দেশে গৃহযুদ্ধের পরিকল্পনা এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে এই মামলা করে। আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। মামলায় যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ড. রাব্বি আলমসহ ৭৩ জনের নাম উল্লেখ করে মোট ৫০৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তারা শেখ হাসিনার সঙ্গে অনলাইন মিটিংয়ে অংশ নিয়েছিলেন।
পুলিশ সদর দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’ নামে একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে গৃহযুদ্ধের পরিকল্পনা এবং বর্তমান সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করা হয়। এই মিটিংয়ে দেশ-বিদেশের ৫৭৭ জন অংশগ্রহণ করেন এবং তারা শেখ হাসিনার নির্দেশ পালনের অঙ্গীকার করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, উক্ত মিটিংয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে মেনে না নেওয়া এবং সরকার উৎখাতে সংঘাতে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।
এই মামলায় ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ১২১, ১২১ক, ১২৪ক ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
এর আগে ছাত্র-জনতার প্রবল আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর, তার বিরুদ্ধে হত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে একাধিক মামলা দায়ের হয়। এছাড়া অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সম্প্রতি সংঘাতে মৃত্যুর ঘটনাকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে বিবেচনা করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারের উদ্যোগ নিয়েছে।
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে গুম, গণহত্যা ও শাপলা চত্বরে সহিংসতার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। বাংলাদেশ সরকার আসামি প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানালেও ভারত এখনো তাতে সাড়া দেয়নি।
শুক্রবার, ২৮ মার্চ ২০২৫
দেশে গৃহযুদ্ধের পরিকল্পনা এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে এই মামলা করে। আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। মামলায় যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ড. রাব্বি আলমসহ ৭৩ জনের নাম উল্লেখ করে মোট ৫০৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তারা শেখ হাসিনার সঙ্গে অনলাইন মিটিংয়ে অংশ নিয়েছিলেন।
পুলিশ সদর দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’ নামে একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে গৃহযুদ্ধের পরিকল্পনা এবং বর্তমান সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করা হয়। এই মিটিংয়ে দেশ-বিদেশের ৫৭৭ জন অংশগ্রহণ করেন এবং তারা শেখ হাসিনার নির্দেশ পালনের অঙ্গীকার করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, উক্ত মিটিংয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে মেনে না নেওয়া এবং সরকার উৎখাতে সংঘাতে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।
এই মামলায় ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ১২১, ১২১ক, ১২৪ক ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
এর আগে ছাত্র-জনতার প্রবল আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর, তার বিরুদ্ধে হত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে একাধিক মামলা দায়ের হয়। এছাড়া অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সম্প্রতি সংঘাতে মৃত্যুর ঘটনাকে ‘গণহত্যা’ হিসেবে বিবেচনা করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারের উদ্যোগ নিয়েছে।
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে গুম, গণহত্যা ও শাপলা চত্বরে সহিংসতার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। বাংলাদেশ সরকার আসামি প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানালেও ভারত এখনো তাতে সাড়া দেয়নি।