আর্জেন্টিনার জয়োল্লাস
আর্জেন্টিনার এই জয় বাংলাদেশেরও, বললেন ফার্নান্দেস
ব্রাজিলকে গুঁড়িয়ে দেয়ার পর এঞ্জো ফার্নান্দেসের উচ্ছ্বাস নানাভাবেই ফুটে উঠছে সামাজিক মাধ্যমে। সেই আনন্দের জোয়ারে আছে বাংলাদেশের প্রতি ভালোবাসার স্রোতও। অবিশ্বাস্য সমর্থনের জন্য বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার।
এই জয়ে বড় অবদান ছিল ফার্নান্দেসের। দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন চেলসির এই মিডফিল্ডার।
ম্যাচের পর সামাজিক মাধ্যমে ফার্নান্দেসের প্রথম বার্তাটি ছিল রাফিনিয়ার জন্য। ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড ম্যাচের আগে বলেছিলেন, ‘আর্জেন্টিনাকে আমরা হারাবো অবশ্যই! পর্যদুস্ত করবো ওদের, মাঠের ভেতরে এবং প্রয়োজন পড়লে মাঠের বাইরে। আমি গোল করবো নিজের সবকিছু নিয়েই নামছি আমি।’
‘অবিশ্বাস্য সমর্থন ও বার্তাগুলোর জন্য ধন্যবাদ বাংলাদেশ, এই জয় আপনাদেরও।’ সেখানে পাশাপাশি ছিল আর্জেন্টিনা ও বাংলাদেশর পতাকা।
এঞ্জো ফার্নান্দেস ও আর্জেন্টাইন ফুটবলারদের প্রায় সবার প্রতিটি পোস্টেই বাংলাদেশের মানুষের সম্পৃক্ততা দেখা যায় প্রবল। গত জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের সময় বাংলাদেশের মানুষের প্রতি সংহতি জানিয়ে দুই দফায় পোস্ট করেছিলেন এই মিডফিল্ডার।
আর্জেন্টিনার ফুটবল দলের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের অনুরাগ অনেক বছর ধরেই চলে আসছে। তবে গত বিশ্বকাপের সময়কার উন্মাদনা থেকেই এটা ভালোভাবে জানতে পেরেছেন আর্জেন্টিনার ফুটবলাররা ও সে দেশের অনেক মানুষ।
মর্যাদার লড়াইয়ে ব্রাজিলকে উড়িয়ে দিয়ে চতুর্থ দেশ হিসেবে বিশ্বকাপের টিকেট পেল আর্জেন্টিনা। বুধবার ভোরে (বাংলাদেশ সময়) বুয়েন্স আইরেসে হওয়া এই ম্যাচে আর্জেন্টিনা আগাগোড়া দাপট দেখিয়ে ব্রাজিলকে ৪-১ গোল বিধ্বস্ত করে। আগামী ২০২৬ বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন করতে ব্রাজিলের বিপক্ষে মাত্র এক পয়েন্ট দরকার ছিল আর্জেন্টিনার। কোচ স্কালোনির ছেলেরা মাঠ ছাড়লেন তিন পয়েন্ট নিয়েই। এই নিয়ে বিশ্বকাপে চারটি দেশ যোগ্যতা অর্জন করলো। জাপান, নিউজিল্যান্ড, ইরানের পর আমেরিকার টিকেট নিশ্চিত করলো আর্জেন্টিনাও। আর ব্রাজিলের যোগ্যতা অর্জন এখনও ঝুলে রইল।
বুধবার ম্যাচে আর্জেন্টিনা এগিয়ে যায় চার মিনিটে। বক্সের বাইরে পাশ পেয়েছিলেন আর্জেন্টিনার জুলিয়ান আলভারেজ। ব্রাজিলের ডিফেন্ডারদের এড়িয়ে কোনো মতে বল নিজের দখলে রাখেন। এর পর জোরালো শটে পরাস্ত করেন ব্রাজিল গোলরক্ষক বেন্টোকে।
