বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে আসতে চাইলে একদিনে তাকে ‘ট্রাভেল পাস’ দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।
রোববার,(৩০ নভেম্বর ২০২৫) জাতীয় প্রেসক্লাবে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপনডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ডিক্যাব) আয়োজিত ডিক্যাব টকে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি: পরিবর্তনশীল বিশ্বে একটি প্রাসঙ্গিক ভূমিকা নির্ধারণ’ বিষয়ে বক্তৃতা করেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। পরে তিনি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
তারেক রহমানের দেশে ফেরার বিষয়ে জানতে চাইলে উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘তারেক রহমান দেশে আসতে চাইলে কোনো বিধি-নিষেধ নেই, একদিনে ট্রাভেল পাস দেয়া সম্ভব। আর সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া অসুস্থতার জন্য বিদেশে যেতে চাইলে, যা সহযোগিতা দরকার, অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে সেই সহযোগিতা করা হবে।’
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমান ওয়ান-ইলেভেনের পর ২০০৮ সালে কারাগার থেকে বেরিয়ে স্বপরিবার যুক্তরাজ্যে যান। তারপর আর তিনি দেশে ফেরেননি। বিদেশে থেকেই দল পরিচালনা করে আসছেন তিনি। গত বছর জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ায় বিভিন্ন মামলায় তারেক রহমানের সাজার রায় বাতিল হওয়ার পর তার দেশে ফেরার আলোচনা শুরু হয়। তারেক রহমান শিগ্গিরই ফিরবেন, এমন কথা বললেও সুনির্দিষ্ট দিন তারিখ জানাচ্ছেন না বিএনপির নেতারা। এর মধ্যে খালেদা জিয়া অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তির পর তার জীবন সংকটাপন্ন হয়ে উঠলে গত শুক্রবার শোনা যাচ্ছিল, তারেক রহমান দ্রুতই দেশে ফিরছেন।
তবে বাংলাদেশ সময় রোববার সকালে লন্ডনে থেকে নিজের ভেরিফায়েড ফেইসবুক পেইজে একটি পোস্ট দেন তারেক রহমান। সেখানে তিনি লেখেন, ‘এমন সংকটকালে মায়ের স্নেহ-স্পর্শ পাবার তীব্র আকাক্সক্ষা যে কোনো সন্তানের মতো আমারও রয়েছে। কিন্তু অন্য আর সবার মতো এটা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়।’
বাধা কোত্থেকে, পোস্টে তা স্পষ্ট না করে তিনি লেখেন, ‘স্পর্শকাতর বিষয়টির বিস্তারিত বর্ণনার অবকাশও সীমিত। রাজনৈতিক বাস্তবতার এ পরিস্থিতি প্রত্যাশিত পর্যায়ে উপনীত হওয়ামাত্রই স্বদেশপ্রত্যাবর্তনে আমার সুদীর্ঘ উদ্বিগ্ন প্রতীক্ষার অবসান ঘটবে বলেই আমাদের পরিবার আশাবাদী।’
পরে রোববার বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এক ফেইসবুক পোস্টে তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে লেখেন, ‘এ ব্যাপারে সরকারের তরফ থেকে কোনো বিধি-নিষেধ অথবা কোনো ধরনের আপত্তি নেই।’
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার ক্ষেত্রে কিছু রাষ্ট্র বা গোয়েন্দা সংস্থার আপত্তির কথা শোনা যায়। তবে এ ধরনের কোনো বার্তা সরকারের কাছে নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তারেক রহমানের ফেরায় কোনো বিধি?-নিষেধ নেই; চাইলে একদিনের মধ্যেই ট্রাভেল পাস ইস্যু করা সম্ভব।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, তারেক রহমানের যদি দেশে আসতে হয় তাহলে কী পদ্ধতিতে তিনি আসবেন? উনি যদি আসতে চান তাহলে একদিনের মধ্যে ট্রাভেল পাস ইস্যু করা যায়। উনি যদি বলেন- আসবেন আজকে, চাইলে আমরা কালকে ট্রাভেল পাস ইস্যু করতে পারবো; এটা উনার ব্যাপার। আমি এতটুকু বলতে পারি, বাংলাদেশ সরকারের তরফ থেকে কোনো বাধা নেই।
তারেক রহমানের দেশে ফেরার ক্ষেত্রে আগ্রহ আছে কি নাই, সেটা আপনাদের (গণমাধ্যমের) মাধ্যমে আমি জানি।
তিনি দেশে ফিরতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা মিশনে কোনো আবেদন করেননি? এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, আমার কাছে এ রকম কোনো তথ্য নেই।
তারেক রহমানের স্ট্যাটাস নিয়ে করা প্রশ্নে তিনি বলেন, এটা স্পর্শকাতর বিষয়। তিনি নিজেই বলেছেন, পত্রিকাতেও এসেছে।
তারেক রহমানের দেশে ফেরার ক্ষেত্রে কিছু রাষ্ট্র বা গোয়েন্দা সংস্থার আপত্তির কথা শোনা যায়। এ বিষয়ে উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের কাছে এ রকম কোনো বার্তা নেই।
কোনো দেশের নাগরিককে তার দেশে ফিরতে না দেয়া বা বাধা দেয়ার মতো বিষয় আমার কাছে অস্বাভাবিক মনে হয়। বাংলাদেশ যদি তার নাগরিককে ফেরত আসতে দিতে চায়, তাহলে আরেকটি দেশ কী করবে?
