কিশোরগঞ্জের ইটনায় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী ও পথসভায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ফজলুর রহমান জামায়াতকে কড়া ভাষায় সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, "একলা নির্বাচন করলে তিনটি আসনও পাওয়া যাবে না, অথচ এখন ৩০০ আসন পাওয়ার দাবি করছে। প্রশাসন দখল করে বসে আছে, ডিসি-ইউএনও তাদের কথায় চলে। যদি সাহস থাকে, নির্বাচনে আসুন, তখন দেখা যাবে জনগণ কাকে দায়িত্ব দেয়।"
মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে ইটনা সদরের পুরান বাজার এলাকায় অনুষ্ঠিত এই পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান বলেন, "আমি জামায়াতের আমিরকে প্রশ্ন করি, আমি কি কোনো মিথ্যা বলেছি? তাহলে তাদের কর্মীরা আমাকে গালাগালি করে কেন? নির্বাচনে পাল্লা (দাড়িপাল্লা প্রতীক) নিয়ে দাঁড়ান, আমরা ধানের শীষ নিয়ে দাঁড়াব। জনগণ যার পক্ষে ভোট দেবে, সেই দেশ চালাবে।"
তিনি আরও বলেন, "যারা মুক্তিযুদ্ধের সময় দালালি করেছে, রাজাকার-আলবদর ছিল, তারাই এখন বিএনপির বিরুদ্ধে কথা বলে। আমার পোস্টারে জুতা মারা হয়, ঠিক আছে, আমার কপালেও মারুন। কিন্তু এই দেশ স্বাধীন করে আপনাদের মাফ করেছিলাম বলেই আজ আপনারা বেঁচে আছেন।"
অনির্বাচিত সরকারের সমালোচনা করে ফজলুর রহমান বলেন, "একটি অনির্বাচিত সরকার কি নির্বাচিত সরকারের চেয়ে বেশি ক্ষমতা পেতে পারে? প্রথমে বলা হলো ডিসেম্বর মাসে ভোট হবে, পরে তা পিছিয়ে জুনে নেওয়া হলো। এরপর বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কারণ, তারা জানে, নির্বাচন হলে বিএনপি ৮০ ভাগ ভোট পাবে। তাই কূটকৌশল করে নির্বাচন এড়িয়ে যেতে চায়।"
পথসভায় সভাপতিত্ব করেন ইটনা সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এম এ ছালেক। আরও উপস্থিত ছিলেন ইটনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম কামাল হোসেন, ফজলুর রহমানের স্ত্রী জেলা বিএনপির সহসভাপতি আইনজীবী উম্মে কুলসুম, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুজ্জামান ঠাকুর, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মো. মনির উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম প্রমুখ।
বুধবার, ০২ এপ্রিল ২০২৫
কিশোরগঞ্জের ইটনায় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী ও পথসভায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ফজলুর রহমান জামায়াতকে কড়া ভাষায় সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, "একলা নির্বাচন করলে তিনটি আসনও পাওয়া যাবে না, অথচ এখন ৩০০ আসন পাওয়ার দাবি করছে। প্রশাসন দখল করে বসে আছে, ডিসি-ইউএনও তাদের কথায় চলে। যদি সাহস থাকে, নির্বাচনে আসুন, তখন দেখা যাবে জনগণ কাকে দায়িত্ব দেয়।"
মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে ইটনা সদরের পুরান বাজার এলাকায় অনুষ্ঠিত এই পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান বলেন, "আমি জামায়াতের আমিরকে প্রশ্ন করি, আমি কি কোনো মিথ্যা বলেছি? তাহলে তাদের কর্মীরা আমাকে গালাগালি করে কেন? নির্বাচনে পাল্লা (দাড়িপাল্লা প্রতীক) নিয়ে দাঁড়ান, আমরা ধানের শীষ নিয়ে দাঁড়াব। জনগণ যার পক্ষে ভোট দেবে, সেই দেশ চালাবে।"
তিনি আরও বলেন, "যারা মুক্তিযুদ্ধের সময় দালালি করেছে, রাজাকার-আলবদর ছিল, তারাই এখন বিএনপির বিরুদ্ধে কথা বলে। আমার পোস্টারে জুতা মারা হয়, ঠিক আছে, আমার কপালেও মারুন। কিন্তু এই দেশ স্বাধীন করে আপনাদের মাফ করেছিলাম বলেই আজ আপনারা বেঁচে আছেন।"
অনির্বাচিত সরকারের সমালোচনা করে ফজলুর রহমান বলেন, "একটি অনির্বাচিত সরকার কি নির্বাচিত সরকারের চেয়ে বেশি ক্ষমতা পেতে পারে? প্রথমে বলা হলো ডিসেম্বর মাসে ভোট হবে, পরে তা পিছিয়ে জুনে নেওয়া হলো। এরপর বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কারণ, তারা জানে, নির্বাচন হলে বিএনপি ৮০ ভাগ ভোট পাবে। তাই কূটকৌশল করে নির্বাচন এড়িয়ে যেতে চায়।"
পথসভায় সভাপতিত্ব করেন ইটনা সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এম এ ছালেক। আরও উপস্থিত ছিলেন ইটনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম কামাল হোসেন, ফজলুর রহমানের স্ত্রী জেলা বিএনপির সহসভাপতি আইনজীবী উম্মে কুলসুম, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুজ্জামান ঠাকুর, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মো. মনির উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম প্রমুখ।