image
গোলাম পরওয়ার আসগার লবি

খুলনা-৫ আসনে জয়ী হতে মরিয়া বিএনপি ও জামায়াতের দুই প্রার্থী

প্রতিনিধি, ডুমুরিয়া (খুলনা)

স্বাধীনতার থেকেই খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া-ফুলতলা) আসনটি আওয়ামী লীগের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো এককভাবে জয়ী হতে মরিয়া বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মাদ আলী আসগার লবি। জামায়াতের প্রার্থী দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

২০০১ সালের নির্বাচনে চারদলীয় জোটের হয়ে এখানে জিতেছিলেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। একই নির্বাচনে খুলনা-২ আসন থেকে জয়ী হয়েছিলেন বিএনপির তৎকালীন চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তিনি ছেড়ে দেওয়ায় উপনির্বাচনে জয়ী হন আলী আসগার লবি। তাকে খুলনা-৫ আসনে মনোনয়ন দেওয়ার পর বিএনপির তৃণমূলের একাংশে অসন্তোষ দেখা দেয়। এই বিরোধের প্রকাশ্যে অবসান হলেও এটি জামায়াতের কাছে সুযোগ হিসেবে দেখা দেয়। নির্বাচন সামনে রেখে এ আসনের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের কদর বেড়েছে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ এই দলের অনেকেই সরাসরি বা গোপনে বিএনপি ও জামায়াতে ভিড়ে গেছেন। স্থানীয় বিশ্লেষকরা বলছেন, অতীতে এ আসনে আওয়ামী লীগের আধিপত্যই তাদের কদর বাড়ার কারণ।

সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, খুলনা-৫ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ২ হাজার ৭৯৮ জন। ১৫০টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ডুমুরিয়ায় ১০৮টি ও ফুলতলায় ৪২টির অবস্থান।

বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ আলী আসগার লবি বলেন, স্থায়ী জলাবদ্ধতা স্থানীয় মানুষের ওপর ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। তাদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে হবে ও নিরাপত্তা দিতে হবে। আমি নির্বাচিত হলে প্রথম কাজ হবে ডুমুরিয়া-ফুলতলার সাধারণ মানুষকে নিয়ে জলাবদ্ধতা নিরসনে পরিকল্পনা করে কাজ শুরু করা।

জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন ডুমুরিয়া-ফুলতলায় জলাবদ্ধতাসহ বহুমুখী সমস্যা রয়েছে। তিনি বলেন, এই আসন নানা অপরাধ আর অনিয়মের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। এর মূল কারণ সুশাসনের অভাব। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে ইনসাফভিত্তিক শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চাই।

‘রাজনীতি’ : আরও খবর

» গফরগাঁওয়ের মানুষ টাকার কাছে বিক্রি হয়না,নীতি আদর্শের কাছে বিক্রি হয় -হাবিব-উন-নবী খান

সম্প্রতি