image

ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অভিযোগে ৩২ আসনে পুনরায় নির্বাচন চায় জামায়াত

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে দেশের অন্তত ৩২টি আসনে ব্যাপক “ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং” ও কারচুপির অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

দলটির দাবি, এসব আসনে পরিকল্পিতভাবে ফলাফল পরিবর্তন করা হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জামায়াতের পক্ষ থেকে ওই ৩২টি আসনে পুনরায় ভোটগ্রহণের জোর দাবি জানানো হয়েছে।

রোববাব রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনের চার কমিশনার ও সিনিয়র সচিবের সাথে ১১ দলীয় ঐক্যের বৈঠক শেষে তিনি এ সব কথা বলেন।

হামিদুর রহমান আযাদ বলেন,, নির্বাচনের দিন সকাল থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের প্রভাব বিস্তার, ভোটারদের বাধা প্রদান এবং প্রশাসনের সহায়তায় ব্যালট পেপারে সিল মারার মতো ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে যে ৩২টি আসনে জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীরা শক্তিশালী অবস্থানে ছিলেন, সেখানে পরিকল্পিতভাবে কারচুপি করা হয়েছে বলে দলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়।

দলটির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, অনেক কেন্দ্রে বিরোধী দলের পোলিং এজেন্টদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি এবং যাদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়েছিল, তাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচনের পরিবেশকে প্রশ্নবিদ্ধ উল্লেখ করে তিনি বলেন, সাধারণ ভোটাররা কেন্দ্রে গেলেও তাদের বলা হয়েছে ভোট দেওয়া হয়ে গেছে। এই প্রক্রিয়াকে তারা জনগণের রায়ের সাথে “প্রহসন” বলে অভিহিত করেছেন।

হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ৩২টি আসনের নির্বাচনী ফলাফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, সেখানে ভোটের সংখ্যার চেয়ে প্রাপ্ত ভোটের হিসাবে ব্যাপক অসংগতি রয়েছে। জামায়াত মনে করে, ডিজিটাল এবং ম্যানুয়াল—উভয় পদ্ধতি ব্যবহার করে ভোটের ফলাফল পাল্টে দেওয়া হয়েছে, যা একটি সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য চরম হুমকিস্বরূপ। দলটির পক্ষ থেকে অবিলম্বে এই ৩২টি আসনের নির্বাচনী ফলাফল বাতিল করে নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতিতে পুনরায় স্বচ্ছ ভোট আয়োজনের দাবি জানানো হয়েছে।

‘রাজনীতি’ : আরও খবর

সম্প্রতি