বল হাতে মাত্র ৭ রানে ৫ উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করেন নাসুম।
সিলেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ২৪ রানের সূচনা করেন নোয়াখালীর দুই ওপেনার হাবিবুর রহমান সোহান ও সৌম্য সরকার। ইনিংসের চতুর্থ ওভারের প্রথম বলে সৌম্যকে শিকার করে জুটি ভাঙেন নাসুম। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় নোয়াখালী। শেষ পর্যন্ত ১৪.২ ওভারে ৬১ রানে অলআউট হয় তারা। এবারের বিপিএলে এই প্রথম কোন দল ১শর নিচে গুটিয়ে গেল।
দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২৫ রান করেন উইকেটরক্ষক মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। হাবিবুরের ব্যাট থেকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৮ রানে আসে।
৪ ওভারে ৭ রান দিয়ে ৫ উইকেট শিকার করেন নাসুম। ১৪৭ ম্যাচের ক্যারিয়ারে এই প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেটের দেখা পেলেন তিনি। এবারের বিপিএলে এখন পর্যন্ত এটি সেরা বোলিং ফিগার।
বিপিএলের ইতিহাসে বাংলাদেশি বোলার হিসেবে স্পিনারদের মধ্যে সেরা বোলিং ফিগারের রেকর্ড গড়েন নাসুম। জবাবে ৪ উইকেট হারালেও জয় পেতে সমস্যা হয়নি সিলেট টাইটান্সের। ওপেনার তৌফিক খানের ১৮ বলে ৩২ এবং জাকির হাসানের ২৪ রানের সুবাদে ৬৮ বল বাকি থাকতে সহজ জয় পায় সিলেট। নোয়াখালীর জহির খান ৮ রানে ৩ উইকেট নেন। ম্যাচসেরা হন সিলেটের নাসুম।
এই জয়ে ৬ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তৃতীয় স্থানে সিলেট। ৪ ম্যাচ খলে এখনও জয়ের দেখা পায়নি নোয়াখালী।
সারাদেশ: আক্কেলপুরে ভাজা বিক্রেতার আত্মহত্যা