আর্জেন্টিনা দ্বিতীয় গোল করে ১২ মিনিটে। বক্সের বাইরে বল পেয়ে ক্রস করেছিলেন নাহুয়েল মোলিনা। ব্রাজিলের রক্ষণ তা ক্লিয়ার করতে পারেনি। ব্রাজিলের ডিফেন্ডারদের পায়ে লেগে তা পৌঁছায় এনজো ফার্নান্দেজের কাছে। তিনি খুব কাছ থেকে শটে গোল করেন।
১২ মিনিটে দু’গোলে এগিয়ে গিয়ে উত্তাল হয়ে পড়ে আর্জেন্টিনার মনুমেন্টাল স্টেডিয়াম। সমর্থকেরা ‘ওলে ওলে’ গান গাইতে শুরু করে দেন। চোটের কারণে এই ম্যাচে মেসি বা নেইমার কেউই ছিলেন না। মেসিকে ছাড়াও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের বিনোদনের কোনো অভাব হয়নি। এতটাই ভালো খেলছিলেন বাকি ফুটবলারেরা। অন্য দিকে, ব্রাজিলের খেলা ছিল বেশ ছন্নছাড়া । দলে কার কী দায়িত্ব, সেটাই কেউ বুঝতে পারছিলেন না। গোটা ম্যাচেই তা স্পষ্ট বোঝা গেল। ভিনিসিয়ুস, রদ্রিগোদের সে ভাবে খুঁজেই পাওয়া গেল না। তবু ব্রাজিল একটি গোল শোধ করে ২৬ মিনিটে। এর জন্য দায়ী আর্জেন্টিনার রোমেরো। বল পেয়ে তিনি অনায়াসে কোনো সতীর্থকে পাস দিতে পারতেন। তা না করে অকারণে বেশি ক্ষণ পায়ে বল রাখতে গেলেন। সেই সময় ম্যাথিউস কুনহা তার পা থেকে বল কেড়ে নেন। আর্জেন্টিনার বক্সের মধ্যে ঢুকে ঠান্ডা মাথায় পরাস্ত করেন এমিলিয়ানো মার্তিনেসকে।
আর্জেন্টিনা তৃতীয় গোল করে প্রথমার্ধেই, ছোট কর্নার থেকে। তারা ব্রাজিলের গোলমুখ খোলার চেষ্টা করতে থাকে। এনজো বল পেয়েছিলেন বক্সের বাইরে। তিনি বল ভাসালে প্রথম প্রয়াসেই গোল করেন আলেক্সিস ম্যাক আলিস্টার। এর পরেই দুই দলের ফুটবলারদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা যায়। নিকোলাস ট্যাগলিয়াফিকোর একটি ফাউলের পর ধাক্কাধাক্কিতে জড়িয়ে পড়েন রাফিনহা। যদিও রেফারি পরিস্থিতি সামাল দেন। বিরতির পরেও ঝামেলা হয়। খেলোয়াড়েরা মাঠ ছাড়ার সময় রোমেরোর সঙ্গে ঝামেলা করেন রাফিনহা।
বিরতির পর ব্রাজিল ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে। বেশ কিছু সুযোগ তৈরি করেও তারা কাজে লাগাতে পারেনি। অন্য দিকে, আর্জেন্টিনা চেষ্টা করেই যাচ্ছিল ব্যবধান বাড়ানোর। ব্রাজিলের দুর্বল রক্ষণের সুযোগ নিয়ে কয়েক বার গোলমুখ খুলেও ফেলেছিল। তবে গোল করতে পারেনি। সেই প্রয়াস সফল হয় ৭১ মিনিটে।
ঠিক তিন মিনিট আগে বদলি হিসেবে নেমেছিলেন জিউলিয়ানো সিমিয়োনে, যিনি অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের কোচ তথা আর্জেন্টিনার সাবেক ফুটবলার দিয়েগো সিমিওনের ছেলে। মাঠে নামার সঙ্গে সঙ্গে গোল করেন তিনি। বাঁ দিক থেকে একটি ক্রস ব্রাজিলের বক্সে ভেসে এসেছিল। আর্জেন্টিনার কেউ পাননি। বল বেরিয়েই যাচ্ছিল। হঠাৎ ডান দিক থেকে ছুটে এসে ব্রাজিল ফুটবলারদের অসতর্কতার সুযোগে জোরালো শটে বল জালে জড়ান সিমিয়োনে। তত ক্ষণে অবশ্য ব্রাজিলের পরাজয় নিশ্চিত হয়েই গিয়েছিল। এই জয়ের মাধ্যমে বাছাইপর্বে চার ম্যাচ হাতে রেখে আগামী বছর যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নিল লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা।