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অসুস্থতা ও তারেক রহমানের দেশে ফেরায় ‘বাধা’ প্রসঙ্গে সাংবাদিকরা নির্বাচন নিয়ে শঙ্কার কথা তুললে উপদেষ্টা বলেন, তারেক রহমান দেশে না ফিরলে নির্বাচন হবে না বা সুষ্ঠু হবে না, এটা আমার ঠিক মনে হয় না। একজন ব্যক্তির কারণে বা উনার দূরে থাকার কারণে নির্বাচন হবে না... দেখা যাক, পরিশেষে কী হয়।
খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসা নিয়ে প্রশ্নে তিনি বলেন, এই মুহূর্তে উনাকে বিদেশে নিয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা নেই। যদি একটু উন্নতি হয় তাহলে তাকে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে পার্টি যদি বলে সরকার সহায়তা করবে। যেটুকু সহায়তা করার দরকার আমরা করছি।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, তারেক রহমান এখানে উপস্থিত না থেকেও সত্যিকার অর্থেই বিএনপির নেতৃত্ব তার হাতেই ছিল। উনি ঢাকায় পদার্পণ না করলে যে নির্বাচন হবে না, বা সুষ্ঠু হবে না এটা আমার ঠিক মনে হয় না।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচন সুষ্ঠু হবে কিনা এটা অন্যান্য আরও ফ্যাক্টরের ওপর নির্ভর করে। আমার মনে হয় না একজন ব্যক্তির কারণে, কিংবা দূরে থাকার কারণে নির্বাচন নষ্ট হবে। দেখা যাক, সময় তো আছে, শেষ পর্যন্ত কী হবে সেটা তো আমি জানি না।’
তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘তারেক রহমানের দেশে আসার আগ্রহের বিষয়ে আমি পত্রপত্রিকা থেকেই জানি। আমার কাছে আলাদাভাবে কোনো তথ্য নেই এ ব্যাপারে।’
অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যখন কারও পাসপোর্ট থাকে না, কিংবা মেয়াদোত্তীর্ণ থাকে, তখন যদি কেউ আসতে চান, আমরা মিশন থেকে ওয়ান টাইম একটা পাস দিয়ে দেই, দেশে আসার জন্য। এটা দিতে একদিন লাগে। কাজেই তারেক রহমান যদি আজকে বলেন আসবেন, আগামীকাল আমরা এটা দিয়ে দিতে পারবো। উনি এটা দিয়েই প্লেইনে উঠতে পারবেন। ওনার স্ট্যাটাস সম্পর্কে উনি নিজেই বলেছেন, এই বিষয়ে আমার জানা কম। আমি শুধু বলতে পারি- বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে কেনো বিধিনিষেধ নেই।’
ইপেপার
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
নগর-মহানগর
খেলা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
শিক্ষা
অর্থ-বাণিজ্য
সংস্কৃতি
ক্যাম্পাস
মিডিয়া
অপরাধ ও দুর্নীতি
রাজনীতি
শোক ও স্মরন
প্রবাস
নারীর প্রতি সহিংসতা
বিনোদন
সম্পাদকীয়
উপ-সম্পাদকীয়
মুক্ত আলোচনা
চিঠিপত্র
পাঠকের চিঠি
রোববার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে আসতে চাইলে একদিনে তাকে ‘ট্রাভেল পাস’ দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।
রোববার,(৩০ নভেম্বর ২০২৫) জাতীয় প্রেসক্লাবে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপনডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ডিক্যাব) আয়োজিত ডিক্যাব টকে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি: পরিবর্তনশীল বিশ্বে একটি প্রাসঙ্গিক ভূমিকা নির্ধারণ’ বিষয়ে বক্তৃতা করেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। পরে তিনি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
