image

ভোটের সময় ‘শান্তি কমিটি’ গঠনের অভিযোগ বিএনপির, জামায়াত বলছে ‘আজগুবি’

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

বিএনপির তরফ থেকে আসা ভোটের সময় জামায়াতে ইসলামীর ‘শান্তি কমিটি’ গঠনের অভিযোগকে ‘আজগুবি’ আখ্যা দিয়েছেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। তিনি দাবি করেন, এমন অভিযোগ কেবল ‘অসুস্থ মাথা’ থেকেই উঠতে পারে।

রোববার নির্বাচন কমিশনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিনের সাথে বৈঠককালে বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল জামায়াতসহ কিছু দলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার নামে ‘শান্তি কমিটি’ গঠনের পরিকল্পনার অভিযোগ তোলে।

বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান বলেন, “শান্তি কমিটি আমাদের কাছে অপ্রিয়, যদিও আমরা শান্তিবাদী মানুষ। নির্বাচন কমিশন বলেছে, তাদের এ বিষয়ে জানা নেই এবং এমন কমিটি গঠনের কোনো সিদ্ধান্ত তারা নেয়নি।”

বিএনপির বৈঠকের পর একই দিন সন্ধ্যায় জামায়াতে ইসলামীর একটি প্রতিনিধিদলও সিইসির সাথে বৈঠক করে। সেখানেই সাংবাদিকদের ‘শান্তি কমিটি’ বিষয়ক প্রশ্নের জবাবে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, “এসব আজগুবি অভিযোগ কোনো সুস্থ মাথা থেকে আসতে পারে না। কোনো সুস্থ লোক বা সুস্থ দল এ ধরনের অভিযোগ করতে পারে না।”

তিনি আরও বলেন, “জনগণের আমাদের দিকে থাকা বিপুল সমর্থন, পুরুষ-মহিলা সবার প্রত্যাশা দেখে একটি দল অস্থির হয়ে গেছে এবং এরকম সব কথাবার্তা বলছে। এটা তাদের সুস্থতার লক্ষণ নয়। আমরা তাদের সুস্থতার জন্য দোয়া করি।”

তিনি ঢাকায় হাদি ও শেরপুরে রেজাউল হত্যাকাণ্ডকেও শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পথে ‘মারাত্মক অন্তরায়’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

বিএনপির বিভিন্ন অভিযোগ প্রসঙ্গে জুবায়ের বলেন, “একটি দল সবসময় ‘না’-এর পক্ষে থাকে, সবকিছুতেই ‘না’। তবে এবার জনগণই সবকিছুর বিচার করবেন। গণভোটেও তারা ‘না’-এর পক্ষে ছিল, এখন হয়তো ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে চলে এসেছেন।”

‘শান্তি কমিটি’ বলতে ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সাথে সহযোগিতা করা এক দল লোককে বোঝায়। সেসময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সহযোগিতায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয় কিছু লোককে নিয়ে ‘শান্তি কমিটি’ গঠন করা হয়। তারা অনেকেই পাকিস্তানি হানাদার সেনাবাহিনীকে সহযোগিতা করেছিলেন।

‘রাজনীতি’ : আরও খবর

» একান্ত সাক্ষাৎকারে লাঙ্গল মার্কার প্রার্থী সিদ্দিক

সম্প্রতি