নাঈম শেখ
বিপিএল নিলামের প্রথম ডাকেই কাড়াকাড়ি পড়ে গেল মোহাম্মদ নাঈম শেখকে নিয়ে। ভিত্তিমূল্য থেকে ১৩ ধাপ পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত থামলো সেই লড়াই। ততক্ষণে তার পারিশ্রমিক হয়ে গেছে দ্বিগুণের বেশি! তবে অতটা লড়াই হয়নি জাতীয় টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন কুমার দাসকে নিয়ে। ‘এ’ ক্যাটাগরিতে নাঈমের ভিত্তিমূল্য ছিল ৫০ লাখ টাকা। তাকে ১ কোটি ১০ লাখ টাকায় দলে পায় নতুন দল চট্টগ্রাম রয়্যালস। একই ক্যাটাগরি ও সমান ভিত্তিমূল্যের লিটনকে ৭০ লাখ টাকায় পেয়ে যায় রংপুর রাইডার্স।
লড়াই জমে ওঠে তাওহিদ হৃদয়কে নিয়েও। ‘বি’ ক্যাটাগরিতে ৩৫ লাখ ভিত্তিমূল্যের এ ব্যাটসম্যানকে ৯২ লাখ টাকায় দলে নেয় রংপুর রাইডার্স।
আগ্রাসী ব্যাটসম্যান শামীম হোসেনকে ৫৬ লাখ টাকায় নিয়েছে ঢাকা ক্যাপিটালস।
প্রথম ডাকে কেউ নেয়নি অভিজ্ঞ দুই ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহকে। অবিক্রিত ক্রিকেটারদের নাম পরে তোলা হবে আবার।
নিলামের আগেই সরাসরি চুক্তির পর ‘এ’ ক্যাটাগরিতে বাকি ছিলেন কেবল নাঈম ও লিটন। লটারিতে আগে ওঠে নাঈমের নাম। তাকে প্রথম ডাকে সিলেট । সিলেটের সঙ্গে প্রথমে লড়াইয়ে আসে রংপুর। পরে যোগ দেয় নতুন দল নোয়াখালী এক্সপ্রেস। দর ৮০ লাখ টাকা ওঠার পর লড়াইয়ে যোগ দেয় চট্টগ্রাম। শেষ পর্যন্ত ১ কোটি ১০ লাখে বাঁহাতি এই ওপেনারকে পেয়ে যায় চট্টগ্রাম।
এরপর আসে লিটনের পালা। তাকে নিয়ে সিলেটের সঙ্গে কিছুটা লড়াই করে ৭০ লাখে পেয়ে যায় রংপুর। কাড়াকাড়ি পড়ে যায় হৃদয়কে দলে পেতেও। ভিত্তিমূল্যের দ্বিগুনের বেশি দামে তাকে নেয় রংপুর।
গত আসরে চিটাগং কিংসের হয় খেলা পেসার সৈয়দ খালেদকে ৪৭ লাখ টাকায় কিনে নেয় সিলেট।
নিলামের মাঝামাঝি পর্যন্ত সবচেয়ে বড় চমক বলা যায় অবশ্য মোহাম্মদ মিঠুন।
গত তিন বিপিএলে ভালো পারফর্ম না করলেও তাকে নিয়ে লড়াই জমে যায় ঢাকা ও নোয়াখালীর মধ্যে। ২২ লাখ টাকা ভিত্তিমূল্যের ব্যাটসম্যান শেষ পর্যন্ত ৫২ লাখ টাকায় ঠাঁই পান ঢাকায়।
বোলিং অলরাউন্ডার সাইফ উদ্দিনকে ৬৮ লাখ টাকায় নেয় ঢাকা।
গতি তারকা নাহিদ রানাকে ৫৬ লাখ টাকায় আবার দলে নেয় রংপুর।
ভিত্তিমূল্য ৩৫ লাখ রুপিতে জাকের আলি ও মাহিদুল অঙ্কনকে দলে পায় নোয়াখালী। বাঁহাতি স্পিনার তাইজুলকে ৩০ লাখে পায় ঢাকা ।
সম্প্রতি রাইজিং স্টার্স এশিয়া কাপে নজরকাড়া রিপন মন্ডলকে ২৫ লাখে পেয়ে যায় রাজশাহী। দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় দলের বাইরে থাকা ব্যাটার সাব্বিরকে ২৮ লাখ টাকায় দলে নেয় ঢাকা।
১৮ লাখ টাকা ভিত্তিমূল্যের হাবিবুর সোহানকে ৫০ লাখ টাকায় দলে পায় নোয়াখালী।
ইপেপার
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
নগর-মহানগর
খেলা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
শিক্ষা
অর্থ-বাণিজ্য
সংস্কৃতি
ক্যাম্পাস
মিডিয়া