১৪ ম্যাচে ৩১ পয়েন্ট নিয়ে ১০ দলের বাছাইপর্বে শীর্ষে অবস্থান করছে আর্জেন্টিনা। ব্রাজিল রয়েছে চতুর্থ স্থানে। টেবিলের শীর্ষ ছয়টি দল সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাবে। দক্ষিণ আমেরিকান অঞ্চলের অপর ম্যাচে সান্তিয়াগোতে চিলির সঙ্গে গোলশুন্য ড্র করে ইকুয়েডর বিশ্বকাপে খেলার আশা টিকিয়ে রেখেছে। আর্জেন্টিনার থেকে ৮ পয়েন্ট পিছিয়ে ২৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইকুয়েডর।
বলিভিয়ার সঙ্গে ড্র ও ব্রাজিলের বড় পরাজয়ে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে উরুগুয়ে।
এদিকে ঘরের মাঠে প্যারাগুয়ের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করে শীর্ষ দলগুলোর সঙ্গে পার্থক্য কমানোর সুযোগ হাতছাড়া করেছে কলম্বিয়া।
পেরুকে ১-০ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন টিকিয়ে রেখেছে ভেনেজুয়েলা। এই মুহূর্তে টেবিলের সপ্তম স্থানে রয়েছে ভেনেজুয়েলা।
আর্জেন্টিনার জয়োল্লাস
বুধবার, ২৬ মার্চ ২০২৫
আর্জেন্টিনার এই জয় বাংলাদেশেরও, বললেন ফার্নান্দেস
ব্রাজিলকে গুঁড়িয়ে দেয়ার পর এঞ্জো ফার্নান্দেসের উচ্ছ্বাস নানাভাবেই ফুটে উঠছে সামাজিক মাধ্যমে। সেই আনন্দের জোয়ারে আছে বাংলাদেশের প্রতি ভালোবাসার স্রোতও। অবিশ্বাস্য সমর্থনের জন্য বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার।
এই জয়ে বড় অবদান ছিল ফার্নান্দেসের। দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন চেলসির এই মিডফিল্ডার।
ম্যাচের পর সামাজিক মাধ্যমে ফার্নান্দেসের প্রথম বার্তাটি ছিল রাফিনিয়ার জন্য। ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড ম্যাচের আগে বলেছিলেন, ‘আর্জেন্টিনাকে আমরা হারাবো অবশ্যই! পর্যদুস্ত করবো ওদের, মাঠের ভেতরে এবং প্রয়োজন পড়লে মাঠের বাইরে। আমি গোল করবো নিজের সবকিছু নিয়েই নামছি আমি।’
‘অবিশ্বাস্য সমর্থন ও বার্তাগুলোর জন্য ধন্যবাদ বাংলাদেশ, এই জয় আপনাদেরও।’ সেখানে পাশাপাশি ছিল আর্জেন্টিনা ও বাংলাদেশর পতাকা।
এঞ্জো ফার্নান্দেস ও আর্জেন্টাইন ফুটবলারদের প্রায় সবার প্রতিটি পোস্টেই বাংলাদেশের মানুষের সম্পৃক্ততা দেখা যায় প্রবল। গত জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের সময় বাংলাদেশের মানুষের প্রতি সংহতি জানিয়ে দুই দফায় পোস্ট করেছিলেন এই মিডফিল্ডার।
