শিশুদের সঠিক শিক্ষা প্রদান ও তাদের যথাযথ মানসিক বিকাশের লক্ষ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আরও বেশি যোগ্য ও দক্ষ করে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে, যেখানে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধের বিষয়টিও গুরুত্ব পাবে।
শনিবার, (২৪ জানুয়ারী ২০২৬) দুপুর ২টায় রাজধানীর গুলশানের বিচারপতি শাহাবুদ্দিন পার্কে আয়োজিত ‘মিট অ্যান্ড গ্রিট উইথ তারেক রহমান’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে তার কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানও উপস্থিত ছিলেন।
তরুণ প্রজন্মের ভাবনাকে রাষ্ট্র গঠনের প্রক্রিয়ায় যুক্ত করার লক্ষ্যে বিএনপি ‘আমার ভাবনায় বাংলাদেশ’ শীর্ষক জাতীয় রিলস মেকিং প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ ১১টি বিষয়ের ওপর এক মিনিটের ভিডিও তৈরির এই প্রতিযোগিতায় বিজয়ীরাই এদিন তারেক রহমান ও জাইমা রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পান। সাক্ষাত অনুষ্ঠানে শিক্ষা ও মূল্যবোধের ওপর জোর দিয়ে রিলস মেকিং প্রতিযোগিতায় শিক্ষা নিয়ে তৈরি করা ভিডিওর প্রসঙ্গ টেনে তারেক রহমান বলেন, সামাজিক মূল্যবোধের বিষয়টি স্কুল থেকেই শেখাতে হবে এবং এ কারণেই তারা প্রাথমিক শিক্ষার ওপর জোর দিতে চান।
শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা প্রাইমারি শিক্ষকদের মোর কোয়ালিফাই (আরও যোগ্য) করতে চাচ্ছি, তাদের ট্রেনিং দিতে চাচ্ছি। যে ট্রেনিংয়ের মধ্যে একাডেমিক ট্রেনিং থাকবে, একই সঙ্গে সামাজিক এবং ধর্মীয় যে মূল্যবোধ আছে এই বিষয়গুলোও বাচ্চাদের শেখাতে হবে।’
অনুষ্ঠানে সাইবার বুলিং বিষয়ক এক প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান শিশুদের ছোটবেলা থেকেই ন্যায়-অন্যায় ও ভালো-মন্দের পার্থক্য শেখানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা যদি বাচ্চাদের ছোটবেলা থেকে শেখাই, এইটা সঠিক, এইটা ভুল; এইটা সাদা, এইটা কালো; এইভাবে যদি আমরা বাচ্চাদের শেখাতে পারি আমার ধারণা একটা পর্যায়ে গিয়ে তাদের মাথায় ঢুকে যাবে কোনটা ন্যায় কোনটা অন্যায়।’
এর আগে সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমীন জানান, জনমতের (৩০ শতাংশ নম্বর) এবং জুরি বোর্ডের মূল্যায়নের (৭০ শতাংশ নম্বর) ভিত্তিতে ১০ জনকে বিজয়ী নির্বাচন করা হয়েছে। এই ১০ জন বিজয়ীই বিএনপি চেয়ারম্যান ও তার কন্যার সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পেয়েছেন।