মেসির ক্যারিয়ারে আরও একটি ট্রফি
ইন্টার মায়ামির শিরোপা উদযাপন
এমএলএস কাপের ইস্টার্ন কনফারেন্সের ফাইনালে জিতল ইন্টার মায়ামি। এই জয়ের সুবাদে প্রথমবার এমএলএস কাপ প্লে-অফে খেলার সুযোগ পেল তারা।
রোববার,(৩০ নভেম্বর ২০২৫) (বাংলাদেশ সময় সকালে) নিউইয়র্ক সিটি এফসিকে হারিয়ে মেসি তার কেরিয়ারে আরও একটি ট্রফি জিতলেন। তাছাড়া, সামনে আরও একটি ট্রফি জয়ের সুযোগ এলো তার কাছে।
তবে এদিন ফাইনাল জিতলেও বিতর্কে জড়ালেন লিওনেল মেসি। প্রতিপক্ষের আর এক আর্জেন্টাইন ম্যাক্সিমিলিয়ানো মোরালেজের সঙ্গে উত্তপ্ত বাকবিত-ায় জড়িয়ে পড়লেন তিনি। গতকাল শনিবার ম্যাচের শুরুতেই এই ঘটনা ঘটে। ইন্টার মায়ামির অধিনায়ক মেসি ডিফেন্ডার ফালকনের ওপর মোরালেজের ফাউলে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান। এই নিয়ে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনা ছড়ায়। কিন্তু মেসি দ্রুত নিজেকে নিয়ন্ত্রণে আনেন। সারা ম্যাচে অবশ্য আর বড় কোনো ঘটনা ঘটেনি। গোটা ম্যাচ অন্য কোনো বড় সংঘাত ছাড়াই চালিয়ে যান রেফারি। এদিন ইন্টার মায়ামি ইতিহাস গড়ে প্রথমবারের মতো এমএলএস কাপ ফাইনালে উঠেছে।
নিউইয়র্ক সিটি এফসিকে ৫-১ ব্যবধানে পরাজিত করে ফাইনালের টিকেট নিশ্চিত করে মায়ামি। ফলে ৬ ডিসেম্বর চেস স্টেডিয়ামে ফাইনালটি তারা আয়োজক হিসেবে খেলবে। ওয়েস্টার্ন কনফারেন্সে ফাইনালের বিজয়ী সান দিয়েগো এফসি বা ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটক্যাপস তাদের প্রতিপক্ষ হতে চলেছে। এদিন তাদের আলেন্দে ছিলেন ম্যাচের নায়ক।
দুর্দান্ত একটি হ্যাটট্রিক করে তিনি প্লে-অফে নিজের গোল সংখ্যা নিয়ে গেলেন আটে, যা চলতি মৌসুমে সর্বোচ্চ। দ্বিতীয়ার্ধে মাতো সিলভেত্তি ও তেলাসকো সেগোভিয়া আরও একটি করে গোল যোগ করে মায়ামির একপেশে জয় নিশ্চিত করেন।
আক্রমণভাগের গভীরতা ও ট্যাকটিক্যাল ফুটবলে মায়ামি বারবার নিউইয়র্কের রক্ষণভাগকে বিব্রত করছিল। মেসিও ছিলেন দুর্দান্ত ফর্মে। ম্যাচে একটি অ্যাসিস্ট করে তিনি প্লে-অফে মোট গোল এবং অ্যাসিস্টের সংখ্যাকে নিয়ে যান ১৩-তে (৬ গোল, ৭ অ্যাসিস্ট) এবং সেটাও মাত্র পাঁচ ম্যাচে। তার ধারাবাহিক পারফরম্যান্সই মায়ামির ইতিহাস গড়ার অন্যতম মূল চালিকাশক্তি। কৌশলগতভাবেও ইন্টার মায়ামি ছিল প্রভাবশালী।
গোটা মৌসুমের ফর্মকে ধরে রেখে তারা ভারসাম্যপূর্ণ আক্রমণ, শৃঙ্খলাবদ্ধ রক্ষণ এবং সংগঠিত প্রেসিংয়ের মাধ্যমে এনওয়াইসিএফসিকে পুরো ম্যাচজুড়ে চাপে রাখে। বিরতির পর কৌশল বদল করেও এনওয়াইসিএফসি ম্যাচের গতি ফেরাতে ব্যর্থ হয়। এই জয়ের ফলে মেসির সামনে খুলে গেল কেরিয়ারের ৪৭তম ট্রফি জয়ের সম্ভাবনাও।
ইপেপার
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
নগর-মহানগর
খেলা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
শিক্ষা
অর্থ-বাণিজ্য
সংস্কৃতি
ক্যাম্পাস
মিডিয়া
অপরাধ ও দুর্নীতি
রাজনীতি
শোক ও স্মরন
প্রবাস
নারীর প্রতি সহিংসতা
বিনোদন
সম্পাদকীয়
উপ-সম্পাদকীয়
মুক্ত আলোচনা
চিঠিপত্র
পাঠকের চিঠি
মেসির ক্যারিয়ারে আরও একটি ট্রফি
ইন্টার মায়ামির শিরোপা উদযাপন
রোববার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
এমএলএস কাপের ইস্টার্ন কনফারেন্সের ফাইনালে জিতল ইন্টার মায়ামি। এই জয়ের সুবাদে প্রথমবার এমএলএস কাপ প্লে-অফে খেলার সুযোগ পেল তারা।
রোববার,(৩০ নভেম্বর ২০২৫) (বাংলাদেশ সময় সকালে) নিউইয়র্ক সিটি এফসিকে হারিয়ে মেসি তার কেরিয়ারে আরও একটি ট্রফি জিতলেন। তাছাড়া, সামনে আরও একটি ট্রফি জয়ের সুযোগ এলো তার কাছে।
তবে এদিন ফাইনাল জিতলেও বিতর্কে জড়ালেন লিওনেল মেসি। প্রতিপক্ষের আর এক আর্জেন্টাইন ম্যাক্সিমিলিয়ানো মোরালেজের সঙ্গে উত্তপ্ত বাকবিত-ায় জড়িয়ে পড়লেন তিনি। গতকাল শনিবার ম্যাচের শুরুতেই এই ঘটনা ঘটে। ইন্টার মায়ামির অধিনায়ক মেসি ডিফেন্ডার ফালকনের ওপর মোরালেজের ফাউলে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান। এই নিয়ে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনা ছড়ায়। কিন্তু মেসি দ্রুত নিজেকে নিয়ন্ত্রণে আনেন। সারা ম্যাচে অবশ্য আর বড় কোনো ঘটনা ঘটেনি। গোটা ম্যাচ অন্য কোনো বড় সংঘাত ছাড়াই চালিয়ে যান রেফারি। এদিন ইন্টার মায়ামি ইতিহাস গড়ে প্রথমবারের মতো এমএলএস কাপ ফাইনালে উঠেছে।
নিউইয়র্ক সিটি এফসিকে ৫-১ ব্যবধানে পরাজিত করে ফাইনালের টিকেট নিশ্চিত করে মায়ামি। ফলে ৬ ডিসেম্বর চেস স্টেডিয়ামে ফাইনালটি তারা আয়োজক হিসেবে খেলবে। ওয়েস্টার্ন কনফারেন্সে ফাইনালের বিজয়ী সান দিয়েগো এফসি বা ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটক্যাপস তাদের প্রতিপক্ষ হতে চলেছে। এদিন তাদের আলেন্দে ছিলেন ম্যাচের নায়ক।
দুর্দান্ত একটি হ্যাটট্রিক করে তিনি প্লে-অফে নিজের গোল সংখ্যা নিয়ে গেলেন আটে, যা চলতি মৌসুমে সর্বোচ্চ। দ্বিতীয়ার্ধে মাতো সিলভেত্তি ও তেলাসকো সেগোভিয়া আরও একটি করে গোল যোগ করে মায়ামির একপেশে জয় নিশ্চিত করেন।
আক্রমণভাগের গভীরতা ও ট্যাকটিক্যাল ফুটবলে মায়ামি বারবার নিউইয়র্কের রক্ষণভাগকে বিব্রত করছিল। মেসিও ছিলেন দুর্দান্ত ফর্মে। ম্যাচে একটি অ্যাসিস্ট করে তিনি প্লে-অফে মোট গোল এবং অ্যাসিস্টের সংখ্যাকে নিয়ে যান ১৩-তে (৬ গোল, ৭ অ্যাসিস্ট) এবং সেটাও মাত্র পাঁচ ম্যাচে। তার ধারাবাহিক পারফরম্যান্সই মায়ামির ইতিহাস গড়ার অন্যতম মূল চালিকাশক্তি। কৌশলগতভাবেও ইন্টার মায়ামি ছিল প্রভাবশালী।
গোটা মৌসুমের ফর্মকে ধরে রেখে তারা ভারসাম্যপূর্ণ আক্রমণ, শৃঙ্খলাবদ্ধ রক্ষণ এবং সংগঠিত প্রেসিংয়ের মাধ্যমে এনওয়াইসিএফসিকে পুরো ম্যাচজুড়ে চাপে রাখে। বিরতির পর কৌশল বদল করেও এনওয়াইসিএফসি ম্যাচের গতি ফেরাতে ব্যর্থ হয়। এই জয়ের ফলে মেসির সামনে খুলে গেল কেরিয়ারের ৪৭তম ট্রফি জয়ের সম্ভাবনাও।