেখান থেকে দ্রুত কার্যকারিতা হারানোর ভয়। রিয়েলমি এই সমস্যার সমাধান করেছে টিইউভি ৫-স্টার ব্যাটারি সেফটি সার্টিফিকেশন ও চরম তাপমাত্রা সহনশীলতার মাধ্যমে। বিশাল সক্ষমতার কারণে এই ডিভাইসটিকে সাধারণ মডেলের চেয়ে কমবার চার্জ দিতে হয়। ফলে ‘মাইক্রো-সাইকেল’ বা চার্জিং চক্র কমে যাওয়ায় পি৪ পাওয়ারের ব্যাটারি ক্ষয় অন্য ফোনের তুলনায় প্রায় ৩৯২ গুণ কম। এটি বছরের পর বছর ব্যবহারের পরেও ব্যাটারির লাইফ নিশ্চিত করে।
সক্ষমতা থাকার পরও এর ৮০ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং ফোনের ডাউনটাইম বা চার্জের জন্য অপেক্ষার সময় কমিয়ে দেয়। এতে রয়েছে ২৭ ওয়াট রিভার্স চার্জিং সুবিধা। এতে গেমারদের জন্য রয়েছে বাইপাস চার্জিং, যা ব্যাটারির দীর্ঘমেয়াদী লাইফ বজায় রাখার পাশাপাশি, ফোনকে ঠান্ডা রাখে।
ভারসাম্যপূর্ণ পারফরম্যান্স ও ভিজ্যুয়াল: ডিভাইসটিতে রয়েছে ডাইমেনসিটি ৭৪০০ আল্ট্রা চিপসেট, যা মূলত শক্তির চেয়ে কার্যকারিতার ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়ে ডিজাইন করা হয়েছে। এর ফলে দীর্ঘক্ষণ ব্যবহারেও ফোনটি স্থিতিশীল থাকে এবং এর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। দীর্ঘ সময় গেমিং বা রাস্তায় জিপিএস ব্যবহারের সময়ও ফোনটি নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে। ডিসপ্লের ক্ষেত্রে এতে রয়েছে ১৪৪ হার্টজ হাইপারগ্লো ৪ডি কার্ভ + অ্যামোলেড স্ক্রিন। এতে ৬,৫০০ নিটস পিক ব্রাইটনেস থাকার ফলে কড়া রোদেও স্ক্রিন পরিষ্কার দেখা যায়।
স্থায়িত্ব ও নির্ভরযোগ্য ইমেজিং: বাস্তব জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পি৪ পাওয়ার বিশেষভাবে তৈরি। এতে রয়েছে আইপি৬৬, আইপি৬৮ এবং আইপি৬৯ ট্রিপল রেটিং, যা কর্নিং গরিলা গ্লাস এবং আর্মারশেল প্রোটেকশনের সাথে যুক্ত হয়ে বৃষ্টি, ধুলাবালি এবং প্রতিদিনের ব্যবহার থেকে ডিভাইসটির সুরক্ষা নিশ্চিত করে।
ক্যামেরার ক্ষেত্রে এতে রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেল সনি আইএমএক্স৮৮২ এআই মেইন ক্যামেরা, একটি ৮ মেগাপিক্সেল ওয়াইড এবং ১৬ মেগাপিক্সেল সেলফি সেন্সর। রিয়েলমি ইউআই ৭.০ চালিত এই সফটওয়্যারে রয়েছে প্রয়োজনীয় এআই টুলস, যা ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ ও উন্নত করে।
অপরাধ ও দুর্নীতি: মব-গণপিটুনিতে জানুয়ারিতে নিহত বেড়ে দ্বিগুণ: প্রতিবেদন
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: রিয়েলমি পি৪ পাওয়ারের সঙ্গে শুরু হলো ১০ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার টাইটান ব্যাটারির যুগ
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: ক্যারিবি ও পিকাবোর মধ্যে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: যশোর সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে জব ফেয়ার ও সেমিনার অনুষ্ঠিত
আন্তর্জাতিক: অস্থায়ী কর্মী ভিসা দ্বিগুণ করছে যুক্তরাষ্ট্র