আগামী ১৩ জানুয়ারি নারী ও ১৪ জানুয়ারি পুরুষ সাফ ফুটসাল থাইল্যান্ডে শুরু হবে। বাংলাদেশ নারী ও পুরুষ দল আজ দেশ ছাড়বে। বাফুফে বাড়তি অর্থ ব্যয় করে খেলা শুরুর দশ দিন আগে দুই দল পাঠাচ্ছে উন্নত অনুশীলন ও প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার জন্য।
পুরুষ ফুটসাল দলের অধিনায়ক কানাডা প্রবাসী রাহবার খান। তিনি আগামীকাল দলের সঙ্গে যোগ দেবেন। রাহবারকে নিয়ে ফুটসাল কমিটির চেয়ারম্যান ইমরানুর রহমান বলেন, ‘সে কানাডায় জব করে। দেশের জন্য সে বিনা বেতনে ছুটিতে আসছে। ঢাকায় ক্যাম্পে না থাকতে পারলেও থাইল্যান্ডে শুরু থেকে টুর্নামেন্ট পর্যন্ত থাকবে। এতদিন সে কানাডায় কাজ থেকে ছুটি নেয়ায় বেতন পাবেন না। এটা দেশের জন্য ত্যাগ।’
নারী দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন। ২০১৮ সালের প্রথম আসরেও সাবিনা দলের দায়িত্বে ছিলেন। দুই দলের মধ্যে পার্থক্য নিয়ে সাবিনা খাতুন বলেন, ‘অবশ্যই আগের চেয়ে ভালো। আমাদের এই দল এক মাসের বেশি অনুশীলন করেছে। ভালো মানের কোচ রয়েছে। আমাদের ফুটসাল জ্ঞানও বেড়েছে। দেশবাসীর কাছে দোয়া চাই, যেন ভালো করতে পারি।’
মালদ্বীপকে এগিয়ে রাখছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক, ‘মালদ্বীপের মেয়েরা সব সময় ফুটসালই খেলে। তাদের অভিজ্ঞতা অনেক, ভারতের ফুটসালে সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। বাকি দেশগুলো প্রায় সমান সমান।’
বাংলাদেশ টানা দুইবার নারী সাফে চ্যাম্পিয়ন। ফুটসালেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সম্ভব কিনা এই প্রশ্নের উত্তরে সাবিনা বলেন, ‘আমরা ফুটসালেও ইতিহাস করতে চাই। হয় এই বছর, না হয় পরের বছর, বা এর পরে, আমরা ইতিহাস করতে চাই।’
দুই দলেই হেড কোচ হিসেবে ইরানী সাঈদ খোদারাহমি রয়েছেন। তিনি বলেন, ‘এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের আগের চেয়ে এখন প্রস্তুতি আরও ভালো। আমি আশাবাদী বাংলাদেশ সাফে ভালো কিছু করবে। দুই দলই সমানভাবে প্রস্তুত।’
বাংলাদেশে ভালো ফুটসাল স্টেডিয়াম নেই। এতে অনুশীলনে সমস্যা হয়। ফুটবল ও ফুটসালের মানসিকতা আলাদা। যেটা একমাসে পরিবর্তন সম্ভব নয়? খেলোয়াড়, কোচ, রেফারি সবকিছুতেই ফুটবল ও ফুটসালে ভিন্নতা রয়েছে।’