আর্জেন্টিনার ফুটবল দলের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের অনুরাগ অনেক বছর ধরেই চলে আসছে। তবে গত বিশ্বকাপের সময়কার উন্মাদনা থেকেই এটা ভালোভাবে জানতে পেরেছেন আর্জেন্টিনার ফুটবলাররা ও সে দেশের অনেক মানুষ।
মর্যাদার লড়াইয়ে ব্রাজিলকে উড়িয়ে দিয়ে চতুর্থ দেশ হিসেবে বিশ্বকাপের টিকেট পেল আর্জেন্টিনা। বুধবার ভোরে (বাংলাদেশ সময়) বুয়েন্স আইরেসে হওয়া এই ম্যাচে আর্জেন্টিনা আগাগোড়া দাপট দেখিয়ে ব্রাজিলকে ৪-১ গোল বিধ্বস্ত করে। আগামী ২০২৬ বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন করতে ব্রাজিলের বিপক্ষে মাত্র এক পয়েন্ট দরকার ছিল আর্জেন্টিনার। কোচ স্কালোনির ছেলেরা মাঠ ছাড়লেন তিন পয়েন্ট নিয়েই। এই নিয়ে বিশ্বকাপে চারটি দেশ যোগ্যতা অর্জন করলো। জাপান, নিউজিল্যান্ড, ইরানের পর আমেরিকার টিকেট নিশ্চিত করলো আর্জেন্টিনাও। আর ব্রাজিলের যোগ্যতা অর্জন এখনও ঝুলে রইল।
বুধবার ম্যাচে আর্জেন্টিনা এগিয়ে যায় চার মিনিটে। বক্সের বাইরে পাশ পেয়েছিলেন আর্জেন্টিনার জুলিয়ান আলভারেজ। ব্রাজিলের ডিফেন্ডারদের এড়িয়ে কোনো মতে বল নিজের দখলে রাখেন। এর পর জোরালো শটে পরাস্ত করেন ব্রাজিল গোলরক্ষক বেন্টোকে।
আর্জেন্টিনা দ্বিতীয় গোল করে ১২ মিনিটে। বক্সের বাইরে বল পেয়ে ক্রস করেছিলেন নাহুয়েল মোলিনা। ব্রাজিলের রক্ষণ তা ক্লিয়ার করতে পারেনি। ব্রাজিলের ডিফেন্ডারদের পায়ে লেগে তা পৌঁছায় এনজো ফার্নান্দেজের কাছে। তিনি খুব কাছ থেকে শটে গোল করেন।
১২ মিনিটে দু’গোলে এগিয়ে গিয়ে উত্তাল হয়ে পড়ে আর্জেন্টিনার মনুমেন্টাল স্টেডিয়াম। সমর্থকেরা ‘ওলে ওলে’ গান গাইতে শুরু করে দেন। চোটের কারণে এই ম্যাচে মেসি বা নেইমার কেউই ছিলেন না। মেসিকে ছাড়াও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের বিনোদনের কোনো অভাব হয়নি। এতটাই ভালো খেলছিলেন বাকি ফুটবলারেরা। অন্য দিকে, ব্রাজিলের খেলা ছিল বেশ ছন্নছাড়া । দলে কার কী দায়িত্ব, সেটাই কেউ বুঝতে পারছিলেন না। গোটা ম্যাচেই তা স্পষ্ট বোঝা গেল। ভিনিসিয়ুস, রদ্রিগোদের সে ভাবে খুঁজেই পাওয়া গেল না। তবু ব্রাজিল একটি গোল শোধ করে ২৬ মিনিটে। এর জন্য দায়ী আর্জেন্টিনার রোমেরো। বল পেয়ে তিনি অনায়াসে কোনো সতীর্থকে পাস দিতে পারতেন। তা না করে অকারণে বেশি ক্ষণ পায়ে বল রাখতে গেলেন। সেই সময় ম্যাথিউস কুনহা তার পা থেকে বল কেড়ে নেন। আর্জেন্টিনার বক্সের মধ্যে ঢুকে ঠান্ডা মাথায় পরাস্ত করেন এমিলিয়ানো মার্তিনেসকে।