তারেক রহমানের দেশে ফেরার বিষয়ে জানতে চাইলে উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘তারেক রহমান দেশে আসতে চাইলে কোনো বিধি-নিষেধ নেই, একদিনে ট্রাভেল পাস দেয়া সম্ভব। আর সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া অসুস্থতার জন্য বিদেশে যেতে চাইলে, যা সহযোগিতা দরকার, অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে সেই সহযোগিতা করা হবে।’
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমান ওয়ান-ইলেভেনের পর ২০০৮ সালে কারাগার থেকে বেরিয়ে স্বপরিবার যুক্তরাজ্যে যান। তারপর আর তিনি দেশে ফেরেননি। বিদেশে থেকেই দল পরিচালনা করে আসছেন তিনি। গত বছর জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ায় বিভিন্ন মামলায় তারেক রহমানের সাজার রায় বাতিল হওয়ার পর তার দেশে ফেরার আলোচনা শুরু হয়। তারেক রহমান শিগ্গিরই ফিরবেন, এমন কথা বললেও সুনির্দিষ্ট দিন তারিখ জানাচ্ছেন না বিএনপির নেতারা। এর মধ্যে খালেদা জিয়া অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তির পর তার জীবন সংকটাপন্ন হয়ে উঠলে গত শুক্রবার শোনা যাচ্ছিল, তারেক রহমান দ্রুতই দেশে ফিরছেন।
তবে বাংলাদেশ সময় রোববার সকালে লন্ডনে থেকে নিজের ভেরিফায়েড ফেইসবুক পেইজে একটি পোস্ট দেন তারেক রহমান। সেখানে তিনি লেখেন, ‘এমন সংকটকালে মায়ের স্নেহ-স্পর্শ পাবার তীব্র আকাক্সক্ষা যে কোনো সন্তানের মতো আমারও রয়েছে। কিন্তু অন্য আর সবার মতো এটা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়।’
বাধা কোত্থেকে, পোস্টে তা স্পষ্ট না করে তিনি লেখেন, ‘স্পর্শকাতর বিষয়টির বিস্তারিত বর্ণনার অবকাশও সীমিত। রাজনৈতিক বাস্তবতার এ পরিস্থিতি প্রত্যাশিত পর্যায়ে উপনীত হওয়ামাত্রই স্বদেশপ্রত্যাবর্তনে আমার সুদীর্ঘ উদ্বিগ্ন প্রতীক্ষার অবসান ঘটবে বলেই আমাদের পরিবার আশাবাদী।’
পরে রোববার বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এক ফেইসবুক পোস্টে তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে লেখেন, ‘এ ব্যাপারে সরকারের তরফ থেকে কোনো বিধি-নিষেধ অথবা কোনো ধরনের আপত্তি নেই।’
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার ক্ষেত্রে কিছু রাষ্ট্র বা গোয়েন্দা সংস্থার আপত্তির কথা শোনা যায়। তবে এ ধরনের কোনো বার্তা সরকারের কাছে নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তারেক রহমানের ফেরায় কোনো বিধি?-নিষেধ নেই; চাইলে একদিনের মধ্যেই ট্রাভেল পাস ইস্যু করা সম্ভব।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, তারেক রহমানের যদি দেশে আসতে হয় তাহলে কী পদ্ধতিতে তিনি আসবেন? উনি যদি আসতে চান তাহলে একদিনের মধ্যে ট্রাভেল পাস ইস্যু করা যায়। উনি যদি বলেন- আসবেন আজকে, চাইলে আমরা কালকে ট্রাভেল পাস ইস্যু করতে পারবো; এটা উনার ব্যাপার। আমি এতটুকু বলতে পারি, বাংলাদেশ সরকারের তরফ থেকে কোনো বাধা নেই।
