ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৫ জন মারা গেছে এবং হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬৩৬ জন। এ নিয়ে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে রোববার, (৩০ নভেম্বর ২০২৫) পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৯৪ হাজার ৪০২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩৮২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এছাড়া নভেম্বর মাসে ৯৯ জনের মৃত্যু হয়েছে ও ২৪ হাজার ৫৩০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। রোববার, মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে এ তথ্য জানিয়েছে।
২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তিকৃতদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ৭৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৯৫ জন, ঢাকা বিভাগে ১১৬ জন, ঢাকা উত্তরে ১৪৭ জন, ঢাকা দক্ষিণে ৭৪ জন, খুলনা বিভাগে ৫৬ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৪৫ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৭ জন, রংপুর বিভাগে ২ জন ও সিলেট বিভাগে ৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
নিহত ৫ জনের মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগে ১ জন, ঢাকা দক্ষিণে ৩ জন ও খুলনা বিভাগে ১ জন মারা গেছেন।
হাসপাতালে ভর্তিকৃতদের মধ্যে ৫ বছর বয়সের ৩৬ জন, ৬-১০ বছর বয়সের ২৭ জন, ১১-১৫ বছর বয়সের ৩৫ জন, ১৬-২০ বছর বয়সের ৭৮ জন, ২১-২৫ বছর বয়সের ৮৯ জন, ২৬-৩০ বছর বয়সের ৮৩ জন, ৩১-৩৫ বছর বয়সের ৬৯ জন, ৮০ বছর বয়সের ১ জনসহ বিভিন্ন বয়সী রয়েছে। এখনও সারাদেশের হাসপাতালে ভর্তি আছে ১,৯৯৫ জন।
কীটতত্ত্ববিদ কবিরুল বাশারের মতে, মশা পৃথিবীতে ভয়ঙ্কর প্রাণীদের মধ্যে অন্যতম। ছোট এ প্রাণীটি সবচেয়ে বেশি মানুষের প্রাণ নিয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এরই মধ্যে সতর্কবার্তা জারি করেছে, যে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পৃথিবীর অর্ধেক মানুষ ডেঙ্গু ঝুঁকিতে রয়েছে। বাংলাদেশেও এর প্রভাব রয়েছে।
বাংলাদেশের আবহাওয়া ও জলবায়ু মশা প্রজননের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। মশার ঘনত্ব ও প্রজাতির কারণে রোগশোকের ঝুঁকিও অনেক বেশি বাংলাদেশে। বর্তমানে ঢাকায় ১৪-১৬ প্রজাতির মশা শনাক্ত করা হয়েছে।
মশাবাহিত রোগগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, ম্যালেরিয়া, ফাইলেরিয়া ও জাপানিজ অ্যানসেফালাইটিস।
এ বিশেষজ্ঞের মতে, এডিস মশা রাজধানীতে এখনও পর্যন্ত আছে। বহুতল ভবন, পরিত্যক্ত ভবনগুলোতে পানি সংকটের কারণে জমিয়ে রাখা পানিতে মশার প্রজনন ও বংশ বিস্তার ঘটছে। এডিস মশার এই প্রকোপ ডিসেম্বর-জানুয়ারি পর্যন্ত থাকবে। জানুয়ারিতে কিছু কমলেও মার্চ এপ্রিলের দিকে আবার বাড়বে। তবে বর্তমানে এডিস মশা কিছুটা কমলেও বাড়ছে কিউলেক্স মশার উপদ্রব।
ইপেপার
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
নগর-মহানগর
খেলা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
শিক্ষা
অর্থ-বাণিজ্য
সংস্কৃতি
ক্যাম্পাস
মিডিয়া
অপরাধ ও দুর্নীতি
রাজনীতি
শোক ও স্মরন
প্রবাস
নারীর প্রতি সহিংসতা
বিনোদন
সম্পাদকীয়
উপ-সম্পাদকীয়
মুক্ত আলোচনা
চিঠিপত্র
পাঠকের চিঠি
রোববার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৫ জন মারা গেছে এবং হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬৩৬ জন। এ নিয়ে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে রোববার, (৩০ নভেম্বর ২০২৫) পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৯৪ হাজার ৪০২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩৮২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এছাড়া নভেম্বর মাসে ৯৯ জনের মৃত্যু হয়েছে ও ২৪ হাজার ৫৩০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। রোববার, মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে এ তথ্য জানিয়েছে।
২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তিকৃতদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ৭৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৯৫ জন, ঢাকা বিভাগে ১১৬ জন, ঢাকা উত্তরে ১৪৭ জন, ঢাকা দক্ষিণে ৭৪ জন, খুলনা বিভাগে ৫৬ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৪৫ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৭ জন, রংপুর বিভাগে ২ জন ও সিলেট বিভাগে ৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
নিহত ৫ জনের মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগে ১ জন, ঢাকা দক্ষিণে ৩ জন ও খুলনা বিভাগে ১ জন মারা গেছেন।
হাসপাতালে ভর্তিকৃতদের মধ্যে ৫ বছর বয়সের ৩৬ জন, ৬-১০ বছর বয়সের ২৭ জন, ১১-১৫ বছর বয়সের ৩৫ জন, ১৬-২০ বছর বয়সের ৭৮ জন, ২১-২৫ বছর বয়সের ৮৯ জন, ২৬-৩০ বছর বয়সের ৮৩ জন, ৩১-৩৫ বছর বয়সের ৬৯ জন, ৮০ বছর বয়সের ১ জনসহ বিভিন্ন বয়সী রয়েছে। এখনও সারাদেশের হাসপাতালে ভর্তি আছে ১,৯৯৫ জন।
কীটতত্ত্ববিদ কবিরুল বাশারের মতে, মশা পৃথিবীতে ভয়ঙ্কর প্রাণীদের মধ্যে অন্যতম। ছোট এ প্রাণীটি সবচেয়ে বেশি মানুষের প্রাণ নিয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এরই মধ্যে সতর্কবার্তা জারি করেছে, যে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পৃথিবীর অর্ধেক মানুষ ডেঙ্গু ঝুঁকিতে রয়েছে। বাংলাদেশেও এর প্রভাব রয়েছে।
বাংলাদেশের আবহাওয়া ও জলবায়ু মশা প্রজননের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। মশার ঘনত্ব ও প্রজাতির কারণে রোগশোকের ঝুঁকিও অনেক বেশি বাংলাদেশে। বর্তমানে ঢাকায় ১৪-১৬ প্রজাতির মশা শনাক্ত করা হয়েছে।
মশাবাহিত রোগগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, ম্যালেরিয়া, ফাইলেরিয়া ও জাপানিজ অ্যানসেফালাইটিস।
এ বিশেষজ্ঞের মতে, এডিস মশা রাজধানীতে এখনও পর্যন্ত আছে। বহুতল ভবন, পরিত্যক্ত ভবনগুলোতে পানি সংকটের কারণে জমিয়ে রাখা পানিতে মশার প্রজনন ও বংশ বিস্তার ঘটছে। এডিস মশার এই প্রকোপ ডিসেম্বর-জানুয়ারি পর্যন্ত থাকবে। জানুয়ারিতে কিছু কমলেও মার্চ এপ্রিলের দিকে আবার বাড়বে। তবে বর্তমানে এডিস মশা কিছুটা কমলেও বাড়ছে কিউলেক্স মশার উপদ্রব।