আর্জেন্টিনা তৃতীয় গোল করে প্রথমার্ধেই, ছোট কর্নার থেকে। তারা ব্রাজিলের গোলমুখ খোলার চেষ্টা করতে থাকে। এনজো বল পেয়েছিলেন বক্সের বাইরে। তিনি বল ভাসালে প্রথম প্রয়াসেই গোল করেন আলেক্সিস ম্যাক আলিস্টার। এর পরেই দুই দলের ফুটবলারদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা যায়। নিকোলাস ট্যাগলিয়াফিকোর একটি ফাউলের পর ধাক্কাধাক্কিতে জড়িয়ে পড়েন রাফিনহা। যদিও রেফারি পরিস্থিতি সামাল দেন। বিরতির পরেও ঝামেলা হয়। খেলোয়াড়েরা মাঠ ছাড়ার সময় রোমেরোর সঙ্গে ঝামেলা করেন রাফিনহা।
বিরতির পর ব্রাজিল ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে। বেশ কিছু সুযোগ তৈরি করেও তারা কাজে লাগাতে পারেনি। অন্য দিকে, আর্জেন্টিনা চেষ্টা করেই যাচ্ছিল ব্যবধান বাড়ানোর। ব্রাজিলের দুর্বল রক্ষণের সুযোগ নিয়ে কয়েক বার গোলমুখ খুলেও ফেলেছিল। তবে গোল করতে পারেনি। সেই প্রয়াস সফল হয় ৭১ মিনিটে।
ঠিক তিন মিনিট আগে বদলি হিসেবে নেমেছিলেন জিউলিয়ানো সিমিয়োনে, যিনি অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের কোচ তথা আর্জেন্টিনার সাবেক ফুটবলার দিয়েগো সিমিওনের ছেলে। মাঠে নামার সঙ্গে সঙ্গে গোল করেন তিনি। বাঁ দিক থেকে একটি ক্রস ব্রাজিলের বক্সে ভেসে এসেছিল। আর্জেন্টিনার কেউ পাননি। বল বেরিয়েই যাচ্ছিল। হঠাৎ ডান দিক থেকে ছুটে এসে ব্রাজিল ফুটবলারদের অসতর্কতার সুযোগে জোরালো শটে বল জালে জড়ান সিমিয়োনে। তত ক্ষণে অবশ্য ব্রাজিলের পরাজয় নিশ্চিত হয়েই গিয়েছিল। এই জয়ের মাধ্যমে বাছাইপর্বে চার ম্যাচ হাতে রেখে আগামী বছর যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নিল লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা।
১৪ ম্যাচে ৩১ পয়েন্ট নিয়ে ১০ দলের বাছাইপর্বে শীর্ষে অবস্থান করছে আর্জেন্টিনা। ব্রাজিল রয়েছে চতুর্থ স্থানে। টেবিলের শীর্ষ ছয়টি দল সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাবে। দক্ষিণ আমেরিকান অঞ্চলের অপর ম্যাচে সান্তিয়াগোতে চিলির সঙ্গে গোলশুন্য ড্র করে ইকুয়েডর বিশ্বকাপে খেলার আশা টিকিয়ে রেখেছে। আর্জেন্টিনার থেকে ৮ পয়েন্ট পিছিয়ে ২৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইকুয়েডর।
বলিভিয়ার সঙ্গে ড্র ও ব্রাজিলের বড় পরাজয়ে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে উরুগুয়ে।
এদিকে ঘরের মাঠে প্যারাগুয়ের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করে শীর্ষ দলগুলোর সঙ্গে পার্থক্য কমানোর সুযোগ হাতছাড়া করেছে কলম্বিয়া।
পেরুকে ১-০ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন টিকিয়ে রেখেছে ভেনেজুয়েলা। এই মুহূর্তে টেবিলের সপ্তম স্থানে রয়েছে ভেনেজুয়েলা।