image
ছবিঃ সংগৃহীত

নোয়াখালী-২ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীর গাড়িতে গুলির অভিযোগ

প্রতিনিধি, সেনবাগ (নোয়াখালী)

নোয়াখালী-২ (সেনবাগ-সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনে নির্বাচনী প্রচারের সময় স্বতন্ত্র ও ধানের শীষ মার্কার প্রার্থীর গাড়ি ভাঙচুর ও কর্মীকে আহত করার অভিযোগের পাল্টা পাল্টি সংবাদ সম্মেলন করেছে বিএনপির ধানের শীষ মার্কার প্রার্থী জয়নুল আবদিন ফারুক ও স্বতন্ত্র কাপ-পিরিচ মার্কার প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমান। রাত ৯টার দিকে সেনবাগ পৌরভার নিজ নিজ দলীয় কার্যালয়ে ওই সংবাদ সম্মেলন দুটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির ধানের শীষ মার্কার প্রার্থী জয়নুল আবদিন ফারুক অভিযোগ করে বলেন সন্ধ্যার পর তিনি জানতে পারেন তার নির্বাচনী কাজে ব্যবহৃত মাইক্রো ছমির মুন্সিরহাট দিলদার মার্কেট সড়ক দিয়ে ছমির মুন্সিরহাট বাজার অভিমুখে রওযা দিয়ে দিলদার মার্কেট সংলগ্ন স্থানে পৌছলে, স্বতন্ত্র কাপ পিরিচ মার্কার প্রার্থীর কাজী মফিজুর রহমানের ভাড়া করা সন্ত্রাসী বাহিনী তার নির্বাচনী কাজে ব্যবহৃত তিনটি গাড়ি ভাঙচুর করে। এরমধ্যে তার মেয়ে কেন্দ্রীয় মহিলা দলের প্রচার সম্পাদিকা ও সেনবাগ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি তামান্না ফারুক থীমার গাড়ি ভাঙচুর করে ও তাকে প্রাণ নাশের চেষ্ঠা চালায় প্রায় একই সময় কেশারপাড় ইউনিয়নের ধানের শীষ মার্কার প্রধান কনমেনার সেনবাগ পৌরসভা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হুমায়ুন কবির হুমুর গাড়ি ভাঙচুর করে। এসময় তিনি গাড়ি ভাঙচুর ও নেতা-কমীদের ওপর হামলা খবর পেয়ে উত্তর অঞ্চালের সফর বাতিল করে, সেনবাগ পৌর শহরের আসার পথে উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন সড়কে কাজী মফিজুর রহমান দলীয় কার্যালয়ের সামনে পৌছলে তার ভাড়া করা সন্ত্রাসীরা তার গাড়িতে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে ভাঙচুর করে। অপরদিকে রাত সাড়ে ৯টারদিকে স্বতন্ত্র কাপর পিরিচ মার্কার প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমান সাংবাদিক সম্মেলনে অভিযোগ করেন, তিনি কাবিলপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ করেন। বিকেলে ছমির মুন্সিরহাটের গণসংযোগ শেষ করে দিলদার মার্কেটে পৌঁছলে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা তার ব্যবহৃত গাড়ি লক্ষ গুলি ছোড়ে এতে তার গাড়ির গ্লাস ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তিনি প্রশাসনকে সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবী জানান। অপরদিকে দুই প্রার্থীর গাড়ি ভাঙচুরের খবর সেনবাগ উপজেলায় পৌঁছলে উভয় গ্রুপ পাল্টা পাল্টি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। এ সময় উভয়ের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ওই পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটনা ঘটে এতে ধানের শীষ মার্কার ৮ জন ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর ৫ জন আহত হয় বলে উভয় পক্ষ দাবি করেন। পরে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থালে পৌঁছ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় শহরে উত্তেজনা দেখা দিলে বাজারের ক্রেতা সাধারণ ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তের মধ্যে দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করলে সেনবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আবুল বাশার জানান, দিলদার মার্কেটে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমানের গাড়ি লক্ষ্য করে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা ইট ছুড়লে গাড়িটির গ্লাস ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে ওখানে গুলিবর্ষণে কোনো ঘটনা ঘটেনি। এ ছাড়া ওই সময় কাজী মফিজুর রহমানের সমর্থকরা মিন্টু নামের এক ব্যবসায়ী দোকানে স্যাটার ভাঙচুর করেছে।

‘রাজনীতি’ : আরও খবর

» গফরগাঁওয়ের মানুষ টাকার কাছে বিক্রি হয়না,নীতি আদর্শের কাছে বিক্রি হয় -হাবিব-উন-নবী খান

সম্প্রতি