ছয় সমস্যা সমাধানের পথ দেখিয়ে তাসনিম জারার নির্বাচনী ইশতেহার

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা নিজের ইশতেহার প্রকাশ করেছেন। ইশতেহারে নিজ নির্বাচনী এলাকার ছয়টি সমস্যা চিহ্নিত করে তার সমাধানের পথ দেখিয়েছেন তিনি। শনিবার, (২৪ জানুয়ারী ২০২৬) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেইসবুক পেইজে নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করেন জারা।

পোস্টে ভোটারদের উদ্দেশে তিনি লিখেছেন, ‘ঢাকা-৯ কে অবহেলার দিন শেষ। এই আসনের ভাগ্য বদলাতে আসন্ন নির্বাচনে ফুটবল মার্কায় ভোট দিন। আপনারা আমার শক্তি হোন, আমি আপনাদের কণ্ঠস্বর হব।’

জুলাই অভ্যুত্থানের নেতৃত্বের সামনের কাতারে থাকা তরুণদের গড়া দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছেড়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন চিকিৎসক তাসনিম জারা। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় এই নির্বাচনে তার প্রতীক ফুটবল।

খিলগাঁও, মুগদা, সবুজবাগ ও মান্ডা এলাকা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৯ আসনে মোট নয়জন প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে বিএনপি, এনসিপি এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থীও আছেন। জোটসঙ্গী এনসিপির জন্য জামায়াত ইসলামী এই আসনে প্রার্থী দেয়নি।

তাসনিম জারা ঢাকা-৯ আসনের ছয়টি সমস্যা চিহ্নিত করেছেন এভাবেÑ ১. ‘গ্যাস, রাস্তা ও জলাবদ্ধতা: বাসযোগ্য ঢাকা-৯ চাই।’ ২. ‘স্বাস্থ্য: চিকিৎসায় অবহেলা আর মানবো না।’ ৩. ‘নিরাপত্তা: মাদক সিন্ডিকেট হটিয়ে রাস্তা হবে জনগণের।’ ৪. ‘শিক্ষা: আমাদের সন্তানদের নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা বন্ধ হোক।’ ৫. ‘অর্থনীতি ও জীবিকা: মেধা আমাদের সবার, সুযোগ কেন কেবল ধনীদের?’। ৬. ‘এমপির জবাবদিহিতা: আমি অতিথি পাখি নই, আমি আপনাদের ঘরের মেয়ে।’

প্রতিটি সমস্যার নিচে একাধিক সমাধানের পথও তুলে ধরেছেন যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে পড়ে আসা এই নারী।

ঢাকা-৯ এলাকা বিমাতাসুলভ আচরণের শিকার বলে ফেইসবুক পোস্টে অভিযোগ করেন তাসনিম জারা। তিনি লেখেন, ‘আমরা গুলশান-বনানীর সমান কর দিই, সমান বিল দিই, কিন্তু সেবা পাই তৃতীয় শ্রেণীর। ভোটের সময় নেতারা আসেন, ভোট নেন, তারপর উধাও হয়ে যান। রাষ্ট্র আমাদের এটিএম মেশিন ভাবেন। টাকা নেয়ার সময় আছেন, সেবা দেয়ার সময় নেই। আমি পেশাদার রাজনীতিবিদ নই, আমি এই এলাকার মেয়ে। আমার কথা পরিষ্কার, ঢাকা-৯ কে অবহেলার দিন শেষ। আমরা সমান কর দিই, আমাদের অধিকারও সমান। আমাদের ন্যায্য পাওনা এবার আমরা বুঝে নেব।’

ঢাকা-৯ আসনের বাসিন্দাদের উদ্দেশে তাসনিম জারা লিখেছেন, তিনি পেশাদার রাজনীতিবিদ নন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর স্বচ্ছভাবে রাজনীতি করার ও দেশ গড়ার একটা সুযোগ এসেছে বলেই এই পথে নেমেছেন। তার ইশতেহারও কোনো গতানুগতিক ‘ফাঁকা বুলি’ নয়।

নিজের চিকিৎসক পরিচয় তুলে ধরে তাসনিম জারা লিখেছেন, ‘আপনারা অনেক নেতা দেখেছেন, অনেক প্রতিশ্রুতি শুনেছেন। এবার একজন ডাক্তারকে সুযোগ দিন, যে ডাক্তার জানে রোগ কোথায় আর ওষুধ কোনটা, যে ডাক্তার কথা রাখে, যে ডাক্তার বিপদে পাশে এসে দাঁড়ায়। এমন একজন শিক্ষিত সন্তানকে সুযোগ দিন, যে আপনাদের মাথা নত হতে দেবে না।’

‘রাজনীতি’ : আরও খবর

» ড. মঈন খান ও গোলাম সারোয়ারের প্রচারণায় মুখর নেতাকর্মীরা

» প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের দিয়ে ‘ধানের শীষ’ স্লোগান দেয়া ছাত্রদল নেতাকে অব্যাহতি

» শরীয়তপুরে বিএনপিতে যোগদানের পর ইউপি চেয়ারম্যান ও তার সমর্থকদের বাড়িতে রাতের আঁধারে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ

» পঞ্চগড়-১ আসন, আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে এনসিপির সারজিস ও বিএনপির নওশাদকে শোকজ

» শিশুদের সঠিক বিকাশে প্রাথমিক শিক্ষকদের আরও দক্ষ করার অঙ্গীকার তারেক রহমানের

সম্প্রতি