অপরাধ ও দুর্নীতি
রাজনীতি
শোক ও স্মরন
প্রবাস
নারীর প্রতি সহিংসতা
বিনোদন
সম্পাদকীয়
উপ-সম্পাদকীয়
মুক্ত আলোচনা
চিঠিপত্র
পাঠকের চিঠি
নাঈম শেখ
রোববার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
বিপিএল নিলামের প্রথম ডাকেই কাড়াকাড়ি পড়ে গেল মোহাম্মদ নাঈম শেখকে নিয়ে। ভিত্তিমূল্য থেকে ১৩ ধাপ পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত থামলো সেই লড়াই। ততক্ষণে তার পারিশ্রমিক হয়ে গেছে দ্বিগুণের বেশি! তবে অতটা লড়াই হয়নি জাতীয় টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন কুমার দাসকে নিয়ে। ‘এ’ ক্যাটাগরিতে নাঈমের ভিত্তিমূল্য ছিল ৫০ লাখ টাকা। তাকে ১ কোটি ১০ লাখ টাকায় দলে পায় নতুন দল চট্টগ্রাম রয়্যালস। একই ক্যাটাগরি ও সমান ভিত্তিমূল্যের লিটনকে ৭০ লাখ টাকায় পেয়ে যায় রংপুর রাইডার্স।
লড়াই জমে ওঠে তাওহিদ হৃদয়কে নিয়েও। ‘বি’ ক্যাটাগরিতে ৩৫ লাখ ভিত্তিমূল্যের এ ব্যাটসম্যানকে ৯২ লাখ টাকায় দলে নেয় রংপুর রাইডার্স।
আগ্রাসী ব্যাটসম্যান শামীম হোসেনকে ৫৬ লাখ টাকায় নিয়েছে ঢাকা ক্যাপিটালস।
প্রথম ডাকে কেউ নেয়নি অভিজ্ঞ দুই ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহকে। অবিক্রিত ক্রিকেটারদের নাম পরে তোলা হবে আবার।
নিলামের আগেই সরাসরি চুক্তির পর ‘এ’ ক্যাটাগরিতে বাকি ছিলেন কেবল নাঈম ও লিটন। লটারিতে আগে ওঠে নাঈমের নাম। তাকে প্রথম ডাকে সিলেট । সিলেটের সঙ্গে প্রথমে লড়াইয়ে আসে রংপুর। পরে যোগ দেয় নতুন দল নোয়াখালী এক্সপ্রেস। দর ৮০ লাখ টাকা ওঠার পর লড়াইয়ে যোগ দেয় চট্টগ্রাম। শেষ পর্যন্ত ১ কোটি ১০ লাখে বাঁহাতি এই ওপেনারকে পেয়ে যায় চট্টগ্রাম।
এরপর আসে লিটনের পালা। তাকে নিয়ে সিলেটের সঙ্গে কিছুটা লড়াই করে ৭০ লাখে পেয়ে যায় রংপুর। কাড়াকাড়ি পড়ে যায় হৃদয়কে দলে পেতেও। ভিত্তিমূল্যের দ্বিগুনের বেশি দামে তাকে নেয় রংপুর।
গত আসরে চিটাগং কিংসের হয় খেলা পেসার সৈয়দ খালেদকে ৪৭ লাখ টাকায় কিনে নেয় সিলেট।
নিলামের মাঝামাঝি পর্যন্ত সবচেয়ে বড় চমক বলা যায় অবশ্য মোহাম্মদ মিঠুন।
গত তিন বিপিএলে ভালো পারফর্ম না করলেও তাকে নিয়ে লড়াই জমে যায় ঢাকা ও নোয়াখালীর মধ্যে। ২২ লাখ টাকা ভিত্তিমূল্যের ব্যাটসম্যান শেষ পর্যন্ত ৫২ লাখ টাকায় ঠাঁই পান ঢাকায়।
বোলিং অলরাউন্ডার সাইফ উদ্দিনকে ৬৮ লাখ টাকায় নেয় ঢাকা।
গতি তারকা নাহিদ রানাকে ৫৬ লাখ টাকায় আবার দলে নেয় রংপুর।
ভিত্তিমূল্য ৩৫ লাখ রুপিতে জাকের আলি ও মাহিদুল অঙ্কনকে দলে পায় নোয়াখালী। বাঁহাতি স্পিনার তাইজুলকে ৩০ লাখে পায় ঢাকা ।
সম্প্রতি রাইজিং স্টার্স এশিয়া কাপে নজরকাড়া রিপন মন্ডলকে ২৫ লাখে পেয়ে যায় রাজশাহী। দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় দলের বাইরে থাকা ব্যাটার সাব্বিরকে ২৮ লাখ টাকায় দলে নেয় ঢাকা।
১৮ লাখ টাকা ভিত্তিমূল্যের হাবিবুর সোহানকে ৫০ লাখ টাকায় দলে পায় নোয়াখালী।