তারেক রহমানের দেশে ফেরার ক্ষেত্রে আগ্রহ আছে কি নাই, সেটা আপনাদের (গণমাধ্যমের) মাধ্যমে আমি জানি।
তিনি দেশে ফিরতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা মিশনে কোনো আবেদন করেননি? এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, আমার কাছে এ রকম কোনো তথ্য নেই।
তারেক রহমানের স্ট্যাটাস নিয়ে করা প্রশ্নে তিনি বলেন, এটা স্পর্শকাতর বিষয়। তিনি নিজেই বলেছেন, পত্রিকাতেও এসেছে।
তারেক রহমানের দেশে ফেরার ক্ষেত্রে কিছু রাষ্ট্র বা গোয়েন্দা সংস্থার আপত্তির কথা শোনা যায়। এ বিষয়ে উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের কাছে এ রকম কোনো বার্তা নেই।
কোনো দেশের নাগরিককে তার দেশে ফিরতে না দেয়া বা বাধা দেয়ার মতো বিষয় আমার কাছে অস্বাভাবিক মনে হয়। বাংলাদেশ যদি তার নাগরিককে ফেরত আসতে দিতে চায়, তাহলে আরেকটি দেশ কী করবে?
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অসুস্থতা ও তারেক রহমানের দেশে ফেরায় ‘বাধা’ প্রসঙ্গে সাংবাদিকরা নির্বাচন নিয়ে শঙ্কার কথা তুললে উপদেষ্টা বলেন, তারেক রহমান দেশে না ফিরলে নির্বাচন হবে না বা সুষ্ঠু হবে না, এটা আমার ঠিক মনে হয় না। একজন ব্যক্তির কারণে বা উনার দূরে থাকার কারণে নির্বাচন হবে না... দেখা যাক, পরিশেষে কী হয়।
খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসা নিয়ে প্রশ্নে তিনি বলেন, এই মুহূর্তে উনাকে বিদেশে নিয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা নেই। যদি একটু উন্নতি হয় তাহলে তাকে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে পার্টি যদি বলে সরকার সহায়তা করবে। যেটুকু সহায়তা করার দরকার আমরা করছি।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, তারেক রহমান এখানে উপস্থিত না থেকেও সত্যিকার অর্থেই বিএনপির নেতৃত্ব তার হাতেই ছিল। উনি ঢাকায় পদার্পণ না করলে যে নির্বাচন হবে না, বা সুষ্ঠু হবে না এটা আমার ঠিক মনে হয় না।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচন সুষ্ঠু হবে কিনা এটা অন্যান্য আরও ফ্যাক্টরের ওপর নির্ভর করে। আমার মনে হয় না একজন ব্যক্তির কারণে, কিংবা দূরে থাকার কারণে নির্বাচন নষ্ট হবে। দেখা যাক, সময় তো আছে, শেষ পর্যন্ত কী হবে সেটা তো আমি জানি না।’
তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘তারেক রহমানের দেশে আসার আগ্রহের বিষয়ে আমি পত্রপত্রিকা থেকেই জানি। আমার কাছে আলাদাভাবে কোনো তথ্য নেই এ ব্যাপারে।’
অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যখন কারও পাসপোর্ট থাকে না, কিংবা মেয়াদোত্তীর্ণ থাকে, তখন যদি কেউ আসতে চান, আমরা মিশন থেকে ওয়ান টাইম একটা পাস দিয়ে দেই, দেশে আসার জন্য। এটা দিতে একদিন লাগে। কাজেই তারেক রহমান যদি আজকে বলেন আসবেন, আগামীকাল আমরা এটা দিয়ে দিতে পারবো। উনি এটা দিয়েই প্লেইনে উঠতে পারবেন। ওনার স্ট্যাটাস সম্পর্কে উনি নিজেই বলেছেন, এই বিষয়ে আমার জানা কম। আমি শুধু বলতে পারি- বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে কেনো বিধিনিষেধ নেই।’