image

"বাধ্য করলে রাজপথই হবে গন্তব্য"

নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা নিয়ে জামায়াত আমিরের "হুঁশিয়ারি"

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ও পরবর্তী পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে।

নির্বাচনের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে নেতাকর্মীদের বাড়িঘর ও সম্পত্তিতে হামলার অ‌ভি‌যো‌গে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান স্পষ্ট সতর্কবার্তা উচ্চারণ করেছেন। তিনি "হুঁশিয়ারি" দিয়ে বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে যদি জামায়াতকে কোনো হঠকারী পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দেওয়া হয় বা রাজপথে নামতে বাধ্য করা হয়, তবে তারা পিছপা হবেন না।

শুক্রবার রাতে রাজধানীর মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই কঠিন অবস্থান ব্যক্ত করেন।

​সংবাদ সম্মেলনে ডা. শফিকুর রহমান উল্লেখ করেন, নির্বাচনে জয়-পরাজয় একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, কিন্তু নির্বাচনের দোহাই দিয়ে পরাজিত বা প্রতিপক্ষ শিবিরের ওপর হামলা চালানো কোনোভাবেই কাম্য নয়।

তিনি দাবি করেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায় তাদের নেতাকর্মীদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হচ্ছে, যা কোনো গণতান্ত্রিক পরিবেশের লক্ষণ নয়।

১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের বৈঠকের পর এ সংবাদ সম্মেলনে তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, যারা নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠনের পথে রয়েছেন, দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার মূল দায়িত্ব তাদেরই। কিন্তু বিজয়ী পক্ষ যদি নমনীয় হওয়ার পরিবর্তে ফ্যাসিবাদী আচরণ শুরু করে, তবে জামায়াতও হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না।

জামায়াত আমির কেবল সতর্কবার্তাই দেননি, বরং দেশের সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে যারা গণভোটে "হ্যাঁ" ভোট দিয়ে রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছেন, তাদের পাশে থাকার নতুন অঙ্গীকার করেছেন। তিনি জানান, জনগণের ম্যান্ডেটকে সম্মান জানিয়ে একটি ইতিবাচক রাজনীতির ধারা শুরু করতে বদ্ধপরিকর, তবে সেই ইচ্ছাকে যদি দুর্বলতা হিসেবে দেখা হয়, তবে রাজপথই হবে তাদের পরবর্তী গন্তব্য।

‘রাজনীতি’ : আরও খবর

» শত্রুর সঙ্গেও যেন বেইনসাফি না হয়: হাসনাত আবদুল্লাহ

» বিদ্রোহীদের কারণে যেসব আসন হাতছাড়া বিএনপির

» এ বিজয় গণতন্ত্রের, এ বিজয় বাংলাদেশের: বিএনপি

সম্প্রতি