এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে আমরা নতুন কিছু প্রত্যাশা করেছিলাম। কিন্তু আমরা দেখলাম এনপির খেলাপিদের মনোনয়ন দেয়া হচ্ছে। ১৭শ’ কোটি, ৬শ’ কোটি, ৪০ কোটি টাকার ঋণখেলাপি- এই এনপির খেলাপিদেরকে মন্ত্রী বানিয়ে কেবিনেট গঠন করতে চায় তারা। এটি আমাদের বোধগম্য নয়।
তিনি বলেন, যারা জনগণের টাকা মেরেছে, যারা টেন্ডারের টাকা মেরেছে, তারা সংসদে গিয়ে মূলত নিজেদের এই ঋণখেলাপির বিষয়টি বৈধতা দেয়ার চেষ্টা করবে। সংসদ সদস্য হয়ে তারা যেন ঋণ মওকুফ করতে পারে এ ধরনের আইনই তারা প্রণয়ন করবে। সে কারণেই আপনাদের ব্যালটের মাধ্যমে এনপির খেলাপিদের বিরুদ্ধে রায় দিতে হবে।
বুধবার, (০৭ জানুয়ারী ২০২৬) দুপুরে কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার ৬নং ফতেহাবাদ ইউনিয়নের রাজাপুর চাঁন মিয়া সুপার মার্কেটে শহীদ হাদির রুহের মাগফিরাত কামনা এবং দোয়া মাহফিল শেষে এসব কথা বলেন তিনি। হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আমাদের দেশে ভারতীয়রা গুপ্তচালালি চালিয়েছে।
ভারত থেকে বসে টিকটক করে আমাদের দেশ চালানো হয়েছে। বিভিন্ন ব্যাংকের মতো এজেন্ট নিয়োগ করা হয়েছিল। যাকে এজেন্ট দেয়া হয়েছিল, সে মালিকের কথামতো দেশ চালিয়েছে। যখন পারেনি, তখন এজেন্টকে মালিক সরিয়ে নিয়েছে। এই ভারতের গুপ্তচালালির সঙ্গে যারা আপস করেনি, তাদের মধ্যে হাদি ভাই অন্যতম।
তিনি বলেন, মানুষ মরার আগেই বিচার চায়। হাদি ভাইও মরার আগে বিচার চেয়েছিলেন। আমাকে মেরে ফেললেও দুঃখ নাই, কিন্তু আমার মৃত্যুর বিচার যেন আপনারা নিশ্চিত করেন- এ কথাই তিনি বলে গেছেন। কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হলো, হাদি ভাইয়ের মৃত্যুর তিন সপ্তাহ পেরিয়ে চার সপ্তাহে পদার্পণ করলেও এখনও বিচার নিশ্চিত করা যায়নি।
আগ্রাসনবিরোধী পদযাত্রার অংশ হিসেবে বুধবার কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন হাসনাত আবদুল্লাহ। এ সময় স্থানীয় জামায়াত ও এনসিপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।