শেষ মুর্হূতে এসে প্রচার-প্রচারণা তুঙ্গে উঠেছে। কৃষি কাজে পুরুষরা ব্যস্ত থাকায় ভোটের মাঠ যেন এখন নারী ভোটারের দখলে। প্রতিদিন কমপক্ষে পঞ্চশজন হতে দেড়শ নারী কর্মী দলবেধে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রাম-গঞ্জের রাস্তা-ঘাটে, ভোটারের বাড়িতে গিয়ে স্ব স্ব প্রার্থীর পক্ষে ভোট প্রার্থনা এবং হ্যান্ডবিল বিতরণ করছেন। এবারে নারীদের প্রচারণা নতুন ধারার চমক সৃষ্টি করেছে। প্রচারণার দিক থেকে গাইবান্ধা-১ সুন্দরগঞ্জ আসনে ত্রি-মুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ভোটারদের দাবি এই আসনে জামায়াতের মো. মাজেদুর রহমান, জাতীয় পাটির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোস্তফা মহসিন সরদারের মধ্যে লড়াই তবে। এখন পর্যন্ত তেমন অবস্থান তেরি করতে না পারলেও হাল ছাড়েননি বিএনপির প্রার্থী খন্দকার জিয়াউল ইসলাম মোহাম্মদ আলী।
হরিপুর ডাঙ্গার চরের সাধারন ভোটার আব্দুর রাজ্জাক বলেন, এই আসনটি লাঙলের হাত থেকে দাঁড়িপাল্লার কাছে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে লাঙ্গল মরণ কামড় দিয়েছেন আসনটি উদ্ধারের জন্য। সেই সাথে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোস্তফা মহসিন সরদার এমপি হওয়ার জন্য আদাজল খেয়ে দিনরাত নারীদের নিয়ে ভোটের মাঠ ঘুড়ে বেড়াচ্ছেন। বিএনপির প্রার্থী এখন পর্যন্ত তেমন অবস্থান তৈরি করতে পারেননি।
জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী জামায়াতের প্রার্থী মো. মাজেদুর রহমান ও জাতীয় পাটির প্রার্থী ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী। সেইসাথে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোস্তফা মহসিন সরদার হাল ছাড়ছেন না।
জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মোজহারুল ইসলাম বলেন, ভরা বোরো মৌসুমে নির্বাচন শুরু হয়েছে। সে কারনে পুরুষ ভোটাররা কৃষি কাজে ব্যস্ত থাকায় নারী ভোটাররা প্রচার-প্রচারণায় মাঠে নেমে পড়েছেন। এর আগে কখনো নারী ভোটারদেরে মাঠে প্রচারণায় দেখা যায়নি।
প্রার্থীরা উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি, সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করণের ওয়াদা দিয়ে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন।
গাইবান্ধা-১ সুন্দরগঞ্জ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৮জন প্রার্থী। কিন্তু মাঠে প্রচার- প্রচারণায় রয়েছেন মূলত চারজন প্রার্থী। এর মধ্যে জামায়াতের মো. মাজেদুর রহমান, বিএনপির খন্দকার জিয়াউল ইসলাম মোহাম্মদ আলী, জাতীয় পাটির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোস্তফা মহসিন সরদার। অন্য চারজন প্রার্থী পরমানন্দ দাস (বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল), মো. কাওছর আজম হান্নু (আমজনতার দল), মোছা. ছালমা আক্তার (স্বতন্ত্র), মো. রমজান আলীকে (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ) মাঠে তেমন দেখা যাচ্ছে না।
স্ব-স্ব প্রার্থী ও দলীয় নেতাকর্মীরা নিজ নিজ দলের জন্য ভোট এবং দোয়া চাচ্ছেন। তবে এখন পর্যন্ত সাধারণ ভোটাররা কোন মার্কাকে ভোট দেবেন তা নিয়ে মুখ ফুটে বলছেন না। বিভিন্ন ঘুরে ফিরে খোঁজ নিয়ে সাধারণ ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, সংখ্যালঘুসহ সাধারণ ভোটাররা কোন মার্কায় ভোট দিবেন তা বলতে নারাজ।
উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পনের ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় মোট ভোট সংখ্যা ৪ লাখ ১৯ হাজার ১১১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৭ হাজার ৫৭৩ জন, মহিলা ভোটার ২ লাখ ১১ হাজার ৫৩৫ জন, এবং হিজড়া ভোটার ৩ জন। মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১২৩টি। মোট কক্ষের সংখ্যা ৭৭৩টি। এর মধ্যে স্থায়ী কক্ষ ৭০৫টি এবং অস্থায়ী কক্ষ ৬৮টি।
আন্তর্জাতিক: কানাডায় স্কুল ও বাসভবনে বন্দুক হামলায় নিহত ৯
আন্তর্জাতিক: ৫ লক্ষাধিক নথিবিহীন অভিবাসীকে বৈধতা দিচ্ছে স্পেন
অর্থ-বাণিজ্য: ৯ দিনে এলো ১৩৮৪৭ কোটি টাকার প্রবাসী আয়
অর্থ-বাণিজ্য: ৩১৪ কোটি টাকার ওষুধ-চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্রয়ের অনুমোদন