image

বিসিসিআইয়ের ’সর্বোচ্চ পর্যায়’ থেকে সরাসরি সিদ্ধান্ত, আইপিএল থেকে ছাঁটাই হয় মুস্তাফিজুর রহমানের

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) থেকে ছাঁটাই করার সিদ্ধান্তটি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) অধিকাংশ কর্তারই অগোচরে ছিল। এই বিষয়ে বিসিসিআইয়ের কোনো আনুষ্ঠানিক বৈঠকও হয়নি। আইপিএলের গভর্নিং কাউন্সিলের কর্তারাও এই সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অন্ধকারে ছিলেন।

বিসিসিআইয়ের একটি সূত্রের বরাত দিয়ে ’দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’ জানায়, বোর্ডের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে, মুস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্সের (কেকেআর) হয়ে খেলতে দেওয়া হবে না। কেকেআরকে এ বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

আইপিএলের সঙ্গে যুক্ত বিসিসিআইয়ের এক কর্তা বলেন, "আমরা নিজেরাও সংবাদমাধ্যম থেকে বিষয়টি জানতে পেরেছিলাম। কোনও আলোচনা হয়নি। আমাদের থেকে কোনো পরামর্শও নেওয়া হয়নি।" এথেকে স্পষ্ট, মুস্তাফিজুরকে ছাঁটাই করার ব্যাপারে ’সর্বোচ্চ পর্যায়’ অনড় ছিল। সিদ্ধান্তটি কেবল বোর্ডকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। বিসিসিআইয়ের সচিব জয় শাহ শুধু সেই সিদ্ধান্তটি জানিয়েছিলেন।

বিসিসিআইয়ের একটি সূত্র আবারও জানিয়েছে, বোর্ডের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে মুস্তাফিজুরকে কেকেআরের হয়ে খেলতে দেওয়া হবে না এবং তাকে আইপিএল থেকে ছাড়িয়ে দেওয়ার নির্দেশ ফ্র্যাঞ্চাইজিকে দেওয়া হবে।

আইপিএলের সঙ্গে যুক্ত বোর্ডের ওই কর্তা আবারও বলেন, "আমরা নিজেরাও সংবাদমাধ্যম থেকে বিষয়টি জানতে পেরেছিলাম। কোনও আলোচনা হয়নি। আমাদের থেকে কোনো পরামর্শও নেওয়া হয়নি।" এই তথ্যগুলো থেকে বোঝাই যায়, মুস্তাফিজুরকে ছাঁটাই করার ব্যাপারে ’সর্বোচ্চ পর্যায়’ অনড় ছিল। সিদ্ধান্ত শুধু বোর্ডকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। বোর্ড সচিব জয় শাহ শুধু সেই সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছিলেন।

শনিবার মুস্তাফিজুরকে নিয়ে বিসিসিআই সচিব জয় শাহ বলেছিলেন, "সাম্প্রতিক ঘটনাবলির কারণে বিসিসিআই আইপিএলের অন্যতম ফ্র্যাঞ্চাইজি কেকেআরকে একটি নির্দেশ দিয়েছে। বাংলাদেশের ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেকেআর পরিবর্ত ক্রিকেটার নিতে চেয়ে আবেদন করলে বোর্ড তাদের অনুমতি দেবে।"

এই ঘটনার প্রভাব সুদূরপ্রসারী হয়েছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এর জেরে আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ভারতে খেলতে আসবে না বলে জানিয়েছে। ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া এই প্রতিযোগিতার বাংলাদেশের ম্যাচগুলো অন্য কোথাও সরিয়ে নেওয়ার জন্য বিসিবি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) কাছে অনুরোধ করেছে। বিশেষভাবে, তারা তাদের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছে।

সম্প্রতি