ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের শিরোপা জিতলো স্বাগতিক পাকিস্তান। গতকাল শনিবার রাতে রাওয়ালপিন্ডিতে অনুষ্ঠিত ফাইনালে পাকিস্তান ৬ উইকেটে হারায় শ্রীলঙ্কাকে। এই নিয়ে চতুর্থবার ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের শিরোপা জিতলো পাকিস্তান।
টস জিতে বোলিং নেয় পাকিস্তান। ১৬ রানে শেষ ৮ উইকেট হারিয়ে ১৯.১ ওভারে ১১৪ রানে গুটিয়ে যায় লঙ্কানরা। দলটির শেষ আট ব্যাটারের কেউই দু’অংকে পা রাখতে পারেননি।
সর্বোচ্চ ৫৯ রান করেন মিশারা। তার ৪৭ বলের ইনিংসে ২টি চার ও ৪টি ছক্কা ছিল।
পাকিস্তানের পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি ও নাওয়াজ ৩টি করে এবং আবরার আহমেদ ২ উইকেট নেন।
জবাবে উদ্বোধনী জুটিতে ৪৫ বলে ৪৬ রান তুলেন দুই ওপেনার শাহিবজাদা ফারহান ও সাইম আইয়ুব। ফারহান ২৩ ও সাইম ৩৬ রানে ফেরার পর পাকিস্তানের জয়ের পথ তৈরি করেন বাবর আজম।
অধিনায়ক সালমান আগা ১৪ ও ফখর জামান ৩ রানে আউট হলে, উইকেটরক্ষক উসমান খানকে নিয়ে পাকিস্তানের জয় নিশ্চিত করেন বাবর। উসমান ৩ ও বাবর ৩৭ রানে অপরাজিত থাকেন।
ম্যাচ ও সিরিজ সেরা হয়েছেন নাওয়াজ। ফাইনালে ১৭ রানে ৩ উইকেট এবং সিরিজে ১০ উইকেটের পাশাপাশি ৫২ রান করেন তিনি।
ইপেপার
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
নগর-মহানগর
খেলা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
শিক্ষা
অর্থ-বাণিজ্য
সংস্কৃতি
ক্যাম্পাস
মিডিয়া
অপরাধ ও দুর্নীতি
রাজনীতি
শোক ও স্মরন
প্রবাস
নারীর প্রতি সহিংসতা
বিনোদন
সম্পাদকীয়
উপ-সম্পাদকীয়
মুক্ত আলোচনা
চিঠিপত্র
পাঠকের চিঠি
রোববার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের শিরোপা জিতলো স্বাগতিক পাকিস্তান। গতকাল শনিবার রাতে রাওয়ালপিন্ডিতে অনুষ্ঠিত ফাইনালে পাকিস্তান ৬ উইকেটে হারায় শ্রীলঙ্কাকে। এই নিয়ে চতুর্থবার ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের শিরোপা জিতলো পাকিস্তান।
টস জিতে বোলিং নেয় পাকিস্তান। ১৬ রানে শেষ ৮ উইকেট হারিয়ে ১৯.১ ওভারে ১১৪ রানে গুটিয়ে যায় লঙ্কানরা। দলটির শেষ আট ব্যাটারের কেউই দু’অংকে পা রাখতে পারেননি।
সর্বোচ্চ ৫৯ রান করেন মিশারা। তার ৪৭ বলের ইনিংসে ২টি চার ও ৪টি ছক্কা ছিল।
পাকিস্তানের পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি ও নাওয়াজ ৩টি করে এবং আবরার আহমেদ ২ উইকেট নেন।
জবাবে উদ্বোধনী জুটিতে ৪৫ বলে ৪৬ রান তুলেন দুই ওপেনার শাহিবজাদা ফারহান ও সাইম আইয়ুব। ফারহান ২৩ ও সাইম ৩৬ রানে ফেরার পর পাকিস্তানের জয়ের পথ তৈরি করেন বাবর আজম।
অধিনায়ক সালমান আগা ১৪ ও ফখর জামান ৩ রানে আউট হলে, উইকেটরক্ষক উসমান খানকে নিয়ে পাকিস্তানের জয় নিশ্চিত করেন বাবর। উসমান ৩ ও বাবর ৩৭ রানে অপরাজিত থাকেন।
ম্যাচ ও সিরিজ সেরা হয়েছেন নাওয়াজ। ফাইনালে ১৭ রানে ৩ উইকেট এবং সিরিজে ১০ উইকেটের পাশাপাশি ৫২ রান করেন